স্টাফ রিপোর্টারঃ
নেত্রকোনার বারহাট্টায় পুলিশের বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযানে এক গ্রাম হেরোইনসহ মো. সবুজ আলম (২৯) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৩০ জুন) তাকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দায়ের করা মামলায় নেত্রকোনা জেলা আদালতে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া সবুজ আলম বারহাট্টা উপজেলার চিরাম ইউনিয়নের চাট্টা গ্রামের মৃত আরশাদ আলীর ছেলে।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার (২৯ জুন) রাতে উপজেলার আসমা বাজার সংলগ্ন আসমা ব্রিজের দক্ষিণ পাশে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় মোটরসাইকেলযোগে আসা সবুজ আলমকে আটক করে তল্লাশি চালিয়ে তার কাছ থেকে আনুমানিক ১০ হাজার টাকা মূল্যের এক গ্রাম হেরোইন জব্দ করা হয়।
পুলিশের দাবি, গোপালপুর বাজার এলাকার চিহ্নিত মাদক কারবারি ললিতার কাছ থেকে হেরোইন সংগ্রহ করে সবুজ আলম আসমা বাজারের দিকে যাচ্ছিলেন। এ তথ্যের ভিত্তিতেই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
বারহাট্টা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) চম্পক দাম জানান, গ্রেপ্তার হওয়া সবুজ আলমের বিরুদ্ধে এর আগে তিনটি এবং অভিযুক্ত ললিতার বিরুদ্ধে নয়টি মাদক মামলা বিচারাধীন রয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং পলাতক মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
নেত্রকোনার বারহাট্টায় পুলিশের বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযানে এক গ্রাম হেরোইনসহ মো. সবুজ আলম (২৯) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৩০ জুন) তাকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দায়ের করা মামলায় নেত্রকোনা জেলা আদালতে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া সবুজ আলম বারহাট্টা উপজেলার চিরাম ইউনিয়নের চাট্টা গ্রামের মৃত আরশাদ আলীর ছেলে।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার (২৯ জুন) রাতে উপজেলার আসমা বাজার সংলগ্ন আসমা ব্রিজের দক্ষিণ পাশে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় মোটরসাইকেলযোগে আসা সবুজ আলমকে আটক করে তল্লাশি চালিয়ে তার কাছ থেকে আনুমানিক ১০ হাজার টাকা মূল্যের এক গ্রাম হেরোইন জব্দ করা হয়।
পুলিশের দাবি, গোপালপুর বাজার এলাকার চিহ্নিত মাদক কারবারি ললিতার কাছ থেকে হেরোইন সংগ্রহ করে সবুজ আলম আসমা বাজারের দিকে যাচ্ছিলেন। এ তথ্যের ভিত্তিতেই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
বারহাট্টা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) চম্পক দাম জানান, গ্রেপ্তার হওয়া সবুজ আলমের বিরুদ্ধে এর আগে তিনটি এবং অভিযুক্ত ললিতার বিরুদ্ধে নয়টি মাদক মামলা বিচারাধীন রয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং পলাতক মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।