স্টাফ রিপোর্টারঃ
নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলায় অষ্টম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মতি মিয়া (৫৫) নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পরিবারের পক্ষ থেকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলাটি করা হয়। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত মতি মিয়া পলাতক রয়েছে। আসামি মতি মিয়া উপজেলার চিরাং ইউনিয়নের বাট্টা ভাটিপাড়া গ্রামের মৃত মন্নাফ হোসেনের ছেলে।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার (২৯ জুন) সন্ধ্যায় ওই স্কুলছাত্রী তার দুলাভাইয়ের বাড়িতে যাচ্ছিল। পথে বাট্টা (ভাটিপাড়া) এলাকায় পৌঁছালে ওত পেতে থাকা মতি মিয়া তার গতিরোধ করে। পরে জোরপূর্বক তাকে পাশের একটি পাটক্ষেতে নিয়ে ধর্ষণ করা হয়। এ ঘটনার পর মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টা ৫ মিনিটে ভুক্তভোগীর পরিবার কেন্দুয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দিলে তা মামলা হিসেবে রুজু করা হয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আনোয়ার হোসেন জানান, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।
ভুক্তভোগীর ডাক্তারি পরীক্ষার প্রক্রিয়া চলছে। কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ তরিকুল ইসলাম মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকেই আসামি পলাতক। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলায় অষ্টম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মতি মিয়া (৫৫) নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পরিবারের পক্ষ থেকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলাটি করা হয়। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত মতি মিয়া পলাতক রয়েছে। আসামি মতি মিয়া উপজেলার চিরাং ইউনিয়নের বাট্টা ভাটিপাড়া গ্রামের মৃত মন্নাফ হোসেনের ছেলে।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার (২৯ জুন) সন্ধ্যায় ওই স্কুলছাত্রী তার দুলাভাইয়ের বাড়িতে যাচ্ছিল। পথে বাট্টা (ভাটিপাড়া) এলাকায় পৌঁছালে ওত পেতে থাকা মতি মিয়া তার গতিরোধ করে। পরে জোরপূর্বক তাকে পাশের একটি পাটক্ষেতে নিয়ে ধর্ষণ করা হয়। এ ঘটনার পর মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টা ৫ মিনিটে ভুক্তভোগীর পরিবার কেন্দুয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দিলে তা মামলা হিসেবে রুজু করা হয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আনোয়ার হোসেন জানান, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।
ভুক্তভোগীর ডাক্তারি পরীক্ষার প্রক্রিয়া চলছে। কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ তরিকুল ইসলাম মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকেই আসামি পলাতক। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।