ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলস্টেশনে টিকিট বিক্রির নতুন মাইলফলক, জুনে আয় প্রায় দেড় কোটি

আপলোড সময় : ০৬-০৭-২০২৬ ১০:৫৭:১৭ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ০৬-০৭-২০২৬ ১০:৫৯:৩৭ অপরাহ্ন
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি


ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশন আবারও টিকিট বিক্রির আয়ে নতুন রেকর্ড গড়েছে। ২০২৬ সালের জুন মাসে (কমিউটার ট্রেনের আয় ব্যতীত) স্টেশনটির মোট রাজস্ব আয় হয়েছে ১,৪৯,০০,২৯১ টাকা (এক কোটি উনপঞ্চাশ লাখ দুইশত একানব্বই টাকা), যা পূর্বাঞ্চলীয় রেলওয়ের ঢাকা–চট্টগ্রাম রুটের মধ্যবর্তী স্টেশনগুলোর মধ্যে অন্যতম সর্বোচ্চ। এই রেকর্ড আয় প্রমাণ করে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া স্টেশন থেকে প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক যাত্রী বিভিন্ন গন্তব্যে ট্রেনে যাতায়াত করেন। যাত্রীদের এই ব্যাপক সাড়া দীর্ঘদিনের একটি বাস্তবতাকেই সামনে নিয়ে এসেছে—ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে একটি নিয়মিত কমিউটার ট্রেনের প্রয়োজনীয়তা। স্থানীয় বাসিন্দা ও যাত্রীরা বহু বছর ধরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া–ঢাকা এবং আশপাশের গন্তব্যে একটি কমিউটার ট্রেন চালুর দাবি জানিয়ে আসছেন।


কিন্তু বিভিন্ন কারণে সেই দাবি এখনও বাস্তবায়িত হয়নি। অথচ বর্তমান টিকিট বিক্রির পরিসংখ্যান স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত দেয় যে, এই রুটে নতুন ট্রেন চালু করলে যাত্রীদের দুর্ভোগ কমবে এবং একই সঙ্গে বাংলাদেশ রেলওয়ের রাজস্বও আরও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া স্টেশনের মতো উচ্চ চাহিদাসম্পন্ন একটি স্টেশনে নতুন ট্রেন সংযোজন করলে তা কেবল যাত্রীসেবার মানই বাড়াবে না, বরং রেলওয়ের জন্যও হবে লাভজনক বিনিয়োগ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া স্টেশনের এই রেকর্ড আয় আবারও প্রমাণ করেছে—এ অঞ্চলের মানুষের কাছে রেলপথই অন্যতম প্রধান ও নির্ভরযোগ্য যোগাযোগের মাধ্যম। এখন যাত্রীদের প্রত্যাশা, এই চাহিদার প্রতিফলন ঘটিয়ে দ্রুত একটি কমিউটার ট্রেনসহ নতুন ট্রেন সংযোজনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স ৬ষ্ট তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]