মৃধা সুলতান, বিশেষ প্রতিনিধিঃ
কওমী ও হাফেজিয়া মাদ্রাসার উন্নয়নে সরকারের উল্লেখযোগ্য কোনো পদক্ষেপ চোখে পড়েনি : সেলিম উদ্দিন শিক্ষা খাতে বিপুল বাজেট বরাদ্দ থাকলেও কওমী ও হাফেজিয়া মাদ্রাসার উন্নয়নে সরকারের উল্লেখযোগ্য কোনো পদক্ষেপ নেই বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তরের আমীর এবং ডিএনসিসির মেয়র প্রার্থী মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন।
তিনি বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় এখনো চরম বৈষম্য বিদ্যমান। মঙ্গলবার (১৬ জুন) রাতে রাজধানীর উত্তরার একটি রেস্তোরাঁয় ‘হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা-২০২৬’ উপলক্ষে কওমী ও আলিয়া মাদ্রাসার গুণী উস্তাদ ও প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সেলিম উদ্দিন জানান, তরুণদের মধ্যে নৈতিক শিক্ষা, কুরআনের চর্চা এবং মূল্যবোধ জাগ্রত করার লক্ষ্যে এই আয়োজন করা হয়েছে। তিনি বলেন, ঢাকাকে মসজিদের নগরী বলা হয়।
এই নগরের উন্নয়নে আলেম-ওলামা ও হাফেজদের সম্পৃক্ততা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আরও বলেন, ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠায় আলেম সমাজ অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। তাদের অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে ইসলামী শিক্ষা ও নৈতিক মূল্যবোধ সমাজে প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে রাষ্ট্রীয়ভাবে তাদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হয় না। হাফেজদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষা খাতের বৈষম্যের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, কওমী ও হাফেজিয়া মাদ্রাসায় বিপুল সংখ্যক এতিম ও সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে।
অথচ তাদের উন্নয়নে পর্যাপ্ত রাষ্ট্রীয় বাজেট ও কার্যকর পরিকল্পনা নেই। তিনি সরকারের প্রতি কওমী ও হাফেজিয়া মাদ্রাসার উন্নয়নে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান। এ সময় তিনি সীমান্তে চলমান পুশইন ইস্যুতে সরকারের কার্যকর পদক্ষেপ না থাকার সমালোচনা করেন। পাশাপাশি জাতীয় সংসদে পর্দা (হিজাব) নিয়ে কটাক্ষের ঘটনার নিন্দা জানান। সেলিম উদ্দিন বলেন, জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমে দেশে সুবিচার প্রতিষ্ঠা এবং জুলাই সনদের বাস্তবায়ন করতে হবে। একই সঙ্গে রাষ্ট্র পরিচালনায় সরকারকে আরও দক্ষতা ও যোগ্যতার পরিচয় দিতে হবে। সেলিম উদ্দিন আরও জানান, ‘হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা-২০২৬’-এ ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এলাকাধীন অন্তত এক লাখ শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করবে। হাফেজ ও ওলামায়ে কেরামের সঙ্গে মতবিনিময়ের মাধ্যমে সমাজ ও নগর উন্নয়নে আরও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। তিনি বলেন, এই প্রতিযোগিতায় ওমরাহ হজসহ মোট ৪৫ লাখ টাকার পুরস্কার রাখা হয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের কুরআন শিক্ষায় আরও উৎসাহিত করবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রীয় নির্বাহি পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াতের সেক্রেটারি মুহাম্মদ রেজাউল করিম ও হুফফাজুল কুরআন ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের শীর্ষ কর্মকর্তা শাইখ হাফেজ আব্দুল হক্বসহ আলেম সমাজের সকল স্তরের প্রতিনিধিরা। বার্তা প্রেরক- মো.আতাউর রহমান সরকার প্রচার-মিডিয়া সম্পাদক ঢাকা মহানগরী উত্তর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
কওমী ও হাফেজিয়া মাদ্রাসার উন্নয়নে সরকারের উল্লেখযোগ্য কোনো পদক্ষেপ চোখে পড়েনি : সেলিম উদ্দিন শিক্ষা খাতে বিপুল বাজেট বরাদ্দ থাকলেও কওমী ও হাফেজিয়া মাদ্রাসার উন্নয়নে সরকারের উল্লেখযোগ্য কোনো পদক্ষেপ নেই বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তরের আমীর এবং ডিএনসিসির মেয়র প্রার্থী মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন।
তিনি বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় এখনো চরম বৈষম্য বিদ্যমান। মঙ্গলবার (১৬ জুন) রাতে রাজধানীর উত্তরার একটি রেস্তোরাঁয় ‘হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা-২০২৬’ উপলক্ষে কওমী ও আলিয়া মাদ্রাসার গুণী উস্তাদ ও প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সেলিম উদ্দিন জানান, তরুণদের মধ্যে নৈতিক শিক্ষা, কুরআনের চর্চা এবং মূল্যবোধ জাগ্রত করার লক্ষ্যে এই আয়োজন করা হয়েছে। তিনি বলেন, ঢাকাকে মসজিদের নগরী বলা হয়।
এই নগরের উন্নয়নে আলেম-ওলামা ও হাফেজদের সম্পৃক্ততা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আরও বলেন, ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠায় আলেম সমাজ অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। তাদের অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে ইসলামী শিক্ষা ও নৈতিক মূল্যবোধ সমাজে প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে রাষ্ট্রীয়ভাবে তাদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হয় না। হাফেজদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষা খাতের বৈষম্যের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, কওমী ও হাফেজিয়া মাদ্রাসায় বিপুল সংখ্যক এতিম ও সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে।
অথচ তাদের উন্নয়নে পর্যাপ্ত রাষ্ট্রীয় বাজেট ও কার্যকর পরিকল্পনা নেই। তিনি সরকারের প্রতি কওমী ও হাফেজিয়া মাদ্রাসার উন্নয়নে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান। এ সময় তিনি সীমান্তে চলমান পুশইন ইস্যুতে সরকারের কার্যকর পদক্ষেপ না থাকার সমালোচনা করেন। পাশাপাশি জাতীয় সংসদে পর্দা (হিজাব) নিয়ে কটাক্ষের ঘটনার নিন্দা জানান। সেলিম উদ্দিন বলেন, জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমে দেশে সুবিচার প্রতিষ্ঠা এবং জুলাই সনদের বাস্তবায়ন করতে হবে। একই সঙ্গে রাষ্ট্র পরিচালনায় সরকারকে আরও দক্ষতা ও যোগ্যতার পরিচয় দিতে হবে। সেলিম উদ্দিন আরও জানান, ‘হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা-২০২৬’-এ ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এলাকাধীন অন্তত এক লাখ শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করবে। হাফেজ ও ওলামায়ে কেরামের সঙ্গে মতবিনিময়ের মাধ্যমে সমাজ ও নগর উন্নয়নে আরও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। তিনি বলেন, এই প্রতিযোগিতায় ওমরাহ হজসহ মোট ৪৫ লাখ টাকার পুরস্কার রাখা হয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের কুরআন শিক্ষায় আরও উৎসাহিত করবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রীয় নির্বাহি পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াতের সেক্রেটারি মুহাম্মদ রেজাউল করিম ও হুফফাজুল কুরআন ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের শীর্ষ কর্মকর্তা শাইখ হাফেজ আব্দুল হক্বসহ আলেম সমাজের সকল স্তরের প্রতিনিধিরা। বার্তা প্রেরক- মো.আতাউর রহমান সরকার প্রচার-মিডিয়া সম্পাদক ঢাকা মহানগরী উত্তর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী