​তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফিলিমন হেমব্রম কে হত্যার চেষ্টা

আপলোড সময় : ০৪-০৬-২০২৬ ০৮:০০:১২ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ০৪-০৬-২০২৬ ০৮:০০:১২ অপরাহ্ন
‎
‎মোঃ আফজাল হোসেন দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি:

দিনাজপুর পুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার খটখটিয়া কৃষ্ণপুর গ্রামে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফিলিমন হেমব্রম হত্যার চেষ্টা। নবাবগঞ্জ থানায় দায়েরকৃত এজাহার সূত্রে জানা যায়, ফিলিমন হেমব্রম পিতা-সুনিল হেমব্রম, মাতা- সাবিনা টুডু, সাং-খটখটিয়া কৃষ্ণপুর, থানা-নবাবগঞ্জ, জেলা-দিনাজপুর থানায় বাদী হয়ে ১০জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন। ১। মোঃ সাইদুল ইসলাম (৪২), পিতা-মৃত আজারুল্লাহ, ২। মোঃ রাশেদুল ইসলাম (১৯), ৩। মোঃ রাকিবুল ইসলাম (২১), উভয় পিতা-মোঃ সাইদুল ইসলাম, ৪। মোঃ আজাদুল ইসলাম (৪২), পিতা-মৃত আজারুল্লাহ, ৫। মোঃ রেজোয়ান ইসলাম (৩৮), পিতা- মোঃ হাকিম, ৬। মোঃ রাকিবুল ইসলাম (১৮), পিতা-মোঃ মঞ্জু, ৭। মোঃ মনিরুল ইসলাম (৩৮), ৮। মোঃ কামাল ইসলাম (১৮), উভয় পিতা-মোঃ মজিবর রহমান, ৯। মোঃ দিলদার হোসেন (৩৩), পিতা-মোঃ আজমল হোসেন, ১০। মোছাঃ রাবেয়া খাতুন (৩৮), স্বামী মোঃ সাইদুল ইসলাম সর্ব সাং-খুটখটিয়া কৃষ্ণপুর, থানা-নবাবগঞ্জ, জেলা-দিনাজপুরদের বিরুদ্ধে এজাহার দায়ের করেন।

‎ফিলিমন হাসদা জানান, আমি গত ৩০/০৫/২০২৬ইং তারিখে সকাল সাড়ে ১০ ঘটিকার সময় মোটরসাইকেলযোগে বিরামপুর থেকে বুল্লিরমোড় হতে খটখটিয়া কৃষ্ণপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠের উদ্দেশ্যে রওনা করি। সেখানে ৩০ মিনিটের মতো অবস্থান করে মোটরসাইকেলযোগে খটখটিয়া কৃষ্ণপুর খেলার মাঠ থেকে নিজ বাড়ীর উদ্দেশ্যে রওনা করি। নবাবগঞ্জ থানাধীন ৩নং গোলাপগঞ্জ ইউনিয়নের বুল্লিরমোড় নামক স্থানে পৌঁছালে ১নং বিবাদী মোঃ সাইদুল ইসলাম আমার মোটরসাইকেলের পথরোধ করে ১২ মিনিট আগে মোটরসাইকেল দিয়ে পাতী হাঁস মেরে ফেলার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে। ১নং বিবাদীর জিজ্ঞাসাবাদ করলে আমি জানাই আমি গত ৩০ মিনিট আগে এই রাস্তা দিয়ে যাই এবং আমি কোন হাঁস মারিনি। উক্ত ঘটনার বিষয় নিয়ে ১নং বিবাদীর সাথে কথাকাটাকাটির জের ধরে একপর্যায়ে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে ও ১টি সাঁতালকে মেরে ফেললে কি হবে এই কথা বলতে থাকে এবং আমার মোটরসাইকেলের চাবি নিয়ে নেয়। আমি ১নং বিবাদীর নিকট আমার মোটরসাইকেলের চাবি চাইলে চাবি না দিয়ে বলতে থাকে তোমার কোন বাপ আছে নিয়ে আসো দেখি কে মোটরসাইকেল নিয়ে যায়। পরবর্তীতে আমি নিজ বাড়িতে গিয়ে আমার মা সাবিনা টুডু (৪০), বোন আগস্তিনা সরেন (২৬), বোন প্রেমা হেমব্রম (১৮), ভাই বিপ্লব সরেন (২১), ফুপু পানমুনি হেমব্রম (৩২) ও গ্রামের স্থানীয় লোকজনসহ ১নং বিবাদী মোঃ সাইদুল ইসলাম এর বাড়ির সামনে এসে আমার মোটরসাইকেল ও মোটরসাইকেলের চাবি ফেরত চাই। ১নং বিবাদীর হুকুমে ১৩ নং বিবাদী মোছাঃ রাবেয়া খাতুন আমার ফুপু পানমুনি হেমব্রম (৩২) কে ধাক্কা দেয়। আমি ফুপুকে ধাক্কা দেওয়ায় আমি ১৩নং বিবাদীকে কারণ জিজ্ঞাসা করিলে ১নং বিবাদী তার হাতে থাকা বাশের লাঠি দিয়ে মারতে আসে। আমি ১নং বিবাদীকে বাধা প্রদান করি এবং উক্ত ঘটনা জনৈক মোঃ আসমান আলী (৪৮), মোঃ তারেক রহমান (৪২), মোঃ লিটন ইসলাম (৩৮) আমাকে মোটরসাইকেল ও চাবি উদ্ধার করে দেয়। আমি আমার পরিবারের লোকজনসহ বাসায় চলে আসি।
‎
‎গত ২৯/০৫/২০২৬ খ্রি. তারিখ রাত্রী সাড়ে ০৮ ঘটিকার সময় গ্রামের মোড়ল ১। মোঃ সুজাউল হক সোহেল (৪৮), পিতা-মোঃ উকিল, ২। মোঃ তারেক রহমান (৪২), পিতা-মৃত কবির উদ্দিন, ৩। মোঃ আসমান আলী (৪৮), পিতা-মৃত আকর আলী, ৪। মোঃ কাব্বর আলী (৬০), পিতা-অজ্ঞাত, সর্ব সাং-খটখটিয়া কৃষ্ণপুর, থানা-নবাবগঞ্জ, জেলা- দিনাজপুর উক্ত ঘটনার বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে আপোষ মীমাংসা করার জন্য বুল্লির মোড় বাজারে আসতে বলেন। আমি ও আমার পরিবারের লোকজনসহ বুল্লির মোড় বাজারে জনৈক মোঃ শাহাদত হোসেন (৩৩) এর মুদির দোকানে সামনে আসি। উক্ত ঘটনার বিষয়টি আপোষ মীমাংসার একপর্যায়ে ২নং ও ৩নং বিবাদী আমাকে বাঁশের লাঠি দিয়ে এলোপাথারীভাবে মারপিট শুরু করে। আমাকে মারপিট করায় আমার বাবা ও চাচা আগাইতে গেলে ৪নং, ৫নং, ৬নং ও ৭নং বিবাদী তাদের হাতে থাকা বাঁশের লাঠি দিয়ে মারপিট করিয়া নিলাফুলা কালশিরা জখম করে। ১নং বিাদী হত্যার উদ্দেশ্যে তার হাতে থাকে লোহার রড দিয়ে মাথায় লক্ষ্যে করে বারি মারে। আমি মাটিতে পড়িয়া গেলে আমার মা, বোন, ফুপু, চাচী আগাইয়া আসিলে ৮নং ও ৯নং বিবাদীর তাদের বুকে ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে কিলঘুষি মারিয়া নিলাফুলা কালশিরা জখম করে এবং শ্লীলতাহানি ঘটায়। ডববাদীদের মারপিটের আঘাতে গ্রামের স্থানীয় লোকজন আগাইয়া আসিয়া আমাদেরকে তাদের হাত থেকে রক্ষা করে আমাকে নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে এসে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করায়।
‎
‎এ বিষয়ে নবাবগঞ্জ থানার অফিসার ইনজার্চ আব্দুল কুদ্দুস এর সাথে মোবাইল ফোনে কথা বলালে তিনি জানান, অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স দশম তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]