নিজস্ব প্রতিবেদক
রংপুরে র্যাব-১৩-এর অভিযানে আন্তঃজেলা জুয়াচক্রের ১৩ সক্রিয় সদস্য গ্রেফতার, জুয়ার সরঞ্জামাদি জব্দ। 'বাংলাদেশ আমার অহংকার'—এই মূলমন্ত্রকে ধারণ করে এলিট ফোর্স র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) হত্যা, ধর্ষণ, মাদক, ডাকাতি, রাহাজানি, সাইবার অপরাধসহ বিভিন্ন সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে নিয়মিত গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান পরিচালনা করে আসছে।
সাম্প্রতিক সময়ে অনলাইন ও প্রচলিত জুয়ার বিস্তার উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় এ ধরনের অপরাধ প্রতিরোধ এবং সংশ্লিষ্ট অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে র্যাব নিয়মিত গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, সাইবার স্পেস মনিটরিং ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে। এরই ধারাবাহিকতায়, সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্য ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১৩, সদর কোম্পানি, রংপুর-এর একটি চৌকস আভিযানিক দল ০৩ জুলাই ২০২৬ তারিখ রাত ০৩:০০ ঘটিকায় রংপুর মহানগরীর কোতোয়ালী থানাধীন সাতমাথা নগর মাতৃসদনের সামনে উন্মুক্ত মাঠে অভিযান পরিচালনা করে আন্তঃজেলা জুয়াচক্রের ১৩ জন সক্রিয় সদস্য ১। মোঃ এরশাদ হোসেন (৩৫), পিতা- মোঃ রুস্তম আলী, ২। মোঃ রফিকুল ইসলাম (২৯), পিতা- আলী হোসেন, উভয় সাং-সাতমাথা শনিবাড়ী, থানা- কোতয়ালী, রংপুর মহানগর, ৩। মোঃ আব্দুল খালেক (৪২), পিতা-মৃত জহির উদ্দিন, সাং- পানিশাইল, থানা- কাহারোল, জেলা-দিনাজপুর, ৪। মোঃ আব্দুল জলিল (২৮) , পিতা- মোঃ আনারুল , সাং- গদাউচাপাড়া, থানা- কিশোরগঞ্জ, জেলা- নীলফামারী, ৫। মোঃ নবাব আলী (৪২), পিতা- মৃত আব্দুল ওহাব, সাং- ছোট সুলতানপুর, থানা-বোচাগঞ্জ, জেলা-দিনাজপুর, ৬। মোঃ সাগর (২১), পিতা-ইনসাফ আলী, সাং-হরগোবিন্দ, থানা-কাউনিয়া, জেলা-রংপুর, ৭। মোঃ রিপন (৩৮), পিতা- আব্দুল জব্বার, সাং- কলেজপাড়া, থানা- বোচাগঞ্জ, জেলা-দিনাজপুর, ৮। মোঃ দিশাদ হোসেন (২৬), পিতা-মৃত ফজলুল হক, সাং-চাদখানা, থানা- কিশোরগঞ্জ, জেলা- নীলফামারী, ৯। মোঃ শহীদুজ্জামান (৪০), পিতা-মৃত জালাল উদ্দিন, সাং-পশ্চিম খাসবাগ, থানা-কোতয়ালী, জেলা-রংপুর মহানগর, ১০। মোঃ আল আমিন (৩০), পিতা-বেলাল হোসেন, সাং- নিতাই, থানা-- কিশোরগঞ্জ, জেলা- নীলফামারী, ১১। অবিনাশ চন্দ্র (৪০), পিতা-স্বর্গীয় গদাধর চন্দ্র, ১২। কৃষ্ণ কান্ত রায় (৩৭), পিতা-ভ পেন্দ্রণাথ রায়, উভয় সাং- কাজল, থানা-বীরগঞ্জ, জেলা-দিনাজপুর, ১৩। মোঃ সাজ্জাদ হোসেন (১৮), পিতা-ইব্রাহিম মিয়া, সাং-সাতমাথা রেলগেট, থানা-কোতয়ালী, রংপুর মহানগর’দেরকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় । অভিযানকালে জুয়া পরিচালনায় ব্যবহৃত নগদ ১,৫৬,৮৫০/- (এক লক্ষ ছাপ্পান্ন হাজার আটশত পঞ্চাশ) টাকা, জুয়া খেলায় ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের খেলার তাস, একটি নতুন তাসের প্যাকেট, জুয়া খেলার স্থানে টাঙানো একটি ত্রিপল, বসার কাজে ব্যবহৃত একটি প্লাস্টিকের পুরাতন বস্তা, বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ৭টি স্মার্টফোন (REALME-২টি, SAMSUNG-১টি, VIVO-১টি, OPPO-১টি, SYMPHONY-১টি ও TECNO-১টি) জব্দ করা হয়।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আসামিরা একটি আন্তঃজেলা জুয়াচক্রের সক্রিয় সদস্য। তারা দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যে ও অনলাইনের মাধ্যমে জুয়ার কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল। বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে চক্রটির অন্যান্য সদস্য ও আর্থিক লেনদেন সম্পর্কে অধিকতর তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
অনলাইন ও প্রকাশ্য জুয়া, ক্যাসিনোসহ বিভিন্ন সাইবার অপরাধ প্রতিরোধে র্যাবের গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। ...মূলকপি স্বাক্ষরিত... বিপ্লব কুমার গোস্বামী অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) অধিনায়কের পক্ষে
