ইবি প্রতিনিধি
রংপুর জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতির উদ্যোগে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘ফল উৎসব–২০২৬’। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুর ২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিসিতে এ আয়োজন করা হয়। এতে সমিতির সম্পাদক রেদওয়ান উল্লাহ'র সঞ্চালনা ও সমিতির সভাপতি মো. মোবাশ্বের রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমিতির সাবেক সভাপতি মো. মশিউর রহমান। এছাড়াও রংপুর থেকে আগত বিভিন্ন শিক্ষাবর্ষের ইবিয়ান শিক্ষার্থীরা ও সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এসময় শিক্ষার্থীরা তাদের উল্লাস প্রকাশ করেন। প্রতি বছর আরও বড় আয়োজনে এমন ফল উৎসব দেখতে চান বলে তারা জানান। উৎসবে রংপুরের বিখ্যাত হাঁড়িভাঙ্গা আমসহ অন্যান্য ফলের মধ্যে কাঁঠাল, আনারস, কলা, পেয়ারা, আপেল, মাল্টা, লটকনসহ বিভিন্ন ধরনের দেশি-বিদেশি ফল প্রদর্শন ও পরিবেশন করা হয়। এ সম্বন্ধে সভাপতি মো: মোবাশ্বের রহমান বলেন, রংপুর জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতির আয়োজিত ফল উৎসব শুধু একটি আনন্দঘন আয়োজন নয়, এটি আমাদের পারস্পরিক সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ ও ঐক্যের প্রতীক।
এই আয়োজনের মাধ্যমে আমরা সদস্যদের মধ্যে সৌহার্দ্য, সহযোগিতা এবং আন্তরিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় করতে পেরেছি। যারা এই আয়োজন সফল করতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহযোগিতা করেছেন, তাদের সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের কল্যাণে এমন গঠনমূলক ও ইতিবাচক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
রংপুর জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতির উদ্যোগে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘ফল উৎসব–২০২৬’। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুর ২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিসিতে এ আয়োজন করা হয়। এতে সমিতির সম্পাদক রেদওয়ান উল্লাহ'র সঞ্চালনা ও সমিতির সভাপতি মো. মোবাশ্বের রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমিতির সাবেক সভাপতি মো. মশিউর রহমান। এছাড়াও রংপুর থেকে আগত বিভিন্ন শিক্ষাবর্ষের ইবিয়ান শিক্ষার্থীরা ও সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এসময় শিক্ষার্থীরা তাদের উল্লাস প্রকাশ করেন। প্রতি বছর আরও বড় আয়োজনে এমন ফল উৎসব দেখতে চান বলে তারা জানান। উৎসবে রংপুরের বিখ্যাত হাঁড়িভাঙ্গা আমসহ অন্যান্য ফলের মধ্যে কাঁঠাল, আনারস, কলা, পেয়ারা, আপেল, মাল্টা, লটকনসহ বিভিন্ন ধরনের দেশি-বিদেশি ফল প্রদর্শন ও পরিবেশন করা হয়। এ সম্বন্ধে সভাপতি মো: মোবাশ্বের রহমান বলেন, রংপুর জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতির আয়োজিত ফল উৎসব শুধু একটি আনন্দঘন আয়োজন নয়, এটি আমাদের পারস্পরিক সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ ও ঐক্যের প্রতীক।
এই আয়োজনের মাধ্যমে আমরা সদস্যদের মধ্যে সৌহার্দ্য, সহযোগিতা এবং আন্তরিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় করতে পেরেছি। যারা এই আয়োজন সফল করতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহযোগিতা করেছেন, তাদের সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের কল্যাণে এমন গঠনমূলক ও ইতিবাচক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।