নিজস্ব প্রতিবেদক
মো: রাজিবুল হোসেন তানিম দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তীব্র গরম ও তাপপ্রবাহে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। অতিরিক্ত গরমের কারণে হিটস্ট্রোক, পানিশূন্যতা ও অন্যান্য স্বাস্থ্যঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ অবস্থায় স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জনগণকে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, গরমের সময়ে পর্যাপ্ত পরিমাণে বিশুদ্ধ পানি পান করতে হবে এবং শরীরে পানির ঘাটতি হতে দেওয়া যাবে না। বাইরে বের হলে ছাতা, টুপি কিংবা হালকা রঙের সুতি পোশাক ব্যবহার করা উচিত। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৪টার মধ্যে বাইরে যাওয়া থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া তাজা ফলমূল ও পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে এবং বাসি ও অস্বাস্থ্যকর খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিদের প্রতি বিশেষ যত্ন নেওয়ারও আহ্বান জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার মাধ্যমে তীব্র গরমের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
মো: রাজিবুল হোসেন তানিম দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তীব্র গরম ও তাপপ্রবাহে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। অতিরিক্ত গরমের কারণে হিটস্ট্রোক, পানিশূন্যতা ও অন্যান্য স্বাস্থ্যঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ অবস্থায় স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জনগণকে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, গরমের সময়ে পর্যাপ্ত পরিমাণে বিশুদ্ধ পানি পান করতে হবে এবং শরীরে পানির ঘাটতি হতে দেওয়া যাবে না। বাইরে বের হলে ছাতা, টুপি কিংবা হালকা রঙের সুতি পোশাক ব্যবহার করা উচিত। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৪টার মধ্যে বাইরে যাওয়া থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া তাজা ফলমূল ও পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে এবং বাসি ও অস্বাস্থ্যকর খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিদের প্রতি বিশেষ যত্ন নেওয়ারও আহ্বান জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার মাধ্যমে তীব্র গরমের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।