চুনারুঘাট প্রতিনিধি:
চুনারুঘাট উপজেলা প্রাণী সম্পদ দপ্তরের ফিল্ড এসিস্ট্যান্ড প্রবাল রায় নির্ধারিত সময়ের পরে অফিসে আসা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে অফিসে উপস্থিত থাকার বাধ্যবাধকতা থাকলেও বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল ১০টা ৪৮ মিনিটে তিনি উপজেলা প্রাণী সম্পদ দপ্তর অফিসে আসেন। এ সময় অনেক সেবাগ্রহীতাকে অপেক্ষা করতে দেখা যায়।
বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে চুনারুঘাট দপ্তর অফিসে গণমাধ্যম কর্মীরা অবস্থান নিয়ে অফিসের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই উপস্থিতি দেখা গেলেও ফিল্ড এসিস্ট্যান্ড প্রবাল রায় সকাল ১০টা ৪৮ মিনিটে অফিসে আসেন।
এদিকে প্রাণী সম্পদ অফিসের প্রবাল রায়ের অবস্থান সম্পর্কে জানতে চাইলে পশু অফিসের কয়েকজন কর্মচারী জানান, তিনি দেরিতেই অফিসে আসেন।
আকবর আলী নামে এক কর্মকর্তা জানান, ‘শিশির স্যার অফিসে এসেছিলেন, বাচ্চা অসুস্থ বিধায় পরে চলে গেছেন।’ আর বড় স্যার (উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন) অন্যত্র পোস্টিং নিয়ে চলে গেছে।
পরে সকাল ১০টা ৪৮ মিনিটে অফিসে এসে প্রবাল রায় জানান, আমি আরও আগেই বাসা থেকে বের হয়েছিলাম, কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে দেরি হয়ে গেছে।
চুনারুঘাট উপজেলা প্রাণী সম্পদ দপ্তরের ফিল্ড এসিস্ট্যান্ড প্রবাল রায় নির্ধারিত সময়ের পরে অফিসে আসা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে অফিসে উপস্থিত থাকার বাধ্যবাধকতা থাকলেও বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল ১০টা ৪৮ মিনিটে তিনি উপজেলা প্রাণী সম্পদ দপ্তর অফিসে আসেন। এ সময় অনেক সেবাগ্রহীতাকে অপেক্ষা করতে দেখা যায়।
বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে চুনারুঘাট দপ্তর অফিসে গণমাধ্যম কর্মীরা অবস্থান নিয়ে অফিসের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই উপস্থিতি দেখা গেলেও ফিল্ড এসিস্ট্যান্ড প্রবাল রায় সকাল ১০টা ৪৮ মিনিটে অফিসে আসেন।
এদিকে প্রাণী সম্পদ অফিসের প্রবাল রায়ের অবস্থান সম্পর্কে জানতে চাইলে পশু অফিসের কয়েকজন কর্মচারী জানান, তিনি দেরিতেই অফিসে আসেন।
আকবর আলী নামে এক কর্মকর্তা জানান, ‘শিশির স্যার অফিসে এসেছিলেন, বাচ্চা অসুস্থ বিধায় পরে চলে গেছেন।’ আর বড় স্যার (উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন) অন্যত্র পোস্টিং নিয়ে চলে গেছে।
পরে সকাল ১০টা ৪৮ মিনিটে অফিসে এসে প্রবাল রায় জানান, আমি আরও আগেই বাসা থেকে বের হয়েছিলাম, কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে দেরি হয়ে গেছে।