কুড়িগ্রামের উলিপুরে ভুল চিকিৎসায় প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ

আপলোড সময় : ২২-০৫-২০২৬ ০৬:০৩:৩২ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২২-০৫-২০২৬ ০৬:০৩:৩২ অপরাহ্ন
 
আনোয়ার সাঈদ তিতু, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:-
 
 
কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ‘উলিপুর আধুনিক ডায়াগনস্টিক সেন্টার অ্যান্ড হাসপাতালে’ চিকিৎসকদের অবহেলা ও ভুল চিকিৎসায় মোছাঃ নূরানী বেগম (৩৫) নামে এক প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগে উঠেছে। এ ঘটনা নিয়ে এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
 
বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকাল ৭টার দিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
 
নিহত নূরানী বেগম কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার বজরা ইউনিয়নের খামারদামারহাট এলাকার মোঃ মশিউর রহমানের স্ত্রী। তিনি এক সন্তানের জননী ছিলেন।
 
স্বজনদের অভিযোগ, প্রসব বেদনা উঠলে নূরানী বেগমকে উলিপুর আধুনিক ডায়াগনস্টিক সেন্টার অ্যান্ড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসকরা সিজারিয়ান অপারেশনের সিদ্ধান্ত নেন। অপারেশনের সময় চিকিৎসকদের অসাবধানতা ও ভুল চিকিৎসার কারণে তার জরায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ শুরু হয়। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে গভীর রাতে তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
 
পরিবারের সদস্যরা দাবি করেন, রোগীর অবস্থা সংকটাপন্ন হয়ে পড়লেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গোপন রাখার চেষ্টা করে। পরে বুধবার দিবাগত রাত ১টার দিকে তাকে রংপুর মেডিকেলে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার সকালে তার মৃত্যু হয়।
 
এ ঘটনায় দায়িত্বরত চিকিৎসক মোঃ আতা এলাহী সোহাগ ও ডাঃ নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তুলেছেন নিহতের স্বজনরা।
 
নূরানীর ভাতিজা মোঃ নুর আলম বলেন, চাচিকে ক্লিনিকে নেওয়ার পর গাইনি চিকিৎসক বলেছিলেন, প্রেসার বেশি থাকায় তখন সিজার করা সম্ভব নয়। কিন্তু ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ জোর করে বুধবার রাতে অপারেশন করায়। পরে অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত রংপুর মেডিকেলে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
 
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অপারেশনকারী চিকিৎসক মোঃ আতা এলাহী সোহাগ। তিনি বলেন, রোগীর জরায়ু আগে থেকেই ফাটা ছিল এবং নিচের অংশ ফুলে গিয়েছিল। এতে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়। পরে স্বজনরা সময়মতো রক্ত সরবরাহ করতে পারেননি। এজন্য তাকে রংপুর মেডিকেলে রেফার করা হয়। চিকিৎসায় কোনো গাফিলতি হয়নি।
 
এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম জেলার সিভিল সার্জন ডাঃ স্বপন কুমার বিশ্বাস বলেন, বিষয়টি জেনেছি। অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স দশম তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]