বরিশাল সংবাদাতা :
বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই ইউনিয়নে ভিক্ষুকের ছদ্মবেশে এক বিধবা বৃদ্ধার বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে স্বর্ণালংকার লুটের চেষ্টা এবং বাধা পেয়ে তাকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগে মা-ছেলেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (১ জুলাই) দিবাগত রাতে চরমোনাই ইউনিয়নের মক্ররোম প্রতাপ গ্রামে। আহত সাফিয়া বেগম (৭০) বর্তমানে ঢাকায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তিনি ওই গ্রামের মৃত ফুল শরিফের স্ত্রী।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন একই ইউনিয়নের ইচাগুড়ি গ্রামের রুমা বেগম ও তার ছেলে শাকিল। ঘটনার পর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে শুক্রবার গভীর রাতে তাদের আটক করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃদ্ধা সাফিয়া বেগম বাড়িতে একাই বসবাস করতেন। তার ছেলে ও মেয়ে ঢাকায় থাকায় এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ভিক্ষুক পরিচয়ে রুমা বেগম ও তার ছেলে রাতে আশ্রয় চান। মানবিক কারণে তাদের ঘরে থাকার সুযোগ দেন সাফিয়া বেগম। অভিযোগ রয়েছে, গভীর রাতে ঘুমন্ত অবস্থায় বৃদ্ধার গলায় থাকা স্বর্ণের চেইন ও কানের দুল ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে মা-ছেলে। এ সময় সাফিয়া বেগম চিৎকার করলে তারা ঘরে থাকা ধারালো বটি দিয়ে তাকে আঘাত করে পালিয়ে যায়।
পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। ভুক্তভোগীর স্বজনরা জানান, পরিকল্পিতভাবে অসহায় বৃদ্ধার সরলতার সুযোগ নিয়ে বাড়িতে প্রবেশ করেছিল অভিযুক্তরা। তারা ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম বলেন, ঘটনার পরপরই পুলিশ তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মূল অভিযুক্ত মা ও ছেলেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর ভাই বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই ইউনিয়নে ভিক্ষুকের ছদ্মবেশে এক বিধবা বৃদ্ধার বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে স্বর্ণালংকার লুটের চেষ্টা এবং বাধা পেয়ে তাকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগে মা-ছেলেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (১ জুলাই) দিবাগত রাতে চরমোনাই ইউনিয়নের মক্ররোম প্রতাপ গ্রামে। আহত সাফিয়া বেগম (৭০) বর্তমানে ঢাকায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তিনি ওই গ্রামের মৃত ফুল শরিফের স্ত্রী।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন একই ইউনিয়নের ইচাগুড়ি গ্রামের রুমা বেগম ও তার ছেলে শাকিল। ঘটনার পর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে শুক্রবার গভীর রাতে তাদের আটক করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃদ্ধা সাফিয়া বেগম বাড়িতে একাই বসবাস করতেন। তার ছেলে ও মেয়ে ঢাকায় থাকায় এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ভিক্ষুক পরিচয়ে রুমা বেগম ও তার ছেলে রাতে আশ্রয় চান। মানবিক কারণে তাদের ঘরে থাকার সুযোগ দেন সাফিয়া বেগম। অভিযোগ রয়েছে, গভীর রাতে ঘুমন্ত অবস্থায় বৃদ্ধার গলায় থাকা স্বর্ণের চেইন ও কানের দুল ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে মা-ছেলে। এ সময় সাফিয়া বেগম চিৎকার করলে তারা ঘরে থাকা ধারালো বটি দিয়ে তাকে আঘাত করে পালিয়ে যায়।
পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। ভুক্তভোগীর স্বজনরা জানান, পরিকল্পিতভাবে অসহায় বৃদ্ধার সরলতার সুযোগ নিয়ে বাড়িতে প্রবেশ করেছিল অভিযুক্তরা। তারা ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম বলেন, ঘটনার পরপরই পুলিশ তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মূল অভিযুক্ত মা ও ছেলেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর ভাই বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।