‘
-প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক
গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকীতে আমরা তার জীবন, রাজনৈতিক দর্শন ও তার উত্তরসূরি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাদাসিধে জীবন যাপন এবং গত তিন মাসে তার যে অ্যাপ্রোচ সেটা আশা করি যে- আমরা যারা একসাথে রাজনীতি করি তারা যদি ধারণ করতে পারি ইনশাহ আল্লাহ আগামীতে এই দেশকে আমরা অনেক দূর নিয়ে যেতে পারবো।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমার দলের নাম ভাঙ্গাইয়া, আমার পাওয়ার দেখাইয়া কেউ ঘর দখল করবে, জমি দখল করবে, চাঁদাবাজি করবে এটা আমি বরদাস্ত করবো না। কিছুদিন আগে গলাচিপায় কয়েকজন ছেলে মোটরসাইকেলে চড়ে লিফলেট বিতরণ করেছে এবং দশমিনায় ভোর রাতে একটি মিছিল করেছে। তোমরা এলাকার লোক আছো, এটা আমি বলি এখানে বিএনপি, গণঅধিকার পরিষদের নেতৃবৃন্দ এবং আমার কারণে শান্তিতে আছো। অন্য এলাকায় গেলে বুঝতা। অন্য এলাকায় অনেকে ঘর-বাড়িতেও থাকতে পারছে না। আমরা বলছি এই এলাকায় আমরা একটা রাজনৈতিক, সামাজিক সম্প্রীতির পরিবেশ চাই। সারা বাংলাদেশে যেটা হয়না, এইখানে যদি তারা উৎপাত করে তবে তাদের বিপদ তারা নিজেরাই ডেকে আনবে, তাহলে আমাদের করার কিছুই থাকবেনা।’
নুরুল হক বলেন, ‘বাংলাদেশের বর্তমান বাস্তবতায় আওয়ামী লীগ রাজনীতিতে ব্যাক করার সুযোগ এবং সম্ভাবনা দেখিনা। কারণ বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি, অন্যান্য ইসলামী দল রাজনৈতিকভাবে আমাদের মধ্যে মতপার্থক্যআছে,সমালোচনা আছে ,আলাপ-আলোচনা আছে কিন্তু আওয়ামী লীগের প্রশ্নে সবাই দাঁড়াইয়া যায়। আওয়ামী লীগের প্রশ্নে কেউ ছাড় দেবেনা। আওয়ামী লীগ বাংলাদেশে যদি আবার সুযোগ পায়, তাহলে দেশটাকে নরক বানিয়ে ফেলবে। এটা কিন্তু আমার কথা না। অন্যান্য দলের সঙ্গে যখন আলাপ করতে যাই, তারা বলে ভাই ঠিক আছে সরকারের সাথে আমাদের বিরোধ আছে। আমরা বিরোধী দল করি, আলাপ-আলোচনা থাকবে, ঝামেলা হবে কিন্তু ফ্যাসিস্টের প্রশ্নে আমরা সবাই এক।’
শনিবার সকালে পটুয়াখালীর গলাচিপায় উপজেলা বিএনপির আয়োজনে দলীয় কার্যালয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
উপজেলা বিএনপির আহবায়ক আলহাজ্ব গোলাম মোস্তফার সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব মো. আলতাব খানের সঞ্চালনায় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সোহরাব মিয়া, পৌর বিএনপির আহবায়ক মো. রফিকুল ইসলাম খান, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ বাহাউদ্দিন বাহার, জেলা যুবদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব শিপলু খান, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সহ সভাপতি ইখতিয়ার রহমান কবির, উপজেলা গণঅধিকার পরিষদের আহবায়ক মো. হাফিজুর রহমান প্রমুখ।