কটিয়াদি
(কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ
জীবিকার তাগিদে কড়া রোদ উপেক্ষা করেই দৈনন্দিন কাজে বের হতে হচ্ছে তাদের। চলমান এ তাপপ্রবাহে নাকাল হচ্ছেন শ্রমিক, খেটে খাওয়া দিনমজুর ও নিম্ন আয়ের মানুষ। অসহ্য গরমে অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। সড়কে মানুষের উপস্থিতিও থাকছে কম। অনেকে পূর্ণ সময়ের বদলে ঘণ্টা চুক্তিতে কাজ করছেন।
সরেজমিন গতকাল কথা হয়, বিল্ডিং নির্মাণ শ্রমিক বোরহান উদ্দিনের সাথে। তিনি বলেন, নির্মাণ শ্রমিকদের রোদ-তাপ দেখে কাজ হয় না। জানের ভয় থাকলেও চলে না, শুধু কষ্ট। সীমিত আয়ে সংসার চালানো দায় হয়েছে। ব্যয়ের সঙ্গে আয় চার আনাও বাড়েনি। এখন শেষ বয়সে এসে হিমশিম খেতে হচ্ছে। শ্রমিক হুমায়ুন কবির বলেন, রোদের এতো তাপ! শ্রমিকরা বাইরে কাজ করতেই পারছেন না। ঘরের ভেতরে হলে কাজ করছেন। তবে বাসাবাড়ির নির্মাণকাজে সুবিধা হলো চাইলে একটু ধীরে করা যায়। সেক্ষেত্রে দিন বেশি লাগে। তাতে অবশ্য আয়ের পরিমাণ কমে আসে। কিন্তু কোম্পানির কাজে চাইলে দেরি করা যায় না।
নির্দিষ্ট সময়ে কাজ শেষ করতে হয়। উপজেলার কটিয়াদী পৌর সদর ইউনিয়নের কামারকোনা গ্রামের ধান শুকানোর কাজ করছিলেন জয়তুন বেগম। তিনি বলেন, ৪৫ বছরের জীবনে কখনো এতো গরম দেখিনি। কাজের সময় গায়ে মনে হচ্ছে আগুনের উল্কা এসে পড়ছে। হোটেল শ্রমিক অজিদ বাবু বলেন কাজ করে ৪০০-৫০০ টাকা পাই। আয়তো আগের মতোই আছে। তবে সময়ের সঙ্গে সংসারের ব্যয় বেড়েছে কয়েকগুণ। এখন গরম যতই বেশি হোক, ঘরে বসে থাকার উপায় নেই। পরিবার চালানোর জন্য প্রতিদিনই কাজ করতেই হবে।
কটিয়াদী বাজার বাসস্ট্যান্ড মার্কেটে অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে ছিলেন দিনমজুর রফিকুল ইসলাম। সঙ্গে ছিল টুকরি-কোদাল। তিনি জানান, এ জায়গায় অনেক দিনমজুর কাজের সন্ধানে ভোর থেকেই অপেক্ষা করেন। কিন্তু গত ৭-৮ দিন ধরে অনেকেই আসছেন না। উপজেলা সদর বাজারে অটো রিকশাচালক ফুলু মিয়া বলেন, গরমের কারণে মানুষ বাড়িঘর থেকে কম বের হচ্ছে। যে কারণে দিনের বেশিরভাগ সময় যাত্রী সংখ্যা হাতেগোনা। শুধু সকালের দিকে কিছু যাত্রী পাওয়া যাচ্ছে।
এম এ কুদ্দুছ
(কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ
জীবিকার তাগিদে কড়া রোদ উপেক্ষা করেই দৈনন্দিন কাজে বের হতে হচ্ছে তাদের। চলমান এ তাপপ্রবাহে নাকাল হচ্ছেন শ্রমিক, খেটে খাওয়া দিনমজুর ও নিম্ন আয়ের মানুষ। অসহ্য গরমে অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। সড়কে মানুষের উপস্থিতিও থাকছে কম। অনেকে পূর্ণ সময়ের বদলে ঘণ্টা চুক্তিতে কাজ করছেন।
সরেজমিন গতকাল কথা হয়, বিল্ডিং নির্মাণ শ্রমিক বোরহান উদ্দিনের সাথে। তিনি বলেন, নির্মাণ শ্রমিকদের রোদ-তাপ দেখে কাজ হয় না। জানের ভয় থাকলেও চলে না, শুধু কষ্ট। সীমিত আয়ে সংসার চালানো দায় হয়েছে। ব্যয়ের সঙ্গে আয় চার আনাও বাড়েনি। এখন শেষ বয়সে এসে হিমশিম খেতে হচ্ছে। শ্রমিক হুমায়ুন কবির বলেন, রোদের এতো তাপ! শ্রমিকরা বাইরে কাজ করতেই পারছেন না। ঘরের ভেতরে হলে কাজ করছেন। তবে বাসাবাড়ির নির্মাণকাজে সুবিধা হলো চাইলে একটু ধীরে করা যায়। সেক্ষেত্রে দিন বেশি লাগে। তাতে অবশ্য আয়ের পরিমাণ কমে আসে। কিন্তু কোম্পানির কাজে চাইলে দেরি করা যায় না।
নির্দিষ্ট সময়ে কাজ শেষ করতে হয়। উপজেলার কটিয়াদী পৌর সদর ইউনিয়নের কামারকোনা গ্রামের ধান শুকানোর কাজ করছিলেন জয়তুন বেগম। তিনি বলেন, ৪৫ বছরের জীবনে কখনো এতো গরম দেখিনি। কাজের সময় গায়ে মনে হচ্ছে আগুনের উল্কা এসে পড়ছে। হোটেল শ্রমিক অজিদ বাবু বলেন কাজ করে ৪০০-৫০০ টাকা পাই। আয়তো আগের মতোই আছে। তবে সময়ের সঙ্গে সংসারের ব্যয় বেড়েছে কয়েকগুণ। এখন গরম যতই বেশি হোক, ঘরে বসে থাকার উপায় নেই। পরিবার চালানোর জন্য প্রতিদিনই কাজ করতেই হবে।
কটিয়াদী বাজার বাসস্ট্যান্ড মার্কেটে অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে ছিলেন দিনমজুর রফিকুল ইসলাম। সঙ্গে ছিল টুকরি-কোদাল। তিনি জানান, এ জায়গায় অনেক দিনমজুর কাজের সন্ধানে ভোর থেকেই অপেক্ষা করেন। কিন্তু গত ৭-৮ দিন ধরে অনেকেই আসছেন না। উপজেলা সদর বাজারে অটো রিকশাচালক ফুলু মিয়া বলেন, গরমের কারণে মানুষ বাড়িঘর থেকে কম বের হচ্ছে। যে কারণে দিনের বেশিরভাগ সময় যাত্রী সংখ্যা হাতেগোনা। শুধু সকালের দিকে কিছু যাত্রী পাওয়া যাচ্ছে।
এম এ কুদ্দুছ