জাইমা রহমান পরিষদ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি, দেশ প্রেম ও তরুণ প্রজন্মের অনুপ্রেরণায় নতুন সুচনা

আপলোড সময় : ০২-০৭-২০২৬ ১২:০৯:৫৯ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ০২-০৭-২০২৬ ১২:১৩:২৫ অপরাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক


জাইমা রহমানের অর্জন ও রাজনৈতিক সম্ভাবনা ও প্রেক্ষাপট: জাইমা রহমান (জন্ম ১৯৯৫) বাংলাদেশের রাজনীতিতে পরিচিত মুখ এবং বিএনপির সাবেক চেয়ারপারসন দেশনেত্রী মরহুম বেগম খালেদা জিয়া ও সাবেক শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নাতনি, তিনি তারেক রহমান ও ডা. জোবাইদা রহমানের একমাত্র কন্যা, লন্ডনের কুইন মেরি ইউনিভার্সিটি থেকে আইন বিষয়ে পড়াশোনা এবং ২০১৯ সালে লিংকনস ইন থেকে ব্যারিস্টার হিসেবে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত জাইমা রহমান যুক্তরাজ্যে আইন পেশায় অনেক ভালো কাজে অবদান রেখেছেন এবং ইতিমধ্যেই রাজনীতির সাথে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হয়ে দেশের সুবিধা বঞ্চিত মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন, ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের জীবনী: জন্ম ও পরিবার: ২৬ অক্টোবর, ১৯৯৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন, তিনি বিএনপি ঘরানার রাজনৈতিক পরিবারে বেড়ে ওঠেন। শিক্ষাজীবন: লন্ডনের কুইন মেরি ইউনিভার্সিটি থেকে আইন বিষয়ে উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণ করেন এবং ২০১৯ সালে লিংকনস ইন থেকে 'বার-অ্যাট-ল' ডিগ্রি অর্জন করেন। নির্বাসিত জীবন ও কর্মজীবন: ২০০৮ সালে বাবার সাথে যুক্তরাজ্যে চলে যাওয়ার পর দীর্ঘ সময় সেখানেই কাটিয়েছেন, ব্যারিস্টার হিসেবে যুক্তরাজ্যে আইন পেশায় নিয়োজিত ছিলেন। রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা: তিনি দীর্ঘ সময় পর্দার আড়ালে থাকলেও, সাম্প্রতিক সময়ে (২০২৫ সালের শেষে) দেশে ফিরে বিএনপি ও জিয়া পরিবারের প্রতিনিধি হিসেবে বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছেন।


রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জাইমা রহমান কেবল বিএনপির পরিবারের সদস্য হিসেবেই নন, বরং একজন মেধাবী ব্যক্তি হিসেবে দলের নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে জায়গা করে নেওয়ার বড় সম্ভাবনা তৈরি করেছেন। সক্রিয় অংশগ্রহণ: সম্প্রতি তিনি বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন এবং জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধাদের সাথে মতবিনিময় করেছেন, যা তার সক্রিয় রাজনীতির ইঙ্গিত দেয়।


