নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
বরিশালের হিজলা উপজেলার, হিজলা গৌরবদী ইউনিয়নে চরম আকার ধারণ করেছে অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক কোন্দল। গত কয়েকদিন ধরে চলমান ধারাবাহিক হামলা, পাল্টা হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের পর এবার ছাত্রদল নেতার মোটরসাইকেল বহরে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৪ জন গুরুতর আহত হয়েছেন এবং ৬টি মোটরসাইকেল পুড়িয়ে সম্পূর্ণ বিনষ্ট করা হয়েছে। দিন দিন এ পরিস্থিতি ভয়াবহ সংঘর্ষের রূপ ধারণ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২১ জুন বরিশাল জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল মোল্লার ওপর যুবদল নেতা মোস্তফা সিকদারের ছেলে সোহাগ জুবায়ের ও লাল চাঁন ফরাজীসহ কয়েকজন অতর্কিত হামলা চালায়। ওই হামলায় ইসমাইল মোল্লা গুরুতর আহত হন। এই ঘটনার জের ধরে রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তরা গৌরবদী ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন বেপারী ও মোস্তফা সিকদারের মাছঘাটে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করে। দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর গতকাল রবিবার বিকেলে ইসমাইল হোসেন মোল্লা নিজ এলাকায় ফেরার কথা ছিল।
তাকে স্বাগত জানাতে স্থানীয় নেতাকর্মীরা গৌরবদী ইউনিয়নের শাওড়া বাজার থেকে ১০-১৫টি মোটরসাইকেলের একটি বহর নিয়ে একতা খেয়াঘাটের উদ্দেশ্যে রওনা হন। বহরটি একতা বাজারে পৌঁছালে প্রতিপক্ষ গ্রুপ তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলায় ৪ নেতাকর্মী গুরুতর আহত হন এবং বহরে থাকা ৬টি মোটরসাইকেল আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। ঘটনার বিষয়ে গৌরবদী ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন বেপারী বলেন ঘটনার সময় আমি সেখানে উপস্থিত ছিলাম না। তবে উল্টো ইসমাইল মোল্লার সমর্থকরা যুবদল নেতা মোস্তফা সিকদার ও শরীফ বাবুর্চির বাড়িতে হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। অন্যদিকে, গৌরবদী ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সুলাইমান জমাদার এই হামলাকে পূর্বপরিকল্পিত দাবি করে বলেন ছাত্রদল নেতা ইসমাইল মোল্লার ওপর প্রথম দফার হামলা ও পাল্টা হামলার ঘটনাটি মীমাংসার জন্য হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এবং উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলতাফ হোসেন খোকন উভয় পক্ষকে নিয়ে বসার তারিখ নির্ধারণ করেছিলেন।
কিন্তু তার আগেই গতকাল ইসমাইল মোল্লাকে শুভেচ্ছা জানাতে যাওয়া নেতাকর্মীদের ওপর এই বর্বর হামলা চালানো হলো। এটি একটি পূর্বপরিকল্পিত ঘটনা, যা দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন এবং প্রতিমন্ত্রী জনাব রাজিব আহসানের এলাকার সুনাম নষ্ট করার অপচেষ্টা মাত্র। হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ সোলায়মান জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাজ করছে। তিনি বলেন,উভয় পক্ষকে নিয়ে সিনিয়র নেতারা আগামীকাল (আজ) বসে আলোচনা সাপেক্ষে বিষয়টি সমাধান করার কথা রয়েছে।
তবে দুই পক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুরো ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চলছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমানে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
বরিশালের হিজলা উপজেলার, হিজলা গৌরবদী ইউনিয়নে চরম আকার ধারণ করেছে অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক কোন্দল। গত কয়েকদিন ধরে চলমান ধারাবাহিক হামলা, পাল্টা হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের পর এবার ছাত্রদল নেতার মোটরসাইকেল বহরে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৪ জন গুরুতর আহত হয়েছেন এবং ৬টি মোটরসাইকেল পুড়িয়ে সম্পূর্ণ বিনষ্ট করা হয়েছে। দিন দিন এ পরিস্থিতি ভয়াবহ সংঘর্ষের রূপ ধারণ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২১ জুন বরিশাল জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল মোল্লার ওপর যুবদল নেতা মোস্তফা সিকদারের ছেলে সোহাগ জুবায়ের ও লাল চাঁন ফরাজীসহ কয়েকজন অতর্কিত হামলা চালায়। ওই হামলায় ইসমাইল মোল্লা গুরুতর আহত হন। এই ঘটনার জের ধরে রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তরা গৌরবদী ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন বেপারী ও মোস্তফা সিকদারের মাছঘাটে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করে। দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর গতকাল রবিবার বিকেলে ইসমাইল হোসেন মোল্লা নিজ এলাকায় ফেরার কথা ছিল।
তাকে স্বাগত জানাতে স্থানীয় নেতাকর্মীরা গৌরবদী ইউনিয়নের শাওড়া বাজার থেকে ১০-১৫টি মোটরসাইকেলের একটি বহর নিয়ে একতা খেয়াঘাটের উদ্দেশ্যে রওনা হন। বহরটি একতা বাজারে পৌঁছালে প্রতিপক্ষ গ্রুপ তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলায় ৪ নেতাকর্মী গুরুতর আহত হন এবং বহরে থাকা ৬টি মোটরসাইকেল আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। ঘটনার বিষয়ে গৌরবদী ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন বেপারী বলেন ঘটনার সময় আমি সেখানে উপস্থিত ছিলাম না। তবে উল্টো ইসমাইল মোল্লার সমর্থকরা যুবদল নেতা মোস্তফা সিকদার ও শরীফ বাবুর্চির বাড়িতে হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। অন্যদিকে, গৌরবদী ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সুলাইমান জমাদার এই হামলাকে পূর্বপরিকল্পিত দাবি করে বলেন ছাত্রদল নেতা ইসমাইল মোল্লার ওপর প্রথম দফার হামলা ও পাল্টা হামলার ঘটনাটি মীমাংসার জন্য হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এবং উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলতাফ হোসেন খোকন উভয় পক্ষকে নিয়ে বসার তারিখ নির্ধারণ করেছিলেন।
কিন্তু তার আগেই গতকাল ইসমাইল মোল্লাকে শুভেচ্ছা জানাতে যাওয়া নেতাকর্মীদের ওপর এই বর্বর হামলা চালানো হলো। এটি একটি পূর্বপরিকল্পিত ঘটনা, যা দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন এবং প্রতিমন্ত্রী জনাব রাজিব আহসানের এলাকার সুনাম নষ্ট করার অপচেষ্টা মাত্র। হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ সোলায়মান জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাজ করছে। তিনি বলেন,উভয় পক্ষকে নিয়ে সিনিয়র নেতারা আগামীকাল (আজ) বসে আলোচনা সাপেক্ষে বিষয়টি সমাধান করার কথা রয়েছে।
তবে দুই পক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুরো ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চলছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমানে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।