নিজস্ব প্রতিবেদক
জাহিদুল আলম যুবদলের সদ্য ঘোষিত ১৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে স্থান না পাওয়া (পদবঞ্চিত) নেতারা বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাদের বঞ্চনার অভিযোগ, ক্ষোভ ও বিভিন্ন দাবি তুলে ধরেছেন। এ সময় তারা দীর্ঘদিন আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয়, নির্যাতিত ও জেল-জুলুমের শিকার ত্যাগী নেতাদের যথাযথ মূল্যায়নের দাবি জানান। একই সঙ্গে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ করে দিতে মহাসচিবের সহযোগিতা কামনা করেন।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল সাড়ে ৭টায় রাজধানীর হেয়ার রোডে বিএনপির মহাসচিবের সরকারি বাসভবনে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে রাজধানীর রমনা চাইনিজ রেস্টুরেন্টে পদবঞ্চিত নেতাদের এক জরুরি সভায় সর্বসম্মতিক্রমে মহাসচিবের সঙ্গে সাক্ষাতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সাক্ষাৎকালে নেতারা অভিযোগ করেন, সদ্য ঘোষিত যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে দীর্ঘদিন রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় এবং জেল-জুলুমের শিকার অনেক ত্যাগী নেতাকে মূল্যায়ন করা হয়নি।
তাদের দাবি, কমিটিতে এমন অনেককে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যারা দীর্ঘদিন রাজনীতিতে নিষ্ক্রিয় কিংবা সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে তুলনামূলকভাবে অপরিচিত। এ কারণে প্রকৃত ত্যাগী নেতাকর্মীদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। নেতারা মহাসচিবের কাছে দাবি জানান, যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি পুনর্বিবেচনা করে আন্দোলন-সংগ্রামে পরীক্ষিত ও ত্যাগী নেতাদের যথাযথভাবে মূল্যায়ন করে অন্তর্ভুক্ত করা হোক। পাশাপাশি তারা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ করে দেওয়ারও অনুরোধ জানান।
সাক্ষাৎকারী প্রতিনিধিদলে উপস্থিত ছিলেন ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিক, মো. হুমায়ুন কবির, সাজ্জাদ হোসেন উজ্জ্বল, জাকির হোসেন খান; যুবদলের সাবেক গ্রাম সরকারবিষয়ক সম্পাদক রিয়ন তালুকদার; সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক দেওয়ান অলি উদ্দিন সুমন, শহিদুল ইসলাম সরকার মাসুদ, খালিদ মাহমুদ মাসুদ ও গোলাম ফারুক; সাবেক সহ-ক্রীড়া সম্পাদক আমানুল্লাহ বিপুল; সাবেক সহ-শিল্পবিষয়ক সম্পাদক আসাদুল হক টিটু; সাবেক সহ-স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক বাসেদুর রহমান সোহেল; যুবদলের সাবেক সদস্য শাহিনুজ্জামান মিন্টু, মিজানুর রহমান মোল্লা ও মিজানুর রহমান খান; ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসান, মাহফুজুর রহমান ও রাকিবুল ইসলাম রোকন; সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক মেজবাউল আলম, আওলাদ হোসেন রাজু, মুজাহিদুল ইসলাম, মোহাম্মদ আরিফ, আনোয়ার জাহিদ ও সুমন চৌধুরী; সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ সরকার, গোলাম আজম সৈকত ও সবুর খান সাগর; সাবেক ত্রাণ ও পুনর্বাসন সম্পাদক মিরাজ আজিম; সাবেক জলবায়ুবিষয়ক সম্পাদক স্বপন মণ্ডল; সাবেক সহ-ক্রীড়া সম্পাদক মাজেদুল ইসলাম মাসুম; খন্দকার আমিনুল হক কাকন, নজরুল ইসলাম নাহিদ, ফরিদ খান, মহিবুল্লাহ জয়, খলিলুর রহমান জনি, শরিফ আল ফরহাদ দীপু, ফজলুল হক নিরব, জাহাঙ্গীর আলম, ইয়াকুব রাজু, শফিউল আজম, বিশ্বজিৎ ভদ্র, এম কামরুল হাসান, মাহমুদ খান, দুলাল মাতব্বর, খসরু আহমেদ হিরন, সেলিম রেজা, মাসুদ রানা, মানিক হোসেন, এমদাদুল হক পারভেজ, ইমদাদুল হক, নজরুল ইসলাম, মহিউদ্দিন বেগ সুজন, কবির আহমেদ ও মনিরুজ্জামানসহ ছাত্রদল ও যুবদলের বিভিন্ন পর্যায়ের পদবঞ্চিত নেতারা।
