ওমর ফারুক খান, লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধি:
নাটোরের লালপুর উপজেলায় ইউপি সদস্য ও নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতা মনির হোসেনের নেতৃত্বাধীন কথিত ‘মনির বাহিনীর’ বিরুদ্ধে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ এনে বিচার দাবি করেছেন আহত রেজাউল করিম। শনিবার (১৩ জুন) বিকেলে উপজেলার চংধুপইল ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামে নিজ বাসভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান ভুক্তভোগী রেজাউল করিম।
তিনি ইসলামপুর গ্রামের মৃত ইনামুল হকের ছেলে। সংবাদ সম্মেলনে রেজাউল করিম অভিযোগ করেন, চংধুপইল ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মনির হোসেনের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। এর জেরে গত ৭ মে মনির হোসেন তার অনুসারী কিশোর গ্যাং সদস্যদের নিয়ে তার বাড়িতে হামলা চালান। হামলাকারীরা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাকে গুরুতর আহত করার পাশাপাশি বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাট করে বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি আরও বলেন, হামলার সময় পরিবারের নারী সদস্যদের গহনা ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয় এবং ঘরের বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়। এতে তার প্রায় ২ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। রেজাউল করিম জানান, এ ঘটনায় লালপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলে তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। তিনি দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য মনির হোসেনের বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
তবে অভিযোগের বিষয়ে লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, “দুই পক্ষের মধ্যে পূর্ব বিরোধ রয়েছে। রেজাউল করিম আগে ইউপি সদস্য মনির হোসেনের ওপর হামলা করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরবর্তীতে মনির হোসেনের লোকজন সেখানে হামলা চালায়।
এ ঘটনায় মামলা হয়েছে এবং পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।” ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয়রা দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
নাটোরের লালপুর উপজেলায় ইউপি সদস্য ও নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতা মনির হোসেনের নেতৃত্বাধীন কথিত ‘মনির বাহিনীর’ বিরুদ্ধে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ এনে বিচার দাবি করেছেন আহত রেজাউল করিম। শনিবার (১৩ জুন) বিকেলে উপজেলার চংধুপইল ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামে নিজ বাসভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান ভুক্তভোগী রেজাউল করিম।
তিনি ইসলামপুর গ্রামের মৃত ইনামুল হকের ছেলে। সংবাদ সম্মেলনে রেজাউল করিম অভিযোগ করেন, চংধুপইল ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মনির হোসেনের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। এর জেরে গত ৭ মে মনির হোসেন তার অনুসারী কিশোর গ্যাং সদস্যদের নিয়ে তার বাড়িতে হামলা চালান। হামলাকারীরা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাকে গুরুতর আহত করার পাশাপাশি বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাট করে বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি আরও বলেন, হামলার সময় পরিবারের নারী সদস্যদের গহনা ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয় এবং ঘরের বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়। এতে তার প্রায় ২ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। রেজাউল করিম জানান, এ ঘটনায় লালপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলে তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। তিনি দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য মনির হোসেনের বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
তবে অভিযোগের বিষয়ে লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, “দুই পক্ষের মধ্যে পূর্ব বিরোধ রয়েছে। রেজাউল করিম আগে ইউপি সদস্য মনির হোসেনের ওপর হামলা করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরবর্তীতে মনির হোসেনের লোকজন সেখানে হামলা চালায়।
এ ঘটনায় মামলা হয়েছে এবং পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।” ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয়রা দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।