জনসংযোগ ও ইতিবাচক ইমেজ: নতুন প্রজন্মের কাছে বিএনপির ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে তিনি তার ইংরেজি দক্ষতা ও প্রগতিশীল চিন্তাধারা ব্যবহার করছেন। অবস্থান: পারিবারিক ঐতিহ্য: জিয়া পরিবারের উত্তরসূরি হিসেবে রাজনীতিতে তার সম্ভাব্য প্রবেশ নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে উচ্চ প্রত্যাশা রয়েছে, রাজনৈতিক নানা বিষয় নিয়ে বাবার কাছ থেকে শিক্ষা নিচ্ছেন। তিনি জিয়া পরিবারের সম্ভাবনাময়ী মুখ হিসেবে পরিচিত এবং নারীদের ক্ষমতায়ন ও টেকসই উন্নয়নের পক্ষে কথা বলে থাকেন, ২০২৫ সালের শেষে তার দেশে ফেরা এবং জনসমক্ষে অংশগ্রহণ বাংলাদেশের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তিনি জিয়া পরিবারের তৃতীয় প্রজন্মের প্রতিনিধি, সম্ভাবনা আমরা আশা করছি যে আগামীতে তাঁর রাজনৈতিক জীবনে দেশের সুবিধা বঞ্চিত মানুষের জন্য ও নাগরিকদের মানবসম্পদে পরিনত করার জন্য কাজ করে বাংলাদেশের উন্নতি সাধন করতে পারেন। ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের রাজনৈতিক দর্শন এবং তরুণ প্রজন্মের ক্ষমতায়ন ও নারী অধিকারের প্রতি তাঁর দৃষ্টিভঙ্গিকে কেন্দ্র করে 'জাইমা রহমান পরিষদ'-এর কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিকে কাজ করতে হবে। এর মূল লক্ষ্য হলো অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন, মেধাবী নেতৃত্ব তৈরি এবং দেশ পুনর্গঠনে তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। জাইমা রহমান পরিষদের মূল বক্তব্য (Core Vision)জাইমা রহমানের রাজনৈতিক ও সামাজিক দর্শনের মূল ভিত্তি হলো একটি বৈষম্যহীন, আধুনিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠন করা। কমিটির মূল বক্তব্য হওয়া হলো অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্র গঠন: দলমত নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষের রাষ্ট্র-নির্মাণে অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি করা এবং একটি উন্মুক্ত প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলা।

নারীর ক্ষমতায়ন ও নিরাপত্তা: রাজনীতি এবং নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। নারীদের জন্য নিরাপদ কর্মপরিবেশ ও কাঠামোবদ্ধ সহায়তা প্রদান করা। মেধাবী ও তারুণ্যনির্ভর নেতৃত্ব: তরুণদের মেধার সঠিক মূল্যায়ন করা। শুধু কথার রাজনীতিতে সীমাবদ্ধ না থেকে, তৃণমূলের বাস্তব সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে তার টেকসই সমাধান করা।কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির জন্য পালনীয় দিকনির্দেশনাতৃণমূল পর্যায়ে নিবিড় যোগাযোগ: সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাতে হবে এবং তাদের সুখ-দুঃখের অংশীদার হতে হবে। মাঠপর্যায়ের নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের মতামত সরাসরি শোনার উদ্যোগ নেওয়া।নেতৃত্বের সক্ষমতা বৃদ্ধি: তরুণদের জন্য মেন্টরশিপ প্রোগ্রাম এবং গঠনমূলক কর্মশালার আয়োজন করা, যাতে তারা ভবিষ্যতে দক্ষ রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতা হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে পারে।পরিবেশবান্ধব ও সৃজনশীল কার্যক্রম: রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সনাতন প্রচারণার বদলে পরিবেশবান্ধব ও সৃজনশীল উপায়ের (যেমন—বৃক্ষরোপণ বা বীজ বিতরণ) ব্যবহার বাড়ানো।সবাইকে সম্পৃক্তকরণ: জাইমা রহমানের দর্শনের আলোকেই সমাজে কোনো ব্যক্তি যেন তার মতামত প্রকাশের কারণে হেনস্তার শিকার না হয়, সেদিকে লক্ষ্য রাখা এবং বাক্‌স্বাধীনতার সংস্কৃতি বজায় রাখা।

দায়িত্বশীলতা ও সেবা: সাধারণ মানুষের সেবা করা এবং দেশ গঠনে নিজেদের মেধা ও শ্রম সততার সঙ্গে কাজে লাগানো। উল্লেখ্য জাইমা রহমান পরিষদ এর জন্য সারাদেশ থেকে জেল জুলুমের শিকার কর্মী দিয়ে ১০১ জনের লিস্ট ঘোষণা করার জন্য রেডি করা হয়েছে। বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সিনিয়র লিডার দের সঙ্গে আলোচনা চলমান যোগাযোগ রাখছেন, ইনশাআল্লাহ আশা করা যাচ্ছে অচিরেই জাইমা রহমান পরিষদ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি ঘোষনা করা হবে।

প্রতিষ্ঠাতা উদ্যোগ কারী মোঃ রেজাউল করিম চৌধুরী (করিম রেজা) প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র অ্যাসোসিয়েশন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি, ঢাকা।

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স ৬ষ্ট তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]