বরিশাল অফিস ::
বরিশাল নগরীর পলাশপুর এলাকায় এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (৪ জুলাই) ভোরে একটি ভাড়া বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। নিহত গৃহবধূ মোছা. ময়না (৩০) স্থানীয় বাসিন্দা মো. রুবেলের দ্বিতীয় স্ত্রী বলে জানিয়েছে পুলিশ। পরিবারের সদস্যদের নিহতের ছোট বোন মোছা. সাথী জানান,মৃত্যুর আগে স্বামীর সঙ্গে তার পারিবারিক বিরোধ চলছিল। শুক্রবার সন্ধ্যায় মোবাইল ফোনে বোনের সঙ্গে তার শেষ কথা হয়।
এ সময় ময়না তাকে জানান, তার স্বামী রুবেল তাকে দুই ব্যক্তির সঙ্গে কুয়াকাটায় যেতে বলছেন। তবে তিনি এতে রাজি ছিলেন না। সাথীর অভিযোগ, ওই ঘটনার পর মানসিক চাপে ময়না আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে পারেন।
শনিবার ভোরে তিনি জানতে পারেন, তার বোনের মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। বরিশাল মহানগর পুলিশের কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সনজিৎ চন্দ্র নাথ বলেন, প্রাথমিকভাবে এটি পারিবারিক কলহের জেরে আত্মহত্যার ঘটনা বলে ধারণা করা হচ্ছে। অনৈতিক কোনো কাজে রাজি না হওয়াকে কেন্দ্র করে ঘটনার সূত্রপাত হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। তবে তদন্ত শেষ হওয়ার আগে এ বিষয়ে নিশ্চিত মন্তব্য করা সম্ভব নয়।
এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ঘটনাটির প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
বরিশাল নগরীর পলাশপুর এলাকায় এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (৪ জুলাই) ভোরে একটি ভাড়া বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। নিহত গৃহবধূ মোছা. ময়না (৩০) স্থানীয় বাসিন্দা মো. রুবেলের দ্বিতীয় স্ত্রী বলে জানিয়েছে পুলিশ। পরিবারের সদস্যদের নিহতের ছোট বোন মোছা. সাথী জানান,মৃত্যুর আগে স্বামীর সঙ্গে তার পারিবারিক বিরোধ চলছিল। শুক্রবার সন্ধ্যায় মোবাইল ফোনে বোনের সঙ্গে তার শেষ কথা হয়।
এ সময় ময়না তাকে জানান, তার স্বামী রুবেল তাকে দুই ব্যক্তির সঙ্গে কুয়াকাটায় যেতে বলছেন। তবে তিনি এতে রাজি ছিলেন না। সাথীর অভিযোগ, ওই ঘটনার পর মানসিক চাপে ময়না আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে পারেন।
শনিবার ভোরে তিনি জানতে পারেন, তার বোনের মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। বরিশাল মহানগর পুলিশের কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সনজিৎ চন্দ্র নাথ বলেন, প্রাথমিকভাবে এটি পারিবারিক কলহের জেরে আত্মহত্যার ঘটনা বলে ধারণা করা হচ্ছে। অনৈতিক কোনো কাজে রাজি না হওয়াকে কেন্দ্র করে ঘটনার সূত্রপাত হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। তবে তদন্ত শেষ হওয়ার আগে এ বিষয়ে নিশ্চিত মন্তব্য করা সম্ভব নয়।
এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ঘটনাটির প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।