স্টাফ রিপোর্টারঃ
৪৭তম বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফলে কৃষি ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন নেত্রকোনার কৃতি শিক্ষার্থী আশফিকুর রহমান ভুঞা। বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) প্রকাশিত ফলাফলে তিনি কৃষি ক্যাডারে মেধাতালিকায় ৮ম স্থান অর্জন করে সহকারী পরিচালক/উপজেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা পদে সুপারিশ পেয়েছেন।
রোববার (২৮ জুন) প্রকাশিত ফলাফলে বিভিন্ন ক্যাডারে ১ হাজার ৩২০ জন এবং নন-ক্যাডার পদে ২০১ জনসহ মোট ১ হাজার ৫২১ জনকে সাময়িকভাবে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়। এর মধ্যে কৃষি ক্যাডারে শীর্ষস্থানীয়দের একজন হিসেবে স্থান করে নেন আশফিক। আশফিকুর রহমান ভুঞা নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার রাজনগর গ্রামের এক শিক্ষক পরিবারের সন্তান। তাঁর শিক্ষাজীবনের শুরু দক্ষিণ রাজনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। পরে তিনি শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠ থেকে ট্যালেন্টপুলে জুনিয়র বৃত্তি অর্জন করেন। এরপর বাজিতপুর আফতাব উদ্দিন স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ২০১৫ সালে জিপিএ-৫ নিয়ে এসএসসি এবং ঢাকা সিটি কলেজ থেকে ২০১৭ সালে জিপিএ-৫ পেয়ে এইচএসসি পাস করেন।
পরবর্তীতে তিনি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অর্থনীতি বিভাগে ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হন। সেখান থেকে অনার্স ও মাস্টার্স—উভয় পর্যায়েই প্রথম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হন। বিসিএসে সাফল্যের আগে আশফিক বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে জুনিয়র অফিসার হিসেবে যোগ দেন। পরে বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসিতে (বিডিবিএল) সিনিয়র অফিসার পদে কর্মরত ছিলেন। নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে আশফিক বলেন, “আল্লাহর রহমত, বাবা-মা, আত্মীয়-স্বজনের দোয়া এবং শিক্ষকদের দিকনির্দেশনা ছাড়া এ অর্জন সম্ভব হতো না। নিয়মিত পড়াশোনা, ধৈর্য ও নিজের ওপর আস্থা রাখাই আমাকে এই সাফল্য এনে দিয়েছে।
যারা বিসিএসের প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তারা পরিকল্পনা অনুযায়ী ধারাবাহিকভাবে পড়াশোনা চালিয়ে যান। হতাশ না হয়ে চেষ্টা করলে সাফল্য আসবেই, ইনশাআল্লাহ। আশফিকের এ অর্জনে তাঁর পরিবার, সহপাঠী, শিক্ষক এবং বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দের আবহ সৃষ্টি হয়েছে। তাঁর উজ্জ্বল কর্মজীবন ও ভবিষ্যৎ সাফল্য কামনা করেছেন শুভাকাঙ্ক্ষীরা।
৪৭তম বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফলে কৃষি ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন নেত্রকোনার কৃতি শিক্ষার্থী আশফিকুর রহমান ভুঞা। বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) প্রকাশিত ফলাফলে তিনি কৃষি ক্যাডারে মেধাতালিকায় ৮ম স্থান অর্জন করে সহকারী পরিচালক/উপজেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা পদে সুপারিশ পেয়েছেন।
রোববার (২৮ জুন) প্রকাশিত ফলাফলে বিভিন্ন ক্যাডারে ১ হাজার ৩২০ জন এবং নন-ক্যাডার পদে ২০১ জনসহ মোট ১ হাজার ৫২১ জনকে সাময়িকভাবে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়। এর মধ্যে কৃষি ক্যাডারে শীর্ষস্থানীয়দের একজন হিসেবে স্থান করে নেন আশফিক। আশফিকুর রহমান ভুঞা নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার রাজনগর গ্রামের এক শিক্ষক পরিবারের সন্তান। তাঁর শিক্ষাজীবনের শুরু দক্ষিণ রাজনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। পরে তিনি শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠ থেকে ট্যালেন্টপুলে জুনিয়র বৃত্তি অর্জন করেন। এরপর বাজিতপুর আফতাব উদ্দিন স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ২০১৫ সালে জিপিএ-৫ নিয়ে এসএসসি এবং ঢাকা সিটি কলেজ থেকে ২০১৭ সালে জিপিএ-৫ পেয়ে এইচএসসি পাস করেন।
পরবর্তীতে তিনি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অর্থনীতি বিভাগে ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হন। সেখান থেকে অনার্স ও মাস্টার্স—উভয় পর্যায়েই প্রথম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হন। বিসিএসে সাফল্যের আগে আশফিক বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে জুনিয়র অফিসার হিসেবে যোগ দেন। পরে বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসিতে (বিডিবিএল) সিনিয়র অফিসার পদে কর্মরত ছিলেন। নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে আশফিক বলেন, “আল্লাহর রহমত, বাবা-মা, আত্মীয়-স্বজনের দোয়া এবং শিক্ষকদের দিকনির্দেশনা ছাড়া এ অর্জন সম্ভব হতো না। নিয়মিত পড়াশোনা, ধৈর্য ও নিজের ওপর আস্থা রাখাই আমাকে এই সাফল্য এনে দিয়েছে।
যারা বিসিএসের প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তারা পরিকল্পনা অনুযায়ী ধারাবাহিকভাবে পড়াশোনা চালিয়ে যান। হতাশ না হয়ে চেষ্টা করলে সাফল্য আসবেই, ইনশাআল্লাহ। আশফিকের এ অর্জনে তাঁর পরিবার, সহপাঠী, শিক্ষক এবং বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দের আবহ সৃষ্টি হয়েছে। তাঁর উজ্জ্বল কর্মজীবন ও ভবিষ্যৎ সাফল্য কামনা করেছেন শুভাকাঙ্ক্ষীরা।