রাহাদ সুমন,বরিশাল প্রতিবেদক :
বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় বিএনপি ও ইসলামী আন্দোলনের নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের ৩৩ জন নেতাকর্মীর আহতের দাবি করা হলেও পুলিশ বলছে কোনো আহতের ঘটনা ঘটেনি। উজিরপুর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহিন হাওলাদার জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দুপুরে উপজেলা পরিষদের সামনের এ ঘটনায় তাদের তিনজন নেতা গুরুতর আহত হয়েছেন।
এরমধ্যে দুইজন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অপরদিকে উজিরপুর উপজেলা ইসলামী যুব আন্দোলনের সভাপতি ডিএম আলামিন জানিয়েছেন, তাদের অন্তত ৩০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, গত ২ জুন মাদরাসা শিক্ষক মুফতি মাসউদ হাসান ফিরোজকে হেনস্তা ও তার বসতবাড়ি দখলের অভিযোগে মানববন্ধন এবং বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। জাতীয় ওলামা-মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের আয়োজনে উপজেলা সদরে বৃহস্পতিবার সকালে এ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। এসময় থানা পুলিশ এসে অনুমতি ছাড়া এবং আদালতে বিচারাধীন বিষয় নিয়ে কর্মসূচি পালনে নিষেধ করেন। এনিয়ে ওসি রকিবুল ইসলামের সাথে মানববন্ধন আয়োজনকারীদের কথাবার্তা চলছিল। এসময় কয়েকজন বিএনপি নেতাকর্মী এসে মানববন্ধনকারীদের একটি ফেস্টুন ছিনিয়ে নিয়ে ভেঙে ফেলেন।
এনিয়ে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে আন্দোলনকারীদের সরিয়ে দেয় পুলিশ। কিন্তু তারা বিএনপি নেতাকর্মীদের ধাওয়া দিয়ে উপজেলা পরিষদের ভেতর নিয়ে যায়। তখন দুই পক্ষ পাল্টাপাল্টি ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। পরে বিএনপি নেতাকর্মীদের উপজেলা পরিষদে ও ইসলামী আন্দোলনের নেতাকর্মীদের রাস্তা থেকে সরিয়ে দেয় পুলিশ। বিএনপি নেতা শাহিন হাওলাদার অভিযোগ করেন, উপজেলা পরিষদে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় অংশ নিয়েছিলাম। এ সময় উপজেলা পরিষদের সামনে ইসলামী আন্দোলনের নেতাকর্মীদের মানববন্ধন দেখে বের হই। আমাকে দেখে তারা হামলা চালিয়েছে।
হামলায় উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব ফয়েজ মোল্লা ও জসিম চোকদারসহ তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন। আহত দুইজন থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। উজিরপুর উপজেলা ইসলামী যুব আন্দোলনের সভাপতি ডিএম আলামিন বলেন, বিএনপি নেতা শাহিন হিন্দুদের সামনে রেখে জমি দখলের চেষ্টা করছেন। এরমধ্যে মাদরাসা শিক্ষক ফিরোজকে হেনস্তা করে তার ভবন দখলের চেষ্টা করা হয়। এ ঘটনার প্রতিবাদে তারা শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালন করছিলেন। ওসি আসার পর তার সামনে বিএনপি নেতা শাহিন হাওলাদারের নেতৃত্বে তাদের ওপর হামলা করা হয়। এতে দুইজন গুরুতরসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
উজিরপুর মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, মাদরাসা শিক্ষক মুফতি ফিরোজের সাথে হিন্দুদের জমি নিয়ে বিরোধ রয়েছে। এ নিয়ে আদালতে আলাদা দুটি মামলা চলছে। একটি পুলিশ ও অপরটি সহকারী কমিশনার (ভূমি) তদন্ত করছেন।
আদালতে বিচারধীন মামলা নিয়ে মানববন্ধন ও কর্মসূচি পালন করতে তাদের নিষেধ করা হয়। এনিয়ে দুইপক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টাধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। পুলিশ দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন।
বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় বিএনপি ও ইসলামী আন্দোলনের নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের ৩৩ জন নেতাকর্মীর আহতের দাবি করা হলেও পুলিশ বলছে কোনো আহতের ঘটনা ঘটেনি। উজিরপুর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহিন হাওলাদার জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দুপুরে উপজেলা পরিষদের সামনের এ ঘটনায় তাদের তিনজন নেতা গুরুতর আহত হয়েছেন।
এরমধ্যে দুইজন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অপরদিকে উজিরপুর উপজেলা ইসলামী যুব আন্দোলনের সভাপতি ডিএম আলামিন জানিয়েছেন, তাদের অন্তত ৩০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, গত ২ জুন মাদরাসা শিক্ষক মুফতি মাসউদ হাসান ফিরোজকে হেনস্তা ও তার বসতবাড়ি দখলের অভিযোগে মানববন্ধন এবং বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। জাতীয় ওলামা-মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের আয়োজনে উপজেলা সদরে বৃহস্পতিবার সকালে এ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। এসময় থানা পুলিশ এসে অনুমতি ছাড়া এবং আদালতে বিচারাধীন বিষয় নিয়ে কর্মসূচি পালনে নিষেধ করেন। এনিয়ে ওসি রকিবুল ইসলামের সাথে মানববন্ধন আয়োজনকারীদের কথাবার্তা চলছিল। এসময় কয়েকজন বিএনপি নেতাকর্মী এসে মানববন্ধনকারীদের একটি ফেস্টুন ছিনিয়ে নিয়ে ভেঙে ফেলেন।
এনিয়ে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে আন্দোলনকারীদের সরিয়ে দেয় পুলিশ। কিন্তু তারা বিএনপি নেতাকর্মীদের ধাওয়া দিয়ে উপজেলা পরিষদের ভেতর নিয়ে যায়। তখন দুই পক্ষ পাল্টাপাল্টি ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। পরে বিএনপি নেতাকর্মীদের উপজেলা পরিষদে ও ইসলামী আন্দোলনের নেতাকর্মীদের রাস্তা থেকে সরিয়ে দেয় পুলিশ। বিএনপি নেতা শাহিন হাওলাদার অভিযোগ করেন, উপজেলা পরিষদে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় অংশ নিয়েছিলাম। এ সময় উপজেলা পরিষদের সামনে ইসলামী আন্দোলনের নেতাকর্মীদের মানববন্ধন দেখে বের হই। আমাকে দেখে তারা হামলা চালিয়েছে।
হামলায় উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব ফয়েজ মোল্লা ও জসিম চোকদারসহ তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন। আহত দুইজন থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। উজিরপুর উপজেলা ইসলামী যুব আন্দোলনের সভাপতি ডিএম আলামিন বলেন, বিএনপি নেতা শাহিন হিন্দুদের সামনে রেখে জমি দখলের চেষ্টা করছেন। এরমধ্যে মাদরাসা শিক্ষক ফিরোজকে হেনস্তা করে তার ভবন দখলের চেষ্টা করা হয়। এ ঘটনার প্রতিবাদে তারা শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালন করছিলেন। ওসি আসার পর তার সামনে বিএনপি নেতা শাহিন হাওলাদারের নেতৃত্বে তাদের ওপর হামলা করা হয়। এতে দুইজন গুরুতরসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
উজিরপুর মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, মাদরাসা শিক্ষক মুফতি ফিরোজের সাথে হিন্দুদের জমি নিয়ে বিরোধ রয়েছে। এ নিয়ে আদালতে আলাদা দুটি মামলা চলছে। একটি পুলিশ ও অপরটি সহকারী কমিশনার (ভূমি) তদন্ত করছেন।
আদালতে বিচারধীন মামলা নিয়ে মানববন্ধন ও কর্মসূচি পালন করতে তাদের নিষেধ করা হয়। এনিয়ে দুইপক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টাধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। পুলিশ দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন।