এক হতদরিদ্র এমদাদুল আকুতি কেউ শুনেছেন না।

আপলোড সময় : ২৮-০৬-২০২৬ ১১:৫৪:৫৫ পূর্বাহ্ন , আপডেট সময় : ২৮-০৬-২০২৬ ১১:৫৭:৩১ পূর্বাহ্ন
রানা ইসলাম বদরগঞ্জ রংপুর


রংপুরে বদরগঞ্জে পৌরশহরে ছকিমুদ্দীন ডাঙ্গা,গ্রামে এক অসহায় দিনমজুর এমদাদুলের একরাশ,দু:খ অভিযোগ নিয়ে বিভিন্ন ব্যাক্তি, প্রশাসন দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। কিন্তুু কেউ তার কথা শোনেননা।শোনার চেষ্টা করেননি।


এমদাদুল অভিযোগ করে বলেন,কয়েক বছর আগে ২ শতক পৈতৃক বাস্ত ভিটা জমি শফিকুল ইসলাম নামে এক ব্যাক্তির কাছে দর দাম করে বিক্রি করে দেন। জমির দাম ঠিক ঠিক হয় ১লক্ষ টাকা। পরবর্তীতে এমদাদুল দিন খুব কষ্টে চলতে থাকে।তখন এমদাদুল শফিকুলকে বলে আমাকে ঐ এক লক্ষ টাকার মধ্যে কিছু টাকা দিয়ে একটি ছোট পানের দোকান করে দেন।তখন শফিকুল ৩০ হাজার টাকা দিয়ে একটি দোকান ঘর নিয়ে দেন।বাকি ৭০ হাজার টাকা শফিকুল কাছে জমা থাকে। কিছু দিনপর এমদাদুল ব্যাবসায় লোকসান খাওয়ার পর তার জীবন যাপন থমকে যায়।


এরপর এমদাদুল শফিকুল কাছে বাকি ৭০ হাজার টাকা চান।কিন্তু শফিকুল তা দিতে অস্বীকার করে। বিষয় টি নিয়ে এমদাদুল বদরগঞ্জ থানায় দফায় দফায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন শফিকুল বিরুদ্ধে বাকি টাকা ফেরত জন্য। এছাড়াও স্হানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তিসহ সবার কাছে বিষয়টি জানান কিন্তু কোথায়,কোন সাড়া না পেড়ে হতদরিদ্র এমদাদুল বিধ্বস্ত মানসিকতা নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন এখানে ওখানে। ছকিমুদ্দীন ডাঙ্গা গ্রামের কয়েকজন বাসিন্দা জানান,এমদাদুল একজন গরীব মানুষ। তার কথা যদি সত্যি হয় তাহলে তার পাওনা টাকা ফেরত দেওয়া উচিত। এবিষয়ে শফিকুল ইসলাম বলেন,আমি টাকা নিয়েছি সে কোন প্রমান দেখাতে পারবে না।তার বাস্ত ভিটা বিক্রি অভিযোগ অসত্য।


বদরগঞ্জ থানার এএসআই আশরাফুল ইসলাম জানান,এমদাদুল যে বিষয়ে অভিযোগ দায়ের করেছেন তার কোন প্রমান দেখাতে পারেনি। তাকে প্রমান নিয়ে আসতে বলা,হয়েছে। ২৭/৬/২৬

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স দশম তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]