নিজস্ব প্রতিবেদক
পটুয়াখালীর বাউফলে ২০২৫/২৬ অর্থবছরের খরিপ-২ মৌসুমে কৃষি প্রণোদনা ও কৃষি পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে উন্নত জাতের ধানের বীজ, সবজির বীজ, ফলদ ও বনজ চারা এবং রাসায়নিক সার বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুরে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনের সংসদ সদস্য ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, “কৃষিই দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। কৃষকের উন্নয়ন নিশ্চিত হলে দেশ আরও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে।” তিনি আরও বলেন, “কৃষকের মুখে হাসি ফোটানোই আমাদের অঙ্গীকার।
কোনো কৃষক যেন বীজ, সার কিংবা কৃষি উপকরণের অভাবে চাষাবাদ থেকে পিছিয়ে না পড়েন, সে লক্ষ্যেই সরকার নিয়মিত কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলা, উৎপাদন বৃদ্ধি, কৃষি ব্যয় কমানো এবং কৃষকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে।
কৃষক সমৃদ্ধ হলে দেশও সমৃদ্ধ হবে। তাই কৃষির উন্নয়নে সরকারের প্রতিটি উদ্যোগ বাস্তবায়নে সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।” বাউফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালেহ আহমেদ’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মিলন জানান, খরিপ-২ মৌসুমের এ কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ৪ হাজার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের প্রত্যেককে ৫ কেজি উফশী আমন ধানের বীজ, ১০ কেজি ডিএপি সার এবং ১০ কেজি এমওপি সার দেওয়া হবে।
এছাড়া ১ হাজার ৫০৫ জন কৃষকের মাঝে লেবুসহ বিভিন্ন ফলদ ও বনজ গাছের চারা বিতরণ করা হবে। একই কর্মসূচির আওতায় ৩৫০ জন কৃষককে হাইব্রিড মরিচের বীজ ও প্রয়োজনীয় কৃষি উপকরণ দেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও জানান, কৃষি প্রণোদনা ও পুনর্বাসন কর্মসূচির মাধ্যমে মোট ৫ হাজার ৮৫৫ জন কৃষক সরাসরি উপকৃত হবেন। এ কর্মসূচির লক্ষ্য কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পুনর্বাসন এবং খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা বজায় রাখা। অনুষ্ঠানে বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম, উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা রেদোয়ান তালুকদার জুনিয়র, কৃষি অফিসার মো. ফোরকান, বাউফল উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা রফিকুল ইসলাম, শিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় দাওয়া সম্পাদক অ্যাডভোকেট মুজাহিদুল ইসলাম, উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা, কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী, জনপ্রতিনিধি এবং বিপুল সংখ্যক কৃষক উপস্থিত ছিলেন।
পটুয়াখালীর বাউফলে ২০২৫/২৬ অর্থবছরের খরিপ-২ মৌসুমে কৃষি প্রণোদনা ও কৃষি পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে উন্নত জাতের ধানের বীজ, সবজির বীজ, ফলদ ও বনজ চারা এবং রাসায়নিক সার বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুরে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনের সংসদ সদস্য ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, “কৃষিই দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। কৃষকের উন্নয়ন নিশ্চিত হলে দেশ আরও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে।” তিনি আরও বলেন, “কৃষকের মুখে হাসি ফোটানোই আমাদের অঙ্গীকার।
কোনো কৃষক যেন বীজ, সার কিংবা কৃষি উপকরণের অভাবে চাষাবাদ থেকে পিছিয়ে না পড়েন, সে লক্ষ্যেই সরকার নিয়মিত কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলা, উৎপাদন বৃদ্ধি, কৃষি ব্যয় কমানো এবং কৃষকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে।
কৃষক সমৃদ্ধ হলে দেশও সমৃদ্ধ হবে। তাই কৃষির উন্নয়নে সরকারের প্রতিটি উদ্যোগ বাস্তবায়নে সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।” বাউফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালেহ আহমেদ’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মিলন জানান, খরিপ-২ মৌসুমের এ কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ৪ হাজার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের প্রত্যেককে ৫ কেজি উফশী আমন ধানের বীজ, ১০ কেজি ডিএপি সার এবং ১০ কেজি এমওপি সার দেওয়া হবে।
এছাড়া ১ হাজার ৫০৫ জন কৃষকের মাঝে লেবুসহ বিভিন্ন ফলদ ও বনজ গাছের চারা বিতরণ করা হবে। একই কর্মসূচির আওতায় ৩৫০ জন কৃষককে হাইব্রিড মরিচের বীজ ও প্রয়োজনীয় কৃষি উপকরণ দেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও জানান, কৃষি প্রণোদনা ও পুনর্বাসন কর্মসূচির মাধ্যমে মোট ৫ হাজার ৮৫৫ জন কৃষক সরাসরি উপকৃত হবেন। এ কর্মসূচির লক্ষ্য কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পুনর্বাসন এবং খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা বজায় রাখা। অনুষ্ঠানে বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম, উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা রেদোয়ান তালুকদার জুনিয়র, কৃষি অফিসার মো. ফোরকান, বাউফল উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা রফিকুল ইসলাম, শিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় দাওয়া সম্পাদক অ্যাডভোকেট মুজাহিদুল ইসলাম, উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা, কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী, জনপ্রতিনিধি এবং বিপুল সংখ্যক কৃষক উপস্থিত ছিলেন।