কুবি প্রতিনিধি:
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে গবেষণা খাতে কোনো বরাদ্দ না থাকায় তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, কুবি শাখা। একই সঙ্গে অবিলম্বে গবেষণা খাতে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। সোমবার (২৯ জুন) অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৮৬ কোটি ২৯ লাখ ৯৫ হাজার টাকার বাজেট অনুমোদন করা হয়। তবে এ বাজেটে গবেষণা খাতের জন্য কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি।
এর প্রতিবাদে সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটির পক্ষ থেকে এ দাবি জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, কুবি শাখার সংগঠক মারুফ শেখ বলেন, "গবেষণা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খাত। বিশ্ববিদ্যালয় হলো জ্ঞান সৃষ্টি ও গবেষণার কেন্দ্র।
একজন শিক্ষার্থীর একাডেমিক শিক্ষা তখনই পরিপূর্ণতা পায়, যখন সে গবেষণার সুযোগ পায়। অথচ এত গুরুত্বপূর্ণ একটি খাতে কোনো বরাদ্দ না দেওয়া অত্যন্ত হতাশাজনক।" তিনি আরও বলেন, "বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগগুলোতে পর্যাপ্ত ল্যাব ও গবেষণাগারের অভাব রয়েছে। সেমিনারগুলোতেও বইয়ের সংকট রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতেও গবেষণা খাতকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করা হয়েছে।
বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ক্রমেই শিক্ষার পরিবর্তে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হচ্ছে, ফলে শিক্ষার্থীদের ন্যূনতম চাহিদাও পূরণ করা যাচ্ছে না।" গবেষণা খাতে বরাদ্দ না দেওয়ার বিষয়ে প্রশাসনের ইউজিসির মাধ্যমে গবেষণা পরিচালনার যুক্তির সমালোচনা করে তিনি বলেন, "ইউজিসির মাধ্যমে গবেষণায় সংযুক্তির বিষয়টি শিক্ষার্থীদের নিজস্ব গবেষণা কার্যক্রমের জন্য যথেষ্ট নয়।
এটি গবেষণা খাতে বরাদ্দ না দেওয়ার যৌক্তিক কারণ হতে পারে না।" সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে অবিলম্বে গবেষণা খাতে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ নিশ্চিত করা, বিভাগগুলোতে কার্যকর ল্যাব ও গবেষণাগার চালু রাখা এবং পর্যাপ্ত গবেষণা সরঞ্জাম সরবরাহের দাবি জানিয়েছে তাঁরা।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে গবেষণা খাতে কোনো বরাদ্দ না থাকায় তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, কুবি শাখা। একই সঙ্গে অবিলম্বে গবেষণা খাতে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। সোমবার (২৯ জুন) অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৮৬ কোটি ২৯ লাখ ৯৫ হাজার টাকার বাজেট অনুমোদন করা হয়। তবে এ বাজেটে গবেষণা খাতের জন্য কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি।
এর প্রতিবাদে সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটির পক্ষ থেকে এ দাবি জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, কুবি শাখার সংগঠক মারুফ শেখ বলেন, "গবেষণা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খাত। বিশ্ববিদ্যালয় হলো জ্ঞান সৃষ্টি ও গবেষণার কেন্দ্র।
একজন শিক্ষার্থীর একাডেমিক শিক্ষা তখনই পরিপূর্ণতা পায়, যখন সে গবেষণার সুযোগ পায়। অথচ এত গুরুত্বপূর্ণ একটি খাতে কোনো বরাদ্দ না দেওয়া অত্যন্ত হতাশাজনক।" তিনি আরও বলেন, "বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগগুলোতে পর্যাপ্ত ল্যাব ও গবেষণাগারের অভাব রয়েছে। সেমিনারগুলোতেও বইয়ের সংকট রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতেও গবেষণা খাতকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করা হয়েছে।
বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ক্রমেই শিক্ষার পরিবর্তে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হচ্ছে, ফলে শিক্ষার্থীদের ন্যূনতম চাহিদাও পূরণ করা যাচ্ছে না।" গবেষণা খাতে বরাদ্দ না দেওয়ার বিষয়ে প্রশাসনের ইউজিসির মাধ্যমে গবেষণা পরিচালনার যুক্তির সমালোচনা করে তিনি বলেন, "ইউজিসির মাধ্যমে গবেষণায় সংযুক্তির বিষয়টি শিক্ষার্থীদের নিজস্ব গবেষণা কার্যক্রমের জন্য যথেষ্ট নয়।
এটি গবেষণা খাতে বরাদ্দ না দেওয়ার যৌক্তিক কারণ হতে পারে না।" সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে অবিলম্বে গবেষণা খাতে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ নিশ্চিত করা, বিভাগগুলোতে কার্যকর ল্যাব ও গবেষণাগার চালু রাখা এবং পর্যাপ্ত গবেষণা সরঞ্জাম সরবরাহের দাবি জানিয়েছে তাঁরা।