হেলাল উদ্দীন (মিঞাজী)নাইক্ষ্যংছড়ি(বান্দরবান)প্রতিনিধিঃ
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় ব্র্যাক মাইক্রোফিন্যান্স ও উপজেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ও বাইশারি ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (০৯ জুলাই)দুপুর ২ টায় নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়ন পরিষদে অতিবৃষ্টিতে পাহাড় ধ্বস ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫০ টি পরিবারের মাঝে শুকনো খাবার ও ত্রাণ সামগ্রীর প্যাকেট বিতরণ করা হয়। এর আগে ব্র্যাক মাইক্রোফান্যান্স নাইক্ষংছড়ি শাখার উদ্যোগে উপজেলা প্রশাসনকে ১০০ প্যাকেট শুকনা খাবার দেয়া হয়। এর মধ্যে ৫০ প্যাকেট বাইশারি ইউনিয়ন এবং ৫০ প্যাকেট নাইক্ষংছড়ি সদর ইউনিয়ন পরিষদে প্রদান করা হয়।
ত্রাণ সামগ্রী প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার এনামুল হাসান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন, উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান তোফায়েল আহমেদ সদর ইউনিয়ন প্রশাসক মাহবুব এলাহী এবং ব্র্যাকের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন নাইক্ষংছড়ি শাখার শাখা ব্যবস্থাপক (দাবি) মোঃ বায়জিদ , মোঃ রবিউল ইসলাম (রিজিওনাল কোর্ডিনেটর, লিড জেনারেশন, কক্সবাজার ) এবং অংছাই মং মারমা ( সিনিয়র অফিসার, বিডিইউ, কক্সবাজার)। প্রসঙ্গত নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে পাহাড় ধস, বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত, সেতু ধসে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। দুর্যোগে অনেক পরিবার ঘরবন্দি হয়ে পড়েছে এবং প্রান্তিক কৃষকদের মৌসুমি ফল ও কৃষি ফসলেরও ক্ষতি হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় পাহাড় ধস ও ভারী বর্ষণে একাধিক পরিবারের বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে রয়েছেন রহমত উল্লাহ, শফি উল্লাহ (১ নম্বর ওয়ার্ডের আদর্শ গ্রাম), মোহাম্মদ ইসমাইল (৫ নম্বর ওয়ার্ড), মোহাম্মদ আব্দুল (২ নম্বর ওয়ার্ডের বিচামারা এলাকা) এবং নুরুল ইসলাম (৩ নম্বর ওয়ার্ডের ফুইট্যা ঝিরা)। এদিকে, বাইশারী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের থুইলা অং পাড়ার একমাত্র যোগাযোগের মাধ্যম গর্জন খালের ওপর নির্মিত সেতুটি বৃহস্পতিবার ভোররাতে প্রবল পানির স্রোতে ধসে পড়ে। এতে পাড়াটির সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে এবং শত শত মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, ভোররাত প্রায় ৪টার দিকে বিকট শব্দে ঘুম ভেঙে বাইরে এসে তারা দেখতে পান, সেতুটি খালের মধ্যে ভেঙে পড়ে আছে।
থুইলা অং পাড়ার বাসিন্দা ও স্কুলশিক্ষক মংচাচিং মার্মা বলেন, “গর্জন খালের ওপর নির্মিত এই সেতুই ছিল আমাদের একমাত্র যাতায়াতের পথ। এটি ভেঙে যাওয়ায় পাড়ার মানুষের চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে।” উপজেলা সদরসহ অন্যান্য ইউনিয়নের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ এখনো সচল থাকলেও সোনাইছড়ি, দৌছড়ি ও ঘুমধুম ইউনিয়নের নিচু এলাকায় পানি কমে আবারও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। টানা বর্ষণ অব্যাহত থাকলে পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে বলেও মনে করছেন তারা। এ বিষয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, বাঘমারী এলাকায় একটি সেতু ধসে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে চেয়ারম্যানদের মাধ্যমে আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। গত ৮ জুলাই উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ঘুমধুম ইউনিয়নের ৭৫টি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বাইশারী ও সদর ইউনিয়নের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মাঝেও জরুরি ভিত্তিতে শুকনো খাবার বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। তিনি আরও জানান, বিভিন্ন ইউনিয়নে ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ির তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে।
