মোঃ মোকাদ্দেস হোসাইন সোহান, রায়গঞ্জ, সিরাজগঞ্জ:
সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জে বিলুপ্তির পথে এক সময়কার ঐতিহ্যবাহী কুয়া বা এন্দ্রা। এই কুয়াক বা ইন্দ্রার এক সময় বেশ জনপ্রিয় ছিল গ্রামের সবার কাছে। কিন্তু কালের বিবর্তনে প্রায় হারিয়ে গেছে এক সময়ের জনপ্রিয় পানি পানের কূপ অথবা ইন্দ্রা। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এসব কুপ বা এন্দ্রা দুএকটা দেখা গেলও অকেজো হয়ে পড়ে আছে।
তাছাড়া এখন আর এগুলোর তেমন কদর নেই বললেই চলে। অথচ এক সময় এই কূপ অথবা ইন্দ্রা ছাড়া বিকল্প কোনো পথ ছিল না। সে সময় রায়গঞ্জের প্রতিটি গ্রামেই কমবেশি কূপ-ইন্দ্রা থাকতো। সেই কূপ বা ইন্দ্রা থেকেই গ্রামের ছোট-বড় সবাই পানি ব্যবহার করতো। উপজেলার গ্রামপাঙ্গাসী গ্রামের বেশ কয়েকজন গৃহিণীর সাথে কথা হলে তারা জানান, সে সময় এই কুয়া বা ইন্দ্রার কোনো বিকল্প ছিল না।
কিন্তু ডিজিটাল এই সময়ে সবকিছুরই পরিবর্তন হয়েছে। ঘরে ঘরে টিউবওয়েল হয়েছে। বসানো হয়েছে পানি তোলার পাম্ম। ফলে আধুনিকতার ছোঁয়ায় প্রায় রায়গঞ্জ থেকে বিলুপ্তির পথে এক সময়কার ঐতিহ্যবাহী এই কুয়া বা ইন্দ্রা।
সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জে বিলুপ্তির পথে এক সময়কার ঐতিহ্যবাহী কুয়া বা এন্দ্রা। এই কুয়াক বা ইন্দ্রার এক সময় বেশ জনপ্রিয় ছিল গ্রামের সবার কাছে। কিন্তু কালের বিবর্তনে প্রায় হারিয়ে গেছে এক সময়ের জনপ্রিয় পানি পানের কূপ অথবা ইন্দ্রা। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এসব কুপ বা এন্দ্রা দুএকটা দেখা গেলও অকেজো হয়ে পড়ে আছে।
তাছাড়া এখন আর এগুলোর তেমন কদর নেই বললেই চলে। অথচ এক সময় এই কূপ অথবা ইন্দ্রা ছাড়া বিকল্প কোনো পথ ছিল না। সে সময় রায়গঞ্জের প্রতিটি গ্রামেই কমবেশি কূপ-ইন্দ্রা থাকতো। সেই কূপ বা ইন্দ্রা থেকেই গ্রামের ছোট-বড় সবাই পানি ব্যবহার করতো। উপজেলার গ্রামপাঙ্গাসী গ্রামের বেশ কয়েকজন গৃহিণীর সাথে কথা হলে তারা জানান, সে সময় এই কুয়া বা ইন্দ্রার কোনো বিকল্প ছিল না।
কিন্তু ডিজিটাল এই সময়ে সবকিছুরই পরিবর্তন হয়েছে। ঘরে ঘরে টিউবওয়েল হয়েছে। বসানো হয়েছে পানি তোলার পাম্ম। ফলে আধুনিকতার ছোঁয়ায় প্রায় রায়গঞ্জ থেকে বিলুপ্তির পথে এক সময়কার ঐতিহ্যবাহী এই কুয়া বা ইন্দ্রা।