হবিগঞ্জে রেলের পরিত্যক্ত জায়গা দখল অবৈধ দোকান নির্মাণ ব্যবস্থা নেয়ার দাবি

আপলোড সময় : ১৫-০৬-২০২৬ ০৪:০৬:০৪ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ১৫-০৬-২০২৬ ০৪:০৬:০৪ অপরাহ্ন

 
লিটন পাঠান, হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:
হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার আসামপাড়ায় পরিত্যক্ত রেল লাইনের দুপাশের জায়গা দখল করে গড়ে উঠেছে অবৈধ স্থাপনা। ইতোমধ্যে রেললাইন, স্লিপার ও গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ লোপাট হয়ে গেছে। স্থানীয়রা জানান, কতিপয় লোকজন রেলের জায়গা দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করে দোকান বানিয়ে ভাড়া নিচ্ছেন। জানা যায়, ১৯২৯ সালে নির্মিত প্রায় ৩০ থেকে ৩৬ কিলোমিটার দীর্ঘ শায়েস্তাগঞ্জ-বাল্লা রেলপথ এক সময় জেলার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করত। বিশেষ করে চা বাগানের পণ্য পরিবহনে এই রেলপথ ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সরেজমিনে দেখা গেছে, আসামপাড়া বাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় রেলের জমি দখল করে গড়ে উঠেছে অসংখ্য দোকানপাট ও স্থাপনা।

 
রেললাইনের কোনো অস্তিত্ব নেই স্লিপার ও রেললাইন তুলে নেওয়ার পর অনেক জায়গায় নির্মাণ করা হয়েছে পাকা সড়ক। ফলে নতুন প্রজন্মের কাছে এটি যে একসময় একটি ব্যস্ত রেলপথ ছিল, তা বোঝারও উপায় নেই।

 
স্থানীয়দের অভিযোগ, ২০০১ সালে ট্রেন চলাচল বন্ধ হওয়ার পর থেকেই রেলপথের অবকাঠামো লুটপাট শুরু হয়। গত ২৪ বছরে রেললাইনের প্রায় ৯৫ শতাংশ স্লিপার, যন্ত্রাংশ ও অন্যান্য মালামাল লোপাট হয়েছে। কোটি কোটি টাকার এসব সরকারি সম্পদ কোথায় গেল, তার কোনো তদন্ত হয়নি। দায়ীদের চিহ্নিত করেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

 
বর্তমানে চুনারুঘাট থেকে বাল্লা পর্যন্ত প্রায় ১৫ থেকে ২০ কিলোমিটার রেলপথ সম্পূর্ণ বিলীন হয়ে গেছে। বিভিন্ন স্থানে রেলের জমি দখল করে বসতবাড়ি, দোকানপাট ও বাণিজ্যিক স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, অন্তত দুই শতাধিক অবৈধ স্থাপনা বর্তমানে রেলওয়ের জমির ওপর দাঁড়িয়ে রয়েছে।


এলাকাবাসীর দাবি, বিলীন হয়ে যাওয়া রেলপথের জমি উদ্ধার, লুট হওয়া সম্পদের হিসাব নিরূপণ এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে তদন্তের পাশাপাশি ঐতিহাসিক বাল্লা রেলপথ পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিতে হবে। অন্যথায় জাতীয় সম্পদ দখল ও লুটপাটের এই সংস্কৃতি আরও বিস্তার লাভ করবে।




 

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স দশম তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]