মোঃ অপু খান চৌধুরী।।
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় দেশে ফেরার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মাথায় এক মালয়েশিয়া প্রবাসীর বাড়িতে অতর্কিত হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল বুধবার (১০ জুন) রাত নয়টার দিকে উপজেলার শশীদল ইউনিয়নের মল্লিকাদীঘী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। হামলায় মালয়েশিয়া প্রবাসী ফিরোজ হাছান, তাঁর স্ত্রী সুহেনা বেগম এবং তাঁদের ছোট মেয়ে সূচনা আক্তার গুরুতর আহত হয়েছেন।
বর্তমানে তাঁরা কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ফিরোজ হাছান মল্লিকাদীঘী গ্রামের মৃত জলিল মিয়ার ছেলে। আহত প্রবাসীর পরিবার ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, ফিরোজ হাছান দীর্ঘদিন মালয়েশিয়ায় ছিলেন। সম্প্রতি অসুস্থ হয়ে পড়ায় চিকিৎসার জন্য গতকাল বুধবার বিকেলে তিনি দেশে ফেরেন।
বাড়িতে এসে ওষুধ খেয়ে তিনি যখন বিশ্রাম নিচ্ছিলেন, ঠিক তখনই রাত নয়টার দিকে একই গ্রামের ফয়েজ মিয়ার ছেলে সজিব এসে তাঁকে ডাকাডাকি শুরু করে।
ফিরোজের স্ত্রী সুহেনা বেগম বলেন, আমার স্বামী অসুস্থ শরীর নিয়ে বিকেলে বাড়ি ফেরায় আমি সজিবকে বলি—সে এখন ওষুধ খেয়ে ঘুমাচ্ছে।
তখন সজিব জানায়, এলাকার 'বড় ভাই' মৃত ইদ্রিস মিয়ার ছেলে ইউনুস আমার স্বামীর সঙ্গে কথা বলতে চান। আমি এত রাতে দেখা করতে অস্বীকৃতি জানালে তারা ক্ষিপ্ত হয়।
সুহেনা বেগম অভিযোগ করেন, এর কিছুক্ষণ পরই স্থানীয় ইউনুস মিয়ার নেতৃত্বে সজিব, আজাদ মিয়ার ছেলে বাবু, ফরিদ আহমেদের ছেলে বাছিরসহ অজ্ঞাতনামা ১০-১৫ জন দেশীয় অস্ত্র (দা, ছেনো, লাঠি ও লোহার রড) নিয়ে তাঁদের বাড়ির গেটের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। তারা ঘরে ঢুকে আসবাবপত্র ভাঙচুর শুরু করে এবং ফিরোজ হাছানকে রড ও লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে গুরুতর জখম করে।
আমি বাধা দিতে গেলে আমাকেও দা দিয়ে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করা হয়। এ সময় আমার ছোট মেয়ে সূচনাও আহত হয়। হামলাকারীরা আমার স্বামীর মালয়েশিয়া থেকে আনা লাগেজ ভর্তি মালামাল, মোবাইল ফোন, নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নিয়ে গেছে। সুহেনা আরও জানান, তাঁদের চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা ছুটে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে দ্রুত কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে ফিরোজ হাছানের বাম পা ও শরীরের বিভিন্ন অংশে এবং সুহেনার হাতে গভীর ক্ষত রয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ব্রাহ্মণপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ফারুক হোসেন বলেন, ঘটনাটি জানার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। আহতরা বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। এখনও থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় দেশে ফেরার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মাথায় এক মালয়েশিয়া প্রবাসীর বাড়িতে অতর্কিত হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল বুধবার (১০ জুন) রাত নয়টার দিকে উপজেলার শশীদল ইউনিয়নের মল্লিকাদীঘী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। হামলায় মালয়েশিয়া প্রবাসী ফিরোজ হাছান, তাঁর স্ত্রী সুহেনা বেগম এবং তাঁদের ছোট মেয়ে সূচনা আক্তার গুরুতর আহত হয়েছেন।
বর্তমানে তাঁরা কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ফিরোজ হাছান মল্লিকাদীঘী গ্রামের মৃত জলিল মিয়ার ছেলে। আহত প্রবাসীর পরিবার ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, ফিরোজ হাছান দীর্ঘদিন মালয়েশিয়ায় ছিলেন। সম্প্রতি অসুস্থ হয়ে পড়ায় চিকিৎসার জন্য গতকাল বুধবার বিকেলে তিনি দেশে ফেরেন।
বাড়িতে এসে ওষুধ খেয়ে তিনি যখন বিশ্রাম নিচ্ছিলেন, ঠিক তখনই রাত নয়টার দিকে একই গ্রামের ফয়েজ মিয়ার ছেলে সজিব এসে তাঁকে ডাকাডাকি শুরু করে।
ফিরোজের স্ত্রী সুহেনা বেগম বলেন, আমার স্বামী অসুস্থ শরীর নিয়ে বিকেলে বাড়ি ফেরায় আমি সজিবকে বলি—সে এখন ওষুধ খেয়ে ঘুমাচ্ছে।
তখন সজিব জানায়, এলাকার 'বড় ভাই' মৃত ইদ্রিস মিয়ার ছেলে ইউনুস আমার স্বামীর সঙ্গে কথা বলতে চান। আমি এত রাতে দেখা করতে অস্বীকৃতি জানালে তারা ক্ষিপ্ত হয়।
সুহেনা বেগম অভিযোগ করেন, এর কিছুক্ষণ পরই স্থানীয় ইউনুস মিয়ার নেতৃত্বে সজিব, আজাদ মিয়ার ছেলে বাবু, ফরিদ আহমেদের ছেলে বাছিরসহ অজ্ঞাতনামা ১০-১৫ জন দেশীয় অস্ত্র (দা, ছেনো, লাঠি ও লোহার রড) নিয়ে তাঁদের বাড়ির গেটের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। তারা ঘরে ঢুকে আসবাবপত্র ভাঙচুর শুরু করে এবং ফিরোজ হাছানকে রড ও লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে গুরুতর জখম করে।
আমি বাধা দিতে গেলে আমাকেও দা দিয়ে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করা হয়। এ সময় আমার ছোট মেয়ে সূচনাও আহত হয়। হামলাকারীরা আমার স্বামীর মালয়েশিয়া থেকে আনা লাগেজ ভর্তি মালামাল, মোবাইল ফোন, নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নিয়ে গেছে। সুহেনা আরও জানান, তাঁদের চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা ছুটে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে দ্রুত কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে ফিরোজ হাছানের বাম পা ও শরীরের বিভিন্ন অংশে এবং সুহেনার হাতে গভীর ক্ষত রয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ব্রাহ্মণপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ফারুক হোসেন বলেন, ঘটনাটি জানার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। আহতরা বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। এখনও থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।