হেলাল উদ্দীন (মিঞাজী)নাইক্ষ্যংছড়ি(বান্দরবান)সংবাদদাতাঃ
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা ছাত্র দলের সহ সভাপতি ছৈয়দুল আমিনকে মিথ্যা মামলায় জড়ানোর কারণে সংবাদ সম্মেলন করেছে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা ছাত্র দলের একাংশ। এই সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা ছাত্র দলের যুগ্ম আহবায়ক মিজানুর রহমান। লিখিত বক্তব্য বলা হয়,গত ১০ জুন ২৬ইং রাতে ১২ ঘটিকার সময়ে চাকঢালা ৪নং ওয়ার্ডের চোরাকারবারি এবং প্রশাসনের সোর্স হিসাবে পরিচিত চাকঢালা ছৈয়দ নুরের ছেলে মোহাম্মদ ইসমাইল এর মাঝে ঝগড়া বাঁধে, এবং চোরাকারবারি মাল ধরিয়ে দেওয়ার কারনে তাকে চোরাকারবারিরা মিলে সৈয়দুর আমিনের বাসা থেকে ৩/৪ কিলোমিটার দুরে তাকে মারধর করেছে বলে স্থানীয়দের মাধ্যমে জানতে পারি,চোরাকারবারি এবং প্রশাসনের সোর্স সবাই ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ,যুবলীগ এবং ছাত্রলীগের ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড়ের নেতা ছিলেন, মোহাম্মদ ইসমাইল ১৫ জুন ২৬ইং নাইক্ষ্যংছড়ি থানার উপস্থিত হয়ে অফিসার ইনচার্জ (ওসিকে) হাত করে একটি এজাহার দায়ের করেন, যেখানে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক সৈয়দুর আমিনকে ৩নং আসামী করা হয়েছ।
যিনি বিগত ১৭ বছরে আওয়ামী লীগের অসংখ্য মিথ্যা মামলা আসামি ছিলেন, সংবাদ সম্মেলন আরো উল্লেখ করেন, মোহাম্মদ ইসমাইলের সাথে সৈয়দুল আমিনের পূর্বে জায়গার বিরুদ্ধে ছিল, এমন কি জায়গা নিয়ে মামলা চলমান আছে, এই সব শত্রুতার জের ধরে থাকে উক্ত মামলার আসামি করা হয়,যিনি কি না ঘটনার সময়ের আরো ২/৩ দিন আগে ঢাকার ফকিরাপুল হোটেল শাকিল ইন্টারন্যাশনাল ছিলেন এবং যে হোটেলে ছিলেন তার প্রমাণদিসহ রয়েছে,তাই এই মিথ্যা ও ভিত্তিহীন মামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
ছাত্রদল নেতা মিজান বলেন, এখনো কিভাবে কাদের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের ধূসরা প্রশাসনকে হাত করে ১৭বছর নির্যাতিত একজন ছাত্রদল নেতাকে মিথ্যা মামলার অন্তর্ভুক্ত করেছে, অতি শীঘ্রই এ মামলা থেকে দুঃসময়ের নেতা সৈয়দুর আমিনের নাম প্রত্যাহার করতে হবে, অন্যতাই নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা ছাত্রদল প্রশাসন ও আওয়ামী লীগের এই ধূসরদের বিরুদ্ধে আন্দোলনের ডাক দেওয়ার হবে বলে জানান।
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা ছাত্র দলের সহ সভাপতি ছৈয়দুল আমিনকে মিথ্যা মামলায় জড়ানোর কারণে সংবাদ সম্মেলন করেছে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা ছাত্র দলের একাংশ। এই সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা ছাত্র দলের যুগ্ম আহবায়ক মিজানুর রহমান। লিখিত বক্তব্য বলা হয়,গত ১০ জুন ২৬ইং রাতে ১২ ঘটিকার সময়ে চাকঢালা ৪নং ওয়ার্ডের চোরাকারবারি এবং প্রশাসনের সোর্স হিসাবে পরিচিত চাকঢালা ছৈয়দ নুরের ছেলে মোহাম্মদ ইসমাইল এর মাঝে ঝগড়া বাঁধে, এবং চোরাকারবারি মাল ধরিয়ে দেওয়ার কারনে তাকে চোরাকারবারিরা মিলে সৈয়দুর আমিনের বাসা থেকে ৩/৪ কিলোমিটার দুরে তাকে মারধর করেছে বলে স্থানীয়দের মাধ্যমে জানতে পারি,চোরাকারবারি এবং প্রশাসনের সোর্স সবাই ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ,যুবলীগ এবং ছাত্রলীগের ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড়ের নেতা ছিলেন, মোহাম্মদ ইসমাইল ১৫ জুন ২৬ইং নাইক্ষ্যংছড়ি থানার উপস্থিত হয়ে অফিসার ইনচার্জ (ওসিকে) হাত করে একটি এজাহার দায়ের করেন, যেখানে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক সৈয়দুর আমিনকে ৩নং আসামী করা হয়েছ।
যিনি বিগত ১৭ বছরে আওয়ামী লীগের অসংখ্য মিথ্যা মামলা আসামি ছিলেন, সংবাদ সম্মেলন আরো উল্লেখ করেন, মোহাম্মদ ইসমাইলের সাথে সৈয়দুল আমিনের পূর্বে জায়গার বিরুদ্ধে ছিল, এমন কি জায়গা নিয়ে মামলা চলমান আছে, এই সব শত্রুতার জের ধরে থাকে উক্ত মামলার আসামি করা হয়,যিনি কি না ঘটনার সময়ের আরো ২/৩ দিন আগে ঢাকার ফকিরাপুল হোটেল শাকিল ইন্টারন্যাশনাল ছিলেন এবং যে হোটেলে ছিলেন তার প্রমাণদিসহ রয়েছে,তাই এই মিথ্যা ও ভিত্তিহীন মামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
ছাত্রদল নেতা মিজান বলেন, এখনো কিভাবে কাদের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের ধূসরা প্রশাসনকে হাত করে ১৭বছর নির্যাতিত একজন ছাত্রদল নেতাকে মিথ্যা মামলার অন্তর্ভুক্ত করেছে, অতি শীঘ্রই এ মামলা থেকে দুঃসময়ের নেতা সৈয়দুর আমিনের নাম প্রত্যাহার করতে হবে, অন্যতাই নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা ছাত্রদল প্রশাসন ও আওয়ামী লীগের এই ধূসরদের বিরুদ্ধে আন্দোলনের ডাক দেওয়ার হবে বলে জানান।