রানা ইসলাম বদরগঞ্জ রংপুর
রংপুরে বদরগঞ্জে মধুপুর ইউনিয়ন নাওপাড়া গ্রামে দীর্ঘ দিন থেকে যমুনেশ্বরী নদীর বালু ও পাড়ের মাটি প্রভাবশালী একটি চক্র লুট করে নিয়ে যাচ্ছে। এতে নদীর অব্যাহত ভাঙ্গনে আবাদি জমির বিলীন হওয়ার পথে।পাশাপাশি সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। বৃহস্পতিবার ৯ জুলাই সরজমিনে যেয়ে দেখা যায়, রাজরামপুর নাওপাড়া গ্রামে কোল ঘেষে যমুনেশ্বরী নদীতে অবৈধভাবে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে বালু ও পাড়ের মাটি শত শত ট্রাক্টর ভর্তি করে নিয়ে যাচ্ছে।ঘটনাস্থলে উপস্থিত ১৫টি বালু লোড করতে দেখা যায়। বালুর পয়েন্টে যেয়ে ও স্হানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, প্রতিদিন লক্ষাধিক টাকার বালু স্হানীয় সবুর আলী নামে এক যুবক প্রশাসনকে ম্যানেজ করে বিক্রি করছেন। পুলিশ আসে কিন্তু অজ্ঞাত কারণে আবার চলেও যায় কিছুক্ষন পর। পাশে আরেকটি বালুর পয়েন্ট চালাচ্ছেন মোয়াজ্জেম ও লিমন।
তারাও প্রতিদিন হাজার হাজার টাকা অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আয় করছেন। বালু ও মাটি বহনকারী গাড়িগুলো গ্রামীণ রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় রাস্তা ভেঙ্গে যাচ্ছে এবং ধুলায় আচ্ছন্ন হচ্ছে গ্রামীণ পরিবেশ। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন ট্রাক্টর চলক বলেন, ভাই আমরা প্রতি গাড়ি চালিয়ে ১০০ থেকে ২০০ টাকা পাই। আর বাকি টাকা খায় যারা মাটি ও বালু বিক্রি করছে। নাওপাড়া গ্রামে আব্দুল কাদির নামে এক ব্যাক্তি বলেন, আমরা তো প্রতিনিয়ত প্রশাসনকে জানাই, কিন্তু তারা আসে না। এজন্য অবৈধ বালু উত্তোলনকারীরা, আরো বেশি করে সাহস পাচ্ছে। কালজানি গ্রামে দু'জন গৃহবধূ বলেন, গাড়িগুলো দিনে যায় আবার রাতেও যায়।রাতে যাওয়ার সময় অনেক শব্দ হয়। এতে ছেলে মেয়ে ঘুমাতে পারেনা।দিনের বেলা মাটির গাড়ি যাওয়ার সময় রাস্তা ভেঙে যাচ্ছে। ধুলায় চোখ মুখ অন্ধকার হয়ে যায়।
অনেকবার মধুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও তশিলদার বলি কিন্তু কোন কাজ হয়না। স্হানীয় ইউপি সদস্য শাহিনুর মিয়া বলেন, এই গাড়িগুলো রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় রাস্তার বারোটা বেজে ওঠে এবং ধুলায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। উপজেলা প্রশাসন সুদৃষ্টি কামনা করছি ব্যাবস্হা নেওয়ার জন্য। মধুপুর ইউনিয়ন তশিলদার রতন চন্দ্র বলেন, অবৈধ বালু উত্তোলনে কর্মকান্ড যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসন আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে । নাওপাড়া গ্রামের যারা বালু উত্তোলন বিষয়টি ইউএনও ও এসিল্যান্ড স্যারকে অবগত করেছি।
বদরগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহাদাত হোসেন বলেন, নাওপাড়া গ্রামে যমুনেশ্বরী নদী থেকে বালু মাটি যারা তুলছেন তাদের বিরুদ্ধে আমরা এর আগেও অভিযান চালিয়ে জেল জরিমানা করা হয়। আবারও সেখানে অভিযান চালানো হবে।
