রাজিবুল হোসেন তানিম | খুকৃবি প্রতিনিধি
খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (খুকৃবি) রাজশাহী ডিভিশনাল ফ্যামিলি (RDF)-এর উদ্যোগে প্রথমবারের মতো জাঁকজমকপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘ফুড ফেস্টিভ্যাল সিজন–১’। ফলভিত্তিক এ উৎসব শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনার সৃষ্টি করে। বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মাধ্যমে উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা মণ্ডলী, সভাপতি মুসাফির ইমরান, সাধারণ সম্পাদক আকিবুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ সাদমানুর রহমান রকিসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও রাজশাহী বিভাগের সদস্যরা। উৎসবে আরডিএফের বিভিন্ন ব্যাচের উদ্যোগে তিনটি স্টল স্থাপন করা হয়। স্টলগুলোতে রাজশাহী অঞ্চলের খ্যাতনামা আমসহ বিভিন্ন জাতের মৌসুমি ফল আকর্ষণীয়ভাবে প্রদর্শন করা হয়। ফলের বৈচিত্র্য ও মনোরম উপস্থাপনা দর্শনার্থীদের দৃষ্টি কেড়ে নেয়।
আয়োজকদের মতে, শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস সম্পর্কে সচেতনতা তৈরিই ছিল এ আয়োজনের প্রধান উদ্দেশ্য। বিশেষ করে ফাস্টফুড ও জাঙ্ক ফুডের পরিবর্তে পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ ফলমূল গ্রহণে উৎসাহিত করাই ছিল উৎসবের অন্যতম বার্তা। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ উৎসবকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে। অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদানকালে আরডিএফের সভাপতি মুসাফির ইমরান বলেন, “শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা হিসেবে এই আয়োজন আমাদের জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। সবার আন্তরিক অংশগ্রহণ ও সহযোগিতায় উৎসবটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের জন্য এমন সৃজনশীল ও আনন্দঘন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”
সাধারণ সম্পাদক আকিবুর রহমান বলেন, “স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ফলমূলের গুরুত্ব অপরিসীম। আমরা চাই শিক্ষার্থীরা নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার গ্রহণে অভ্যস্ত হোক এবং সুস্থ জীবনযাপনের প্রতি আরও সচেতন হয়ে উঠুক।” কোষাধ্যক্ষ সাদমানুর রহমান রকি বলেন, “রাজশাহী অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী ফলের পরিচিতি তুলে ধরার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন দৃঢ় করাই ছিল এই উৎসবের মূল লক্ষ্য। আমরা আশা করি ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে এমন আয়োজন করতে পারব।”
দিনব্যাপী এ আয়োজনের শেষ পর্যায়ে বিচারকদের মূল্যায়নে সৃজনশীলতা, উপস্থাপনা ও সামগ্রিক পরিবেশনার ভিত্তিতে ৭ম ব্যাচের স্টলকে ‘সেরা স্টল’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়। পুরস্কার বিতরণের মাধ্যমে উৎসবের সফল সমাপ্তি
খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (খুকৃবি) রাজশাহী ডিভিশনাল ফ্যামিলি (RDF)-এর উদ্যোগে প্রথমবারের মতো জাঁকজমকপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘ফুড ফেস্টিভ্যাল সিজন–১’। ফলভিত্তিক এ উৎসব শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনার সৃষ্টি করে। বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মাধ্যমে উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা মণ্ডলী, সভাপতি মুসাফির ইমরান, সাধারণ সম্পাদক আকিবুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ সাদমানুর রহমান রকিসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও রাজশাহী বিভাগের সদস্যরা। উৎসবে আরডিএফের বিভিন্ন ব্যাচের উদ্যোগে তিনটি স্টল স্থাপন করা হয়। স্টলগুলোতে রাজশাহী অঞ্চলের খ্যাতনামা আমসহ বিভিন্ন জাতের মৌসুমি ফল আকর্ষণীয়ভাবে প্রদর্শন করা হয়। ফলের বৈচিত্র্য ও মনোরম উপস্থাপনা দর্শনার্থীদের দৃষ্টি কেড়ে নেয়।
আয়োজকদের মতে, শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস সম্পর্কে সচেতনতা তৈরিই ছিল এ আয়োজনের প্রধান উদ্দেশ্য। বিশেষ করে ফাস্টফুড ও জাঙ্ক ফুডের পরিবর্তে পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ ফলমূল গ্রহণে উৎসাহিত করাই ছিল উৎসবের অন্যতম বার্তা। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ উৎসবকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে। অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদানকালে আরডিএফের সভাপতি মুসাফির ইমরান বলেন, “শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা হিসেবে এই আয়োজন আমাদের জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। সবার আন্তরিক অংশগ্রহণ ও সহযোগিতায় উৎসবটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের জন্য এমন সৃজনশীল ও আনন্দঘন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”
সাধারণ সম্পাদক আকিবুর রহমান বলেন, “স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ফলমূলের গুরুত্ব অপরিসীম। আমরা চাই শিক্ষার্থীরা নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার গ্রহণে অভ্যস্ত হোক এবং সুস্থ জীবনযাপনের প্রতি আরও সচেতন হয়ে উঠুক।” কোষাধ্যক্ষ সাদমানুর রহমান রকি বলেন, “রাজশাহী অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী ফলের পরিচিতি তুলে ধরার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন দৃঢ় করাই ছিল এই উৎসবের মূল লক্ষ্য। আমরা আশা করি ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে এমন আয়োজন করতে পারব।”
দিনব্যাপী এ আয়োজনের শেষ পর্যায়ে বিচারকদের মূল্যায়নে সৃজনশীলতা, উপস্থাপনা ও সামগ্রিক পরিবেশনার ভিত্তিতে ৭ম ব্যাচের স্টলকে ‘সেরা স্টল’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়। পুরস্কার বিতরণের মাধ্যমে উৎসবের সফল সমাপ্তি