রাহাদ সুমন,বরিশাল ব্যুরো :
পুলিশী নির্যাতনে গ্রেপ্তারকৃত আসামির মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে প্রকাশ্যে থানায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর, লুটপাট ও পুলিশ সদস্যদের আহত করার ঘটনায় ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বরিশালের আগৈলঝাড়া থানার ওসি মো. মাসুদ খান। ওসি বলেন,, হামলার ঘটনার পর থেকেই থানায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। রাতভর অভিযান চালিয়ে হামলায় জড়িত ১৮ জনকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তিনিও আরও জানান, ভিডিও ফুটেজ দেখে হামলার সাথে জড়িত অন্যান্যদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।পাশাপাশি এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। উল্লেখ্য, গত বুধবার সন্ধ্যায় নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে চুরি, মাদকসহ একাধিক মামলার আসামি ফুল্লশী গ্রামের রিয়াজ ফকিরকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
থানা পুলিশের পক্ষ থেকে প্রচারিত একটি সিসিটিভির ফুটেজে দেখা গেছে, থানার হাজতখানায় থাকা অবস্থায় রিয়াজ নিজেই দেয়ালের সাথে নিজের মাথায় আঘাত করে অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে ওইদিন রাত ১১টার দিকে তাকে আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে গভীর রাতে তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে রিয়াজ ফকিরের মৃত্যুর গুজব এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে তার স্বজন ও স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পরে।
বিকেলে কয়েক শতাধিক মানুষ মিছিল নিয়ে আগৈলঝাড়া থানায় হামলা চালায়। এ সময় ডিউটি অফিসার এএসআই আব্দুল হালিমকে মারধর করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ করলে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে পুলিশের ছয়জন সদস্যসহ উভয়পক্ষের অন্তত ১২ জন আহত হন। গুরুতর আহত এএসআই আব্দুল হালিমকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া কনস্টেবল লিমন মিয়া, ফরহাদ হোসেন, মনির হোসেন, আল আমিন হোসেন ও মেহেদী হাসান আহত হয়েছেন। অন্যদিকে সংঘর্ষে রিয়াজ ফকিরের মা নাছরিন বেগম (৫০), বোন শারমিন আক্তার (২৮), মমতাজ বেগম (৪৭)সহ অন্তত ছয়জন আহত হন। তাদের মধ্যে কয়েকজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছেন এবং অন্যরা বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা নিচ্ছেন। রিয়াজ ফকিরের বাবা সিদ্দিক ফকির ও মা নাছরিন বেগম অভিযোগ করেন, তাদের ছেলেকে বিনা অপরাধে আটক করে পুলিশ মারধর করেছে।
এ মারধরে রিয়াজের মৃত্যু হয়েছে বলে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। তবে মৃত্যুর খবরটি গুজব দাবি করে থানার ওসি জানিয়েছেন, রিয়াজ নিজেই থানার হাজতের দেয়ালে নিজের মাথায় আঘাত করে আহত হয়। সে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে এবং সুস্থ্য আছে।
পুলিশী নির্যাতনে গ্রেপ্তারকৃত আসামির মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে প্রকাশ্যে থানায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর, লুটপাট ও পুলিশ সদস্যদের আহত করার ঘটনায় ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বরিশালের আগৈলঝাড়া থানার ওসি মো. মাসুদ খান। ওসি বলেন,, হামলার ঘটনার পর থেকেই থানায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। রাতভর অভিযান চালিয়ে হামলায় জড়িত ১৮ জনকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তিনিও আরও জানান, ভিডিও ফুটেজ দেখে হামলার সাথে জড়িত অন্যান্যদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।পাশাপাশি এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। উল্লেখ্য, গত বুধবার সন্ধ্যায় নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে চুরি, মাদকসহ একাধিক মামলার আসামি ফুল্লশী গ্রামের রিয়াজ ফকিরকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
থানা পুলিশের পক্ষ থেকে প্রচারিত একটি সিসিটিভির ফুটেজে দেখা গেছে, থানার হাজতখানায় থাকা অবস্থায় রিয়াজ নিজেই দেয়ালের সাথে নিজের মাথায় আঘাত করে অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে ওইদিন রাত ১১টার দিকে তাকে আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে গভীর রাতে তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে রিয়াজ ফকিরের মৃত্যুর গুজব এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে তার স্বজন ও স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পরে।
বিকেলে কয়েক শতাধিক মানুষ মিছিল নিয়ে আগৈলঝাড়া থানায় হামলা চালায়। এ সময় ডিউটি অফিসার এএসআই আব্দুল হালিমকে মারধর করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ করলে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে পুলিশের ছয়জন সদস্যসহ উভয়পক্ষের অন্তত ১২ জন আহত হন। গুরুতর আহত এএসআই আব্দুল হালিমকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া কনস্টেবল লিমন মিয়া, ফরহাদ হোসেন, মনির হোসেন, আল আমিন হোসেন ও মেহেদী হাসান আহত হয়েছেন। অন্যদিকে সংঘর্ষে রিয়াজ ফকিরের মা নাছরিন বেগম (৫০), বোন শারমিন আক্তার (২৮), মমতাজ বেগম (৪৭)সহ অন্তত ছয়জন আহত হন। তাদের মধ্যে কয়েকজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছেন এবং অন্যরা বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা নিচ্ছেন। রিয়াজ ফকিরের বাবা সিদ্দিক ফকির ও মা নাছরিন বেগম অভিযোগ করেন, তাদের ছেলেকে বিনা অপরাধে আটক করে পুলিশ মারধর করেছে।
এ মারধরে রিয়াজের মৃত্যু হয়েছে বলে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। তবে মৃত্যুর খবরটি গুজব দাবি করে থানার ওসি জানিয়েছেন, রিয়াজ নিজেই থানার হাজতের দেয়ালে নিজের মাথায় আঘাত করে আহত হয়। সে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে এবং সুস্থ্য আছে।