তানোরে প্রতিবন্ধী ভাতিজিকে ধর্ষনের মামলায় আটক বড় চাচা

আপলোড সময় : ০৮-০৬-২০২৬ ০৪:৫৮:৫৫ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ০৮-০৬-২০২৬ ০৪:৫৮:৫৫ অপরাহ্ন

দেলোয়ার হোসেন সোহেল তানোর থেকে :

রাজশাহীর তানোরে শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী গৃহবধু (৩৫) এক কন্যা সন্তানের জননী নিজের বড় চাচা কর্তৃক ধর্ষেনের স্বীকার হয়েছেন। রোববার দুপুরে ভিক্টিমের ভাবি সুমাইয়া বিবি বাদি হয়ে তালন্দ ইউপির আড়াদিঘী গ্রামের মৃত খুশবোরের পুত্র ৩ সন্তানের জনক ভিক্টিমের বড় চাচা মকবুল হোসেন (৬০)'র বিরুদ্ধে ধর্ষনের অভিযোগে তানোর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

মামলার বিবরণ, পুলিশ ও ভিক্টিমের পরিবার সুত্রে জানা গেছে, গত ২০ দিন আগে (মকবুলের স্ত্রী) বড় চাচি ও  চাচাতো ভাইয়ের বউ ভাবি পার্শ্বের মোহনপুর উপজেলার একটি গ্রামে ভিক্টিমের (প্রতিবন্ধী স্বামীর) বাড়ি থেকে প্রতিবন্ধী ভাতিজিকে তাদের বাড়ি তানোর উপজেলার তালন্দ ইউপির আড়াদিঘী গ্রামে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসেন। এঅবস্থায় গত বুধবার রাতে বড় চাচা মকবুল ওই প্রতিবন্ধীকে একা থাকার সুযোগে ধর্ষন করেন।

মামলার বাদি সুমাইয়া বিবি বলেন, প্রতিদিনের ন্যায় বুধবার ভোর ৫ টার আমার নিজের ননদ (প্রতিবন্ধী) ঘরে গিয়ে দেখি সে বন্ত্রবিহিন বিছানায় বসে আছে। আমাকে দেখেই কান্না শুরু করে তখন জানতে চাইলে সে জানায় তার বড়  চাচা তাকে ধর্ষন করেছে। বিষযটি পরিবারের লোকদের মধ্যে জানাজানি হওয়ায় মকবুলের ছেলের বউ বুলবুলি বলে সে মিথ্যে কথা বলছে, আমরা তাকে নিয়ে এসেছি আমরাই তাকে তার স্বামীর বাড়ি রেখে আসবো বলে স্বামীর বাড়ি মোহনপুর উপজেলার রেখে আসে।

ওই গৃহবধুরদ প্রতিবন্ধী স্বামী শরিফুল ইসলাম বলেন, বাড়িতে আসার পর থেকে শুধু কান্নাকাটি করছে, আমি জানতে চাইলে শনিবার সকাল ১০ টার দিকে ঘটনাটি আমাকে বলে। আমি রোববার সকাল ১০টার দিকে আড়াদিঘিতে নিয়ে আসি। তিনি বলেন, ১৬ বছর আগে আমাদের বিয়ে হয়। আমাদের ১ কন্যা সন্তানের বিয়ে দিয়ে দিয়েছি। চিকিৎসার কথা বলে এনে এমন সর্বনাশ করেছে আমি বিচার চাই বরেও জানান তিনি। প্রতিবন্ধীর সৎ ভাই মানিক হাসান বলেন, ২০ দিন আগে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসে। কিন্তু কোন চিকিৎসা করেনি। গত বুধবার রাতে ঘরে একা থাকার সুযোগে বড় চাচা মকবুল ঘরে ঢুকে তাকে ধর্ষন করে।

তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এসএম মাসুদ পারভেজ বলেন, এঘটনায় ১জনের বিরুদ্ধে তানোর থানায় একটি ধর্ষনের মামলা দায়ের করার পরপর থেকেই আসামী ধরতে আমরা কাজ শুরু করেছি এবং ২ ঘণ্টার মধ্যেই আসামিকে আমরা গ্রেফতার করেছি পাশাপাশি ভিক্টিমকে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসিতে প্রেরন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য : মামলা হওয়ার পরপরই তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ এসএম মাসুদ পারভেজের নির্দেশনায় এস আই মাসুদের নেতৃত্বে থানার একটি চৌকস পুলিশ টিম দ্রুত সময়ে আসামিকে গ্রেফতার করেন।

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স দশম তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]