রংপুরে র্যাব-১৩-এর অভিযানে আন্তঃজেলা জুয়াচক্রের ১৩ সক্রিয় সদস্য গ্রেফতার, জুয়ার সরঞ্জামাদি জব্দ। 'বাংলাদেশ আমার অহংকার'—এই মূলমন্ত্রকে ধারণ করে এলিট ফোর্স র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) হত্যা, ধর্ষণ, মাদক, ডাকাতি, রাহাজানি, সাইবার অপরাধসহ বিভিন্ন সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে নিয়মিত গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান পরিচালনা করে আসছে।
সাম্প্রতিক সময়ে অনলাইন ও প্রচলিত জুয়ার বিস্তার উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় এ ধরনের অপরাধ প্রতিরোধ এবং সংশ্লিষ্ট অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে র্যাব নিয়মিত গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, সাইবার স্পেস মনিটরিং ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে। এরই ধারাবাহিকতায়, সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্য ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১৩, সদর কোম্পানি, রংপুর-এর একটি চৌকস আভিযানিক দল ০৩ জুলাই ২০২৬ তারিখ রাত ০৩:০০ ঘটিকায় রংপুর মহানগরীর কোতোয়ালী থানাধীন সাতমাথা নগর মাতৃসদনের সামনে উন্মুক্ত মাঠে অভিযান পরিচালনা করে আন্তঃজেলা জুয়াচক্রের ১৩ জন সক্রিয় সদস্য ১। মোঃ এরশাদ হোসেন (৩৫), পিতা- মোঃ রুস্তম আলী, ২। মোঃ রফিকুল ইসলাম (২৯), পিতা- আলী হোসেন, উভয় সাং-সাতমাথা শনিবাড়ী, থানা- কোতয়ালী, রংপুর মহানগর, ৩। মোঃ আব্দুল খালেক (৪২), পিতা-মৃত জহির উদ্দিন, সাং- পানিশাইল, থানা- কাহারোল, জেলা-দিনাজপুর, ৪। মোঃ আব্দুল জলিল (২৮) , পিতা- মোঃ আনারুল , সাং- গদাউচাপাড়া, থানা- কিশোরগঞ্জ, জেলা- নীলফামারী, ৫। মোঃ নবাব আলী (৪২), পিতা- মৃত আব্দুল ওহাব, সাং- ছোট সুলতানপুর, থানা-বোচাগঞ্জ, জেলা-দিনাজপুর, ৬। মোঃ সাগর (২১), পিতা-ইনসাফ আলী, সাং-হরগোবিন্দ, থানা-কাউনিয়া, জেলা-রংপুর, ৭। মোঃ রিপন (৩৮), পিতা- আব্দুল জব্বার, সাং- কলেজপাড়া, থানা- বোচাগঞ্জ, জেলা-দিনাজপুর, ৮। মোঃ দিশাদ হোসেন (২৬), পিতা-মৃত ফজলুল হক, সাং-চাদখানা, থানা- কিশোরগঞ্জ, জেলা- নীলফামারী, ৯। মোঃ শহীদুজ্জামান (৪০), পিতা-মৃত জালাল উদ্দিন, সাং-পশ্চিম খাসবাগ, থানা-কোতয়ালী, জেলা-রংপুর মহানগর, ১০। মোঃ আল আমিন (৩০), পিতা-বেলাল হোসেন, সাং- নিতাই, থানা-- কিশোরগঞ্জ, জেলা- নীলফামারী, ১১। অবিনাশ চন্দ্র (৪০), পিতা-স্বর্গীয় গদাধর চন্দ্র, ১২। কৃষ্ণ কান্ত রায় (৩৭), পিতা-ভ পেন্দ্রণাথ রায়, উভয় সাং- কাজল, থানা-বীরগঞ্জ, জেলা-দিনাজপুর, ১৩। মোঃ সাজ্জাদ হোসেন (১৮), পিতা-ইব্রাহিম মিয়া, সাং-সাতমাথা রেলগেট, থানা-কোতয়ালী, রংপুর মহানগর’দেরকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় । অভিযানকালে জুয়া পরিচালনায় ব্যবহৃত নগদ ১,৫৬,৮৫০/- (এক লক্ষ ছাপ্পান্ন হাজার আটশত পঞ্চাশ) টাকা, জুয়া খেলায় ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের খেলার তাস, একটি নতুন তাসের প্যাকেট, জুয়া খেলার স্থানে টাঙানো একটি ত্রিপল, বসার কাজে ব্যবহৃত একটি প্লাস্টিকের পুরাতন বস্তা, বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ৭টি স্মার্টফোন (REALME-২টি, SAMSUNG-১টি, VIVO-১টি, OPPO-১টি, SYMPHONY-১টি ও TECNO-১টি) জব্দ করা হয়।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আসামিরা একটি আন্তঃজেলা জুয়াচক্রের সক্রিয় সদস্য। তারা দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যে ও অনলাইনের মাধ্যমে জুয়ার কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল। বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে চক্রটির অন্যান্য সদস্য ও আর্থিক লেনদেন সম্পর্কে অধিকতর তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
অনলাইন ও প্রকাশ্য জুয়া, ক্যাসিনোসহ বিভিন্ন সাইবার অপরাধ প্রতিরোধে র্যাবের গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। ...মূলকপি স্বাক্ষরিত... বিপ্লব কুমার গোস্বামী অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) অধিনায়কের পক্ষে