জাহিদুল আলম যুবদলের সদ্য ঘোষিত ১৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে স্থান না পাওয়া (পদবঞ্চিত) নেতারা বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাদের বঞ্চনার অভিযোগ, ক্ষোভ ও বিভিন্ন দাবি তুলে ধরেছেন। এ সময় তারা দীর্ঘদিন আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয়, নির্যাতিত ও জেল-জুলুমের শিকার ত্যাগী নেতাদের যথাযথ মূল্যায়নের দাবি জানান। একই সঙ্গে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ করে দিতে মহাসচিবের সহযোগিতা কামনা করেন।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল সাড়ে ৭টায় রাজধানীর হেয়ার রোডে বিএনপির মহাসচিবের সরকারি বাসভবনে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে রাজধানীর রমনা চাইনিজ রেস্টুরেন্টে পদবঞ্চিত নেতাদের এক জরুরি সভায় সর্বসম্মতিক্রমে মহাসচিবের সঙ্গে সাক্ষাতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সাক্ষাৎকালে নেতারা অভিযোগ করেন, সদ্য ঘোষিত যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে দীর্ঘদিন রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় এবং জেল-জুলুমের শিকার অনেক ত্যাগী নেতাকে মূল্যায়ন করা হয়নি।
তাদের দাবি, কমিটিতে এমন অনেককে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যারা দীর্ঘদিন রাজনীতিতে নিষ্ক্রিয় কিংবা সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে তুলনামূলকভাবে অপরিচিত। এ কারণে প্রকৃত ত্যাগী নেতাকর্মীদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। নেতারা মহাসচিবের কাছে দাবি জানান, যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি পুনর্বিবেচনা করে আন্দোলন-সংগ্রামে পরীক্ষিত ও ত্যাগী নেতাদের যথাযথভাবে মূল্যায়ন করে অন্তর্ভুক্ত করা হোক। পাশাপাশি তারা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ করে দেওয়ারও অনুরোধ জানান।
সাক্ষাৎকারী প্রতিনিধিদলে উপস্থিত ছিলেন ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিক, মো. হুমায়ুন কবির, সাজ্জাদ হোসেন উজ্জ্বল, জাকির হোসেন খান; যুবদলের সাবেক গ্রাম সরকারবিষয়ক সম্পাদক রিয়ন তালুকদার; সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক দেওয়ান অলি উদ্দিন সুমন, শহিদুল ইসলাম সরকার মাসুদ, খালিদ মাহমুদ মাসুদ ও গোলাম ফারুক; সাবেক সহ-ক্রীড়া সম্পাদক আমানুল্লাহ বিপুল; সাবেক সহ-শিল্পবিষয়ক সম্পাদক আসাদুল হক টিটু; সাবেক সহ-স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক বাসেদুর রহমান সোহেল; যুবদলের সাবেক সদস্য শাহিনুজ্জামান মিন্টু, মিজানুর রহমান মোল্লা ও মিজানুর রহমান খান; ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসান, মাহফুজুর রহমান ও রাকিবুল ইসলাম রোকন; সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক মেজবাউল আলম, আওলাদ হোসেন রাজু, মুজাহিদুল ইসলাম, মোহাম্মদ আরিফ, আনোয়ার জাহিদ ও সুমন চৌধুরী; সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ সরকার, গোলাম আজম সৈকত ও সবুর খান সাগর; সাবেক ত্রাণ ও পুনর্বাসন সম্পাদক মিরাজ আজিম; সাবেক জলবায়ুবিষয়ক সম্পাদক স্বপন মণ্ডল; সাবেক সহ-ক্রীড়া সম্পাদক মাজেদুল ইসলাম মাসুম; খন্দকার আমিনুল হক কাকন, নজরুল ইসলাম নাহিদ, ফরিদ খান, মহিবুল্লাহ জয়, খলিলুর রহমান জনি, শরিফ আল ফরহাদ দীপু, ফজলুল হক নিরব, জাহাঙ্গীর আলম, ইয়াকুব রাজু, শফিউল আজম, বিশ্বজিৎ ভদ্র, এম কামরুল হাসান, মাহমুদ খান, দুলাল মাতব্বর, খসরু আহমেদ হিরন, সেলিম রেজা, মাসুদ রানা, মানিক হোসেন, এমদাদুল হক পারভেজ, ইমদাদুল হক, নজরুল ইসলাম, মহিউদ্দিন বেগ সুজন, কবির আহমেদ ও মনিরুজ্জামানসহ ছাত্রদল ও যুবদলের বিভিন্ন পর্যায়ের পদবঞ্চিত নেতারা।