নিজস্ব প্রতিবেদক
মাদকের ব্যবসায়ী এবং মাদক পাচারকারীদেরকে সামাজিকভাবে বয়কট করা এখন আমাদের ঈমানের দায়িত্ব হয়ে দাঁড়িয়েছে, বর্তমানে সমাজের প্রভাবশালী লোক থেকে শুরু করে সমাজের বিশেষ ব্যক্তি এবং প্রশাসনিক লোকজন মাদকের সাথে জড়িত রয়েছে, আমরা যদি সমাজ থেকে মাদক নির্মূল করতে পারি তাহলে সমাজের অপরাধ জিরো পার্সেন্ট নেমে আসবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্র শিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি ডা: ফখরুদ্দিন মানিক।
শেরেবাংলা নগর থানা উত্তর এর সেক্রেটারি মন্জুরুল ইসলাম এর উপস্থাপনায় এবং মহানগরী মজলিশে শুরা সদস্য ও থানা আমীর, ২৮নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মু. আব্দুল আউয়াল আজমের সভাপতিত্বে আজ রোববার (২৮ জুন) সন্ধায় আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস উপলক্ষে রাজধানীর আগারগাঁও এলাকার নির্বাচন ভবনের সামনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি ঢাকা মহানগর উত্তরের চারদিনব্যাপী মাদকবিরোধী গণসচেতনতামূলক কর্মসূচির দ্বিতীয় দিনের অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা: ফখরুদ্দিন মানিক আরো বলেন, মাদকাসক্তদের ঘৃণা করার মধ্য দিয়ে তাদেরকে ধ্বংসে নিমজ্জিত করবেন না, বরং তাদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। একজন মাদকাসক্তকে সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে আনতে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের পাশাপাশি আমাদেরকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। উক্ত মাদকবিরোধী গণসচেতনতামূলক অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্র শিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মু. জাহিদুর ইসলাম বলেন, বর্তমানে মাদক হলো সমাজের জন্য একটি মারাত্মক ব্যাধি, সমাজে মাদকাসক্তির বিস্তারের পেছনে ব্যক্তি, পরিবার ও রাষ্ট্রের কিছু না কিছু ব্যর্থতা রয়েছে। তাই একটি দায়িত্বশীল সমাজ প্রতিষ্ঠায় ঘৃণা নয়, প্রয়োজন স্নেহ, সচেতনতা ও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া, সমাজ থেকে এই ব্যাধি নির্মূলে আমাদের সকলকে একসাথে কাজ করতে হবে।
মাদকবিরোধী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা মহানগরী উত্তরের যুব বিভাগের সহ: সভাপতি খান হাবিব মোস্তফা, শেরেবাংলা নগর থানা উত্তরের নায়েবে আমীর শাহ আজিজুর রহমান তরুণ, মহানগরী যুব বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক ইসমাইল হোসেন পাটোয়ারী, শেরেবাংলা নগর উত্তর থানা অফিস সম্পাদক এডভোকেট তৌহিদুর রহমান, থানা কর্মপরিষদ সদস্য ও ২৮ উত্তর ওরার্ডের সভাপতি হাফেজ মুহাম্মদ শাহজাহান, থানা কর্মপরিষদ সদস্য ইফতেখার খান সুজন সহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের দায়িত্বশীলবৃন্দ।
মাদকের ব্যবসায়ী এবং মাদক পাচারকারীদেরকে সামাজিকভাবে বয়কট করা এখন আমাদের ঈমানের দায়িত্ব হয়ে দাঁড়িয়েছে, বর্তমানে সমাজের প্রভাবশালী লোক থেকে শুরু করে সমাজের বিশেষ ব্যক্তি এবং প্রশাসনিক লোকজন মাদকের সাথে জড়িত রয়েছে, আমরা যদি সমাজ থেকে মাদক নির্মূল করতে পারি তাহলে সমাজের অপরাধ জিরো পার্সেন্ট নেমে আসবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্র শিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি ডা: ফখরুদ্দিন মানিক।
শেরেবাংলা নগর থানা উত্তর এর সেক্রেটারি মন্জুরুল ইসলাম এর উপস্থাপনায় এবং মহানগরী মজলিশে শুরা সদস্য ও থানা আমীর, ২৮নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মু. আব্দুল আউয়াল আজমের সভাপতিত্বে আজ রোববার (২৮ জুন) সন্ধায় আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস উপলক্ষে রাজধানীর আগারগাঁও এলাকার নির্বাচন ভবনের সামনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি ঢাকা মহানগর উত্তরের চারদিনব্যাপী মাদকবিরোধী গণসচেতনতামূলক কর্মসূচির দ্বিতীয় দিনের অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা: ফখরুদ্দিন মানিক আরো বলেন, মাদকাসক্তদের ঘৃণা করার মধ্য দিয়ে তাদেরকে ধ্বংসে নিমজ্জিত করবেন না, বরং তাদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। একজন মাদকাসক্তকে সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে আনতে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের পাশাপাশি আমাদেরকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। উক্ত মাদকবিরোধী গণসচেতনতামূলক অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্র শিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মু. জাহিদুর ইসলাম বলেন, বর্তমানে মাদক হলো সমাজের জন্য একটি মারাত্মক ব্যাধি, সমাজে মাদকাসক্তির বিস্তারের পেছনে ব্যক্তি, পরিবার ও রাষ্ট্রের কিছু না কিছু ব্যর্থতা রয়েছে। তাই একটি দায়িত্বশীল সমাজ প্রতিষ্ঠায় ঘৃণা নয়, প্রয়োজন স্নেহ, সচেতনতা ও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া, সমাজ থেকে এই ব্যাধি নির্মূলে আমাদের সকলকে একসাথে কাজ করতে হবে।
মাদকবিরোধী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা মহানগরী উত্তরের যুব বিভাগের সহ: সভাপতি খান হাবিব মোস্তফা, শেরেবাংলা নগর থানা উত্তরের নায়েবে আমীর শাহ আজিজুর রহমান তরুণ, মহানগরী যুব বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক ইসমাইল হোসেন পাটোয়ারী, শেরেবাংলা নগর উত্তর থানা অফিস সম্পাদক এডভোকেট তৌহিদুর রহমান, থানা কর্মপরিষদ সদস্য ও ২৮ উত্তর ওরার্ডের সভাপতি হাফেজ মুহাম্মদ শাহজাহান, থানা কর্মপরিষদ সদস্য ইফতেখার খান সুজন সহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের দায়িত্বশীলবৃন্দ।