স্টাফ রিপোর্টারঃ
নেত্রকোণার মোহনগঞ্জ উপজেলায় জুয়ার আসরে অভিযান চালিয়ে সাত জুয়াড়িকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় জুয়া খেলার বিভিন্ন সরঞ্জামও জব্দ করা হয়। বুধবার (১৮ জুন) রাতে উপজেলার মানশ্রী গ্রামে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে মোহনগঞ্জ থানা পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে মানশ্রী গ্রামের একটি নির্দিষ্ট স্থানে জুয়ার আসর বসার অভিযোগ ছিল। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করলে ঘটনাস্থল থেকে জুয়া খেলার সময় সাতজনকে হাতেনাতে আটক করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- মো. রুকন (৪২), আলী হোসেন (৩২), মো. রবি মিয়া (৩০), মো. আলামিন মিয়া (৩০), মো. টিটন মিয়া (৪০), মির্জা আলামিন (৩৯) ও মো. খোকন মিয়া (৩৫)। তাদের মধ্যে প্রথম ছয়জন মানশ্রী গ্রামের বাসিন্দা এবং খোকন মিয়ার বাড়ি ছোট বেথাম গ্রামে।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে প্রচলিত জুয়া আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুল ইসলাম হারুন বলেন, জুয়া, মাদক ও অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড দমনে পুলিশের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান চলবে।
নেত্রকোণার মোহনগঞ্জ উপজেলায় জুয়ার আসরে অভিযান চালিয়ে সাত জুয়াড়িকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় জুয়া খেলার বিভিন্ন সরঞ্জামও জব্দ করা হয়। বুধবার (১৮ জুন) রাতে উপজেলার মানশ্রী গ্রামে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে মোহনগঞ্জ থানা পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে মানশ্রী গ্রামের একটি নির্দিষ্ট স্থানে জুয়ার আসর বসার অভিযোগ ছিল। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করলে ঘটনাস্থল থেকে জুয়া খেলার সময় সাতজনকে হাতেনাতে আটক করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- মো. রুকন (৪২), আলী হোসেন (৩২), মো. রবি মিয়া (৩০), মো. আলামিন মিয়া (৩০), মো. টিটন মিয়া (৪০), মির্জা আলামিন (৩৯) ও মো. খোকন মিয়া (৩৫)। তাদের মধ্যে প্রথম ছয়জন মানশ্রী গ্রামের বাসিন্দা এবং খোকন মিয়ার বাড়ি ছোট বেথাম গ্রামে।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে প্রচলিত জুয়া আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুল ইসলাম হারুন বলেন, জুয়া, মাদক ও অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড দমনে পুলিশের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান চলবে।