মুগদা–মান্ডা প্রথম গলি মাদকের স্বর্গরাজ্য হাত বাড়ালেই মিলছে বিভিন্ন স্থানে মাদক

আপলোড সময় : ০৮-০৭-২০২৬ ০৩:৩৪:৪১ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ০৮-০৭-২০২৬ ০৩:৩৯:৫৭ অপরাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক


রাজধানীর মুগদা থানা এলাকায় প্রকাশ্য মাদক বেচাকেনা নিয়ে স্থানীয়দের ক্ষোভ চরমে পৌঁছেছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, মাদক ব্যবসায়ী সাইফুল দীর্ঘদিন মান্ডা প্রথম গলিতে মাদক ছড়িয়ে দেয়ার অভিযোগ বরাবর রয়েছে এলাকার আশপাশসহ একাধিক ‘হটস্পট’-এ দিনের পর দিন ইয়াবা, গাঁজা ও অন্যান্য মাদকদ্রব্যের কেনাবেচা চললেও কার্যকর নেই পুলিশের অভিযান চোখে পড়ছে না। এতে পুলিশের নজরদারি ও দায়িত্ব পালনের প্রশ্ন উঠেছে।


স্থানীয় সূত্র জানায়, মান্ডা প্রথম মুড়িওয়ালী গলি টুলু রুবেলের বাড়ি থেকে সুরু করে মান্ডা লেটকার গলি ও বালুর মাঠ পর্যন্ত তার মাদকের সিন্ডিকেট রয়েছে কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ছত্রছায়ায় সাইফুল মাদক বিক্রি করে আসছে রয়েছে তার নামে মুগদা থানায় একাধিক মামলা মাদক ধর্ষণ এবং স্ত্রীকে হত্যার মামলা কিছু দিন জেল খেটে জামিনে বেরিয়ে পুনরায় আবার শুরু করে তার এই অবৈধ মাদক ব্যবসা। নিজেদের রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে এই অবৈধ সিন্ডিকেট পরিচালনা করছে। পরিচিত এলাকায়ও মাদক আখড়া সক্রিয় রয়েছে।


এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রতিদিন এসব এলাকায় লাখ লাখ টাকার মাদক বিক্রি হয়। মাদকের সহজলভ্যতায় তরুণ সমাজ ধ্বংসের পথে। অনেক উঠতি যুবক ছিনতাই ও ডাকাতির মতো অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। প্রায় প্রতিরাতেই এসব আসরকে কেন্দ্র করে মারামারি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ রয়েছে। চাঞ্চল্যকর অভিযোগ আরও অভিযোগ উঠেছে, মাদক চক্র প্রতিদিন , কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তিদের মোটা অংকের টাকা দিয়ে থাকে মাদক ব্যবসায়ী সাইফুলের সিন্ডিকেট ৩, সদস্য কাউম পঁচা শান্তা কাউসার তারা নিজ মুখে বলেন “আমরা নিয়মিত টাকা দেই।

দলের প্রোগ্রামেও কিশোর গ্যাং সরবরাহ করে থাকি সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত মাদক কারবারিদের আনাগোনা বাড়তে থাকে। নির্দিষ্ট সময় অনুযায়ী বিক্রেতারা অবস্থান নেয়—এ তথ্য স্থানীয়দের কাছে এখন ‘ওপেন সিক্রেট’। তবুও নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি বা ধারাবাহিক অভিযানের দৃশ্যমান প্রমাণ নেই বলে অভিযোগ। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক দোকানদার বলেন, “প্রতিদিন একই মুখ, একই জায়গা। ক্রেতা আসে, নেয়, চলে যায়। পুলিশ মাঝে মাঝে দেখা যায়, কিন্তু এই জায়গাগুলোতে কোনো তৎপরতা নেই।” আরেক বাসিন্দার দাবি, “ছোটখাটো অভিযানে দু-একজন ধরা পড়লেও মূল হোতারা অধরা থেকে যায়। এতে সন্দেহ বাড়ছে—আসলে কি বড়দের ধরার সদিচ্ছা আছে?” যুবসমাজ ঝুঁকিতে, বাড়ছে নিরাপত্তাহীনতা অভিভাবকদের অভিযোগ, মাদকের সহজলভ্যতায় কিশোর-যুবরা ঝুঁকিতে পড়ছে। সন্ধ্যার পর অনেক পরিবার চলাচল সীমিত করছে। নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে দাবি করেছে, “অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে”—কিন্তু কবে, কীভাবে এবং কার বিরুদ্ধে—সে বিষয়ে স্পষ্টতা নেই। প্রশ্নগুলো থেকেই যায় চিহ্নিত হটস্পট জানা থাকা সত্ত্বেও কেন ধারাবাহিক অভিযান নেই? কেন বারবার ছোট মাছ ধরা পড়ে, বড়রা অধরাই থাকে?


নিয়মিত টহল ও গোয়েন্দা তথ্য থাকা সত্ত্বেও কেন দৃশ্যমান ফল নেই? এলাকাবাসী দ্রুত স্বচ্ছ তদন্ত, ধারাবাহিক অভিযান ও ফলাফল প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন। তারা পুলিশ সদর দপ্তর ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স ৬ষ্ট তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]