রংপুরে বদরগঞ্জে মধুপুর ইউনিয়ন নাওপাড়া গ্রামে দীর্ঘ দিন থেকে যমুনেশ্বরী নদীর বালু ও পাড়ের মাটি প্রভাবশালী একটি চক্র লুট করে নিয়ে যাচ্ছে। এতে নদীর অব্যাহত ভাঙ্গনে আবাদি জমির বিলীন হওয়ার পথে।পাশাপাশি সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। বৃহস্পতিবার ৯ জুলাই সরজমিনে যেয়ে দেখা যায়, রাজরামপুর নাওপাড়া গ্রামে কোল ঘেষে যমুনেশ্বরী নদীতে অবৈধভাবে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে বালু ও পাড়ের মাটি শত শত ট্রাক্টর ভর্তি করে নিয়ে যাচ্ছে।ঘটনাস্থলে উপস্থিত ১৫টি বালু লোড করতে দেখা যায়। বালুর পয়েন্টে যেয়ে ও স্হানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, প্রতিদিন লক্ষাধিক টাকার বালু স্হানীয় সবুর আলী নামে এক যুবক প্রশাসনকে ম্যানেজ করে বিক্রি করছেন। পুলিশ আসে কিন্তু অজ্ঞাত কারণে আবার চলেও যায় কিছুক্ষন পর। পাশে আরেকটি বালুর পয়েন্ট চালাচ্ছেন মোয়াজ্জেম ও লিমন।
তারাও প্রতিদিন হাজার হাজার টাকা অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আয় করছেন। বালু ও মাটি বহনকারী গাড়িগুলো গ্রামীণ রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় রাস্তা ভেঙ্গে যাচ্ছে এবং ধুলায় আচ্ছন্ন হচ্ছে গ্রামীণ পরিবেশ। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন ট্রাক্টর চলক বলেন, ভাই আমরা প্রতি গাড়ি চালিয়ে ১০০ থেকে ২০০ টাকা পাই। আর বাকি টাকা খায় যারা মাটি ও বালু বিক্রি করছে। নাওপাড়া গ্রামে আব্দুল কাদির নামে এক ব্যাক্তি বলেন, আমরা তো প্রতিনিয়ত প্রশাসনকে জানাই, কিন্তু তারা আসে না। এজন্য অবৈধ বালু উত্তোলনকারীরা, আরো বেশি করে সাহস পাচ্ছে। কালজানি গ্রামে দু'জন গৃহবধূ বলেন, গাড়িগুলো দিনে যায় আবার রাতেও যায়।রাতে যাওয়ার সময় অনেক শব্দ হয়। এতে ছেলে মেয়ে ঘুমাতে পারেনা।দিনের বেলা মাটির গাড়ি যাওয়ার সময় রাস্তা ভেঙে যাচ্ছে। ধুলায় চোখ মুখ অন্ধকার হয়ে যায়।
অনেকবার মধুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও তশিলদার বলি কিন্তু কোন কাজ হয়না। স্হানীয় ইউপি সদস্য শাহিনুর মিয়া বলেন, এই গাড়িগুলো রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় রাস্তার বারোটা বেজে ওঠে এবং ধুলায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। উপজেলা প্রশাসন সুদৃষ্টি কামনা করছি ব্যাবস্হা নেওয়ার জন্য। মধুপুর ইউনিয়ন তশিলদার রতন চন্দ্র বলেন, অবৈধ বালু উত্তোলনে কর্মকান্ড যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসন আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে । নাওপাড়া গ্রামের যারা বালু উত্তোলন বিষয়টি ইউএনও ও এসিল্যান্ড স্যারকে অবগত করেছি।
বদরগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহাদাত হোসেন বলেন, নাওপাড়া গ্রামে যমুনেশ্বরী নদী থেকে বালু মাটি যারা তুলছেন তাদের বিরুদ্ধে আমরা এর আগেও অভিযান চালিয়ে জেল জরিমানা করা হয়। আবারও সেখানে অভিযান চালানো হবে।