কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে এক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৫ শিক্ষার্থীর জন্য ৩ শিক্ষক

আপলোড সময় : ২১-০৫-২০২৬ ১০:৪৯:৩৭ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২১-০৫-২০২৬ ১০:৪৯:৩৭ অপরাহ্ন
 
 
আনোয়ার সাঈদ তিতু, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:-
 
কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী উপজেলায় মাত্র পাঁচ শিক্ষার্থী নিয়ে চলছে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। অথচ সেখানে কর্মরত আছেন তিনজন শিক্ষক। শিক্ষার্থী উপস্থিতি ও হাজিরা খাতা নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন।
 
কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী উপজেরার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের কুরুষা ফেরুষা খন্দকারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এমন দৃশ্য দেখা গেছে।
 
বুধবার (২১ মে) সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, প্রাক-প্রাথমিকের পাঁচ শিক্ষার্থীকে পাঠদান করছেন একজন শিক্ষক। অন্য শ্রেণিকক্ষগুলো ছিল বন্ধ। বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় তলার গেটেও ধুলাবালি জমে থাকতে দেখা যায়। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে সেটি খোলা হয় না।
 
বিদ্যালয়ে যাওয়ার কোনো সড়ক নেই। পাশের বাড়ির উঠান দিয়ে যাতায়াত করতে হয়। মাঠে স্থানীয়রা ধান শুকানো ও ভুট্টা মাড়াই করছিলেন। পুরোনো ভবনের একটি কক্ষে রাখা হয়েছে ভুট্টা।
 
সহকারী শিক্ষিকা মোছাঃ নুর নাহার বেগম বলেন, ‘আশপাশে কিন্ডারগার্টেন ও হাফেজি মাদরাসা গড়ে ওঠায় শিক্ষার্থী কমে গেছে। প্রতিদিন গড়ে পাঁচ-ছয়জন শিক্ষার্থী আসে।’
 
তবে প্রধান শিক্ষক মোঃ মিলন ইসলাম দাবি করেন, বিদ্যালয়ে বর্তমানে ৫৬ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। কিন্তু দাপ্তরিক নথিতে পাওয়া গেছে ৩৪ জনের নাম। হাজিরা খাতায় বিভিন্ন শ্রেণিতে শিক্ষার্থীর উপস্থিতি দেখানো হলেও সরেজমিন অন্য কোনো শ্রেণিতে শিক্ষার্থী পাওয়া যায়নি।
 
স্থানীয়দের অভিযোগ, পাঠদানের মান খারাপ ও যোগাযোগব্যবস্থা দুর্বল হওয়ায় অভিভাবকরা সন্তানদের অন্য বিদ্যালয়ে পাঠাচ্ছেন।
 
ওই ক্লাস্টারের দায়িত্বে থাকা ফুলবাড়ী উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ ইসহাক আলী বলেন, ‘শিক্ষার্থী সংখ্যা ২০ জনের নিচে নেমে গেলে নীতিমালা অনুযায়ী পাশের বিদ্যালয়ে স্থানান্তরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠান বন্ধের বিষয়টি বিবেচনা করা হয়। বিদ্যালয়টির ক্ষেত্রেও সেটি হতে পারে।’

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স দশম তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]