নিজস্ব প্রতিবেদক
মানিকগঞ্জের শিবালয় থানার পিজিসিবি এর অধীনে পরিচালিত একটি এয়ার ইনসুলেটেড সুইজার প্রজেক্টের প্রায় ৫৮ লক্ষ টাকার মালামাল ডাকাতির ঘটনায় তদন্তে প্রাপ্ত ০১ জন আসামি’কে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১০
র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) ডাকাতি, চাঁদাবাজি, হত্যা, ছিনতাই, অপহরণ ও প্রতারণাসহ বিভিন্ন অপরাধের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেফতার করে সাধারণ জনগণের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। একই সঙ্গে বিপুল পরিমাণ অবৈধ অস্ত্র, গোলাবারুদ ও মাদক উদ্ধার করে র্যাব দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রশংসনীয় অবদান রেখেছে।
মানিকগঞ্জ জেলার শিবালয় থানাধীন বরংগাইল এলাকায় ঢাকা আরিচা মহাসড়কের পাশে অবস্থিত পাওয়ার গ্রিড অব বাংলাদেশ (পিজিসিবি) এর অধীনে পরিচালিত একটি এয়ার ইনসুলেটেড সুইজার (এআইএস) প্রজেক্ট হতে গত ০৮/১২/২০২৫ তারিখ রাত অনুমান ১৯.৩০ ঘটিকায় ২৫/৩০ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি সিকিউরিটি গার্ডকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে ভয় দেখিয়ে হাত-পা বেঁধে মারধর করে প্রায় ৫৮,৩০,০০০/- (আটান্ন লক্ষ ত্রিশ হাজার টাকা) মূল্যমানের বৈদ্যুতিক তারসহ বিভিন্ন যন্ত্রপাতি লুট করে নিয়ে যায় এবং প্রজেক্টের ভিতরে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ভাংচুর করে। উক্ত ঘটনায় প্রজেক্টে কর্মরত সেফটি ম্যানেজার মো: ইমতিয়াজ খান বাদী হয়ে গত ০৯/১২/২০২৫ তারিখ অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মানিকগঞ্জ জেলার শিবালয় থানায় একটি এজাহার দায়ের করলে শিবালয় থানার মামলা নং- ০৬, তারিখ- ০৯/১২/২০২৫ খ্রি.,ধারা- ৩৯৫/৩৯৭ পেনাল কোড ১৮৬০ রুজু হয়। উক্ত মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কর্তৃক প্রেরিত অধিযাচন পত্রের ভিত্তিতে আসামিদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে র্যাব-১০ গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করে।
এরই ধারাবাহিকতায় র্যাব-১০, সদর কোম্পানির একটি আভিযানিক টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এবং তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় অদ্য ২৩/০৫/২০২৬ তারিখ সময় অনুমান রাত ২১:০০ ঘটিকায় ডিএমপি, ঢাকার শ্যামপুর থানাধীন জুরাইন বালুর মাঠ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ডাকাত দলের ০১ জন সদস্যকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারকৃত আসমির নাম ১। মো: সাব্বির খান ঈশান (২৫), পিতা- মো: আমজাদ হোসেন, সাং- ঘোষকান্দা, থানা- দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ, জেলা- ঢাকা বলে জানা যায়।
গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন। র্যাব-১০ এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে আসছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে র্যাব সর্বদা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।
মানিকগঞ্জের শিবালয় থানার পিজিসিবি এর অধীনে পরিচালিত একটি এয়ার ইনসুলেটেড সুইজার প্রজেক্টের প্রায় ৫৮ লক্ষ টাকার মালামাল ডাকাতির ঘটনায় তদন্তে প্রাপ্ত ০১ জন আসামি’কে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১০
র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) ডাকাতি, চাঁদাবাজি, হত্যা, ছিনতাই, অপহরণ ও প্রতারণাসহ বিভিন্ন অপরাধের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেফতার করে সাধারণ জনগণের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। একই সঙ্গে বিপুল পরিমাণ অবৈধ অস্ত্র, গোলাবারুদ ও মাদক উদ্ধার করে র্যাব দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রশংসনীয় অবদান রেখেছে।
মানিকগঞ্জ জেলার শিবালয় থানাধীন বরংগাইল এলাকায় ঢাকা আরিচা মহাসড়কের পাশে অবস্থিত পাওয়ার গ্রিড অব বাংলাদেশ (পিজিসিবি) এর অধীনে পরিচালিত একটি এয়ার ইনসুলেটেড সুইজার (এআইএস) প্রজেক্ট হতে গত ০৮/১২/২০২৫ তারিখ রাত অনুমান ১৯.৩০ ঘটিকায় ২৫/৩০ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি সিকিউরিটি গার্ডকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে ভয় দেখিয়ে হাত-পা বেঁধে মারধর করে প্রায় ৫৮,৩০,০০০/- (আটান্ন লক্ষ ত্রিশ হাজার টাকা) মূল্যমানের বৈদ্যুতিক তারসহ বিভিন্ন যন্ত্রপাতি লুট করে নিয়ে যায় এবং প্রজেক্টের ভিতরে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ভাংচুর করে। উক্ত ঘটনায় প্রজেক্টে কর্মরত সেফটি ম্যানেজার মো: ইমতিয়াজ খান বাদী হয়ে গত ০৯/১২/২০২৫ তারিখ অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মানিকগঞ্জ জেলার শিবালয় থানায় একটি এজাহার দায়ের করলে শিবালয় থানার মামলা নং- ০৬, তারিখ- ০৯/১২/২০২৫ খ্রি.,ধারা- ৩৯৫/৩৯৭ পেনাল কোড ১৮৬০ রুজু হয়। উক্ত মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কর্তৃক প্রেরিত অধিযাচন পত্রের ভিত্তিতে আসামিদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে র্যাব-১০ গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করে।
এরই ধারাবাহিকতায় র্যাব-১০, সদর কোম্পানির একটি আভিযানিক টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এবং তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় অদ্য ২৩/০৫/২০২৬ তারিখ সময় অনুমান রাত ২১:০০ ঘটিকায় ডিএমপি, ঢাকার শ্যামপুর থানাধীন জুরাইন বালুর মাঠ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ডাকাত দলের ০১ জন সদস্যকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারকৃত আসমির নাম ১। মো: সাব্বির খান ঈশান (২৫), পিতা- মো: আমজাদ হোসেন, সাং- ঘোষকান্দা, থানা- দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ, জেলা- ঢাকা বলে জানা যায়।
গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন। র্যাব-১০ এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে আসছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে র্যাব সর্বদা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।