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় ব্র্যাক মাইক্রোফিন্যান্স ও উপজেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ও বাইশারি ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (০৯ জুলাই)দুপুর ২ টায় নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়ন পরিষদে অতিবৃষ্টিতে পাহাড় ধ্বস ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫০ টি পরিবারের মাঝে শুকনো খাবার ও ত্রাণ সামগ্রীর প্যাকেট বিতরণ করা হয়। এর আগে ব্র্যাক মাইক্রোফান্যান্স নাইক্ষংছড়ি শাখার উদ্যোগে উপজেলা প্রশাসনকে ১০০ প্যাকেট শুকনা খাবার দেয়া হয়। এর মধ্যে ৫০ প্যাকেট বাইশারি ইউনিয়ন এবং ৫০ প্যাকেট নাইক্ষংছড়ি সদর ইউনিয়ন পরিষদে প্রদান করা হয়।
ত্রাণ সামগ্রী প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার এনামুল হাসান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন, উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান তোফায়েল আহমেদ সদর ইউনিয়ন প্রশাসক মাহবুব এলাহী এবং ব্র্যাকের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন নাইক্ষংছড়ি শাখার শাখা ব্যবস্থাপক (দাবি) মোঃ বায়জিদ , মোঃ রবিউল ইসলাম (রিজিওনাল কোর্ডিনেটর, লিড জেনারেশন, কক্সবাজার ) এবং অংছাই মং মারমা ( সিনিয়র অফিসার, বিডিইউ, কক্সবাজার)। প্রসঙ্গত নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে পাহাড় ধস, বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত, সেতু ধসে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। দুর্যোগে অনেক পরিবার ঘরবন্দি হয়ে পড়েছে এবং প্রান্তিক কৃষকদের মৌসুমি ফল ও কৃষি ফসলেরও ক্ষতি হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় পাহাড় ধস ও ভারী বর্ষণে একাধিক পরিবারের বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে রয়েছেন রহমত উল্লাহ, শফি উল্লাহ (১ নম্বর ওয়ার্ডের আদর্শ গ্রাম), মোহাম্মদ ইসমাইল (৫ নম্বর ওয়ার্ড), মোহাম্মদ আব্দুল (২ নম্বর ওয়ার্ডের বিচামারা এলাকা) এবং নুরুল ইসলাম (৩ নম্বর ওয়ার্ডের ফুইট্যা ঝিরা)। এদিকে, বাইশারী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের থুইলা অং পাড়ার একমাত্র যোগাযোগের মাধ্যম গর্জন খালের ওপর নির্মিত সেতুটি বৃহস্পতিবার ভোররাতে প্রবল পানির স্রোতে ধসে পড়ে। এতে পাড়াটির সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে এবং শত শত মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, ভোররাত প্রায় ৪টার দিকে বিকট শব্দে ঘুম ভেঙে বাইরে এসে তারা দেখতে পান, সেতুটি খালের মধ্যে ভেঙে পড়ে আছে।
থুইলা অং পাড়ার বাসিন্দা ও স্কুলশিক্ষক মংচাচিং মার্মা বলেন, “গর্জন খালের ওপর নির্মিত এই সেতুই ছিল আমাদের একমাত্র যাতায়াতের পথ। এটি ভেঙে যাওয়ায় পাড়ার মানুষের চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে।” উপজেলা সদরসহ অন্যান্য ইউনিয়নের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ এখনো সচল থাকলেও সোনাইছড়ি, দৌছড়ি ও ঘুমধুম ইউনিয়নের নিচু এলাকায় পানি কমে আবারও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। টানা বর্ষণ অব্যাহত থাকলে পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে বলেও মনে করছেন তারা। এ বিষয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, বাঘমারী এলাকায় একটি সেতু ধসে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে চেয়ারম্যানদের মাধ্যমে আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। গত ৮ জুলাই উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ঘুমধুম ইউনিয়নের ৭৫টি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বাইশারী ও সদর ইউনিয়নের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মাঝেও জরুরি ভিত্তিতে শুকনো খাবার বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। তিনি আরও জানান, বিভিন্ন ইউনিয়নে ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ির তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে।