নিজস্ব প্রতিবেদক:
নাইক্ষ্যংছড়িতে চাকঢালা মহিউচ্ছুন্নাহ দাখিল মাদ্রাসা ভারপ্রাপ্ত সুপারের বিরুদ্ধে পুঃভবন মেরামত ৫ লাখ টাকা সহ সর্বমোট ১১লাখ২৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ তুলেছেন সচেতন মহল
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা সদর চাকঢালা মহিউচ্ছুন্নাহ দাখিল মাদ্রাসা ভারপ্রাপ্ত সুপারের বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়। সভাপতি, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, উপজেলা শিক্ষা অফিসারসহ বিভিন্ন মহলে অভিযোগ দিয়েও প্রতিকার না পাওয়ায় ০৫/০৪/২০২৬ জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগ করে তদন্ত পূর্বব সুরাহার অপেক্ষা করছেন বলে জানান স্থানীয় মানুষ।
মাদ্রাসায় নিয়মিত ম্যানেজিং কমিটি না করাঃ
প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অভিযোগ, মাদ্রাসায় নিয়মিত ম্যানেজিং কমিটি না থাকায় একাডেমিক কার্যক্রম ও শিক্ষা কার্যাক্রম হ-য-ব-র-ল অবস্থায় রয়েছে। যার ফলে আমাদের কোমলমতি শিক্ষার্থী দিন দিন পড়া-লেখায় পিছিয়ে যাচ্ছে।বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা এর স্মারক নং-বামাশিবো/প্রশা/231251031331/111809/नधि নং-02, তারিখ: ০৯-০৭-২০২৫ খ্রিঃ এর প্রজ্ঞাপন মূলে অত্র মাদ্রাসার এডহক কমিটি অনুমোদন করা হয়। উক্ত প্রজ্ঞাপনের বিশেষ দ্রষ্টব্যের খ. নং এ উল্লেখ আছে- বর্তমান এডহক কমিটির সময়সীমার মধ্যে বিধি মোতাবেক অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিয়মিত কমিটি গঠন করতে হবে। কিন্তু এর কোন অগ্রগতি পরিলক্ষিত হচ্ছে না বলে জানা যায়। বারবার একই ব্যক্তিবর্গকে কমিটির সদস্য করে অ্যাডহক কমিটিই পুনরাবৃত্তি করা হয় এবং পরপর দুইবার কমিটি গঠনের পরেও এখনও পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের ব্যবস্থা না নেওয়ায় পরবর্তীতে জটিলতা সৃষ্টির শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
সময়মতো উপস্থিত না হওয়া ও ক্লাস ফাঁকিঃ
অধিকাংশ শিক্ষক নির্দিষ্ট সময়ের অনেক পরে মাদ্রাসায় আসে এবং মাদ্রাসা ছুটি হওয়ার অনেক আগেই চলে যায়। শিক্ষক-কর্মচারীগণের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত উপস্থিতি শতভাগ নিশ্চিত করার নিমিত্তে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড এর স্মারক নম্বর: ৫৭.১৬,০০০০,০০৯.১৬,০০০২,২২.২৮০, তারিখ: ০৭ এপ্রিল ২০২৫ খ্রিঃ মূলে বায়োমেট্রিক হাজিরা মেশিন ক্রয় ও কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীগণের নিয়মিত হাজিরা নিশ্চিতকরণ প্রসঙ্গে বলা হলেও অদ্যাবধি অত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। অভিযোগে উল্লেখ করা হয় এমনও শিক্ষক/শিক্ষিকাও রয়েছে যে, সপ্তাহে ০২ (দুই) দিন উপস্থিত হয়ে হাজিরা খাতায় ০৫ (পাঁচ) দিনের স্বাক্ষর করে যাহা দায়িত্ব অবহেলার শামিল বলে মনে করছেন তারা।
অর্থ আত্মসাৎঃ
ভারপ্রাপ্ত সুপার সরকার কর্তৃক প্রদত্ত শিক্ষকদের স্টাইপেনের টাকা অগ্রণী ব্যাংক, কক্সবাজার শাখা, হিসাব নং- (০২০০০০৯৪১২৮৭২) হতে উত্তোলণ করেছেন গত ১৯/০৬/২০২৩ খ্রিঃ তারিখে ৩,০০০০০ টাকা ও ০৫/০৮/২০২৩ খ্রিঃ তারিখে ১,২৫০০০ টাকা, যা বিতরন করা হয় গত ১১/১১/২০২৫ খ্রিঃ তারিখে, ফুল বাগান করার নামে ভাউচার করে আনুমানিক ২,০০,০০০ টাকা, পুরাতন ভবন মেরামতের জন্য সরকার কর্তৃক বরাদ্দকৃত ৫,০০,০০০ টাকা সহ সর্বমোট ১১,২৫,০০০ টাকা বিভিন্নভাবে আত্মসাৎ করার অভিযোগ তুলেছেন অভিভাবক ও সচেতন মহল।
অতিরিক্ত ফি আদায়ঃ
গত ১৯-১১-২০২৫ খ্রিঃ তারিখে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এর বেসকারি মাধ্যমিক-১ শাখা থেকে ২০২৬ সালের শিক্ষার্থীর ভর্তি নীতিমালা জারি করে। নীতিমালা অনুযায়ী মফস্বল এলাকায় সেশন চার্জসহ ভর্তি ফি সর্বসাকুল্যে ৫০০/- টাকা করা হলেও উক্ত প্রতিষ্টানের ভারপ্রাপ্ত সুপার জনাব মোঃ জাহাঙ্গীর আলম (কৃষি) নীতিমালা উপেক্ষা করে নৈশ প্রহরী জনাব মোঃ জাহাঙ্গীর আলম এর যোগসাজে ৯০০/- টাকা করে আদায় করছে।
রাষ্ট্রীয় দিবস পালনে চরম অবহেলাঃ
গত ৩০-১২-২০২৫খ্রিঃ তারিখে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সকারের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুম বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ৩১-১২-২০২৫খ্রিঃ তারিখ হতে ০২-০১-২০২৬ খ্রিঃ তারিখ পর্যন্ত রাষ্ট্রীয়ভাবে তিনদিনের শোক পালনের ঘোষণা করে। কিন্তু অত্র শিক্ষা প্রতিষ্টানে জাতীয় পতাকা অর্ধনির্মিত সহ কোন কর্মসূচি পালন করে নাই।
এছাড়াও গত ১৮-১২-২০২৫ খ্রিঃ তারিখে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ২০-১২-২০২৫খ্রিঃ তারিখে রাষ্ট্রীয়ভাবে একদিনের শোক পালনের ঘোষণা করে। কিছু অত্র শিক্ষা প্রতিষ্টানে জাতীয় পতাকা অর্ধনির্মিত সহ কোন কর্মসূচি পালন না করা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন প্রাক্তন শিক্ষার্থী পরিষদ।
বিবিধ অভিযোগঃ
জানা যায়, দীর্ঘদিন যাবৎ কোন প্রকার অভিবাভক সমাবেশ না কর, স্থাবর-অস্থাবর আয়-ব্যয় এর কোন প্রকার হিসাব না রাখা, পাঠ-দানের ক্ষেত্রে গাফিলাতি, দলাদলীর কারণে শিক্ষার্থীদের ফলাফল উল্লেখযোগ্য হারে বিপর্যয়, নৈশ প্রহরীকে কেরাণির কাজ করানো, শিক্ষার্থী দিয়ে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করানো, মাদ্রাসার ক্যাম্পাসে স্বজনপ্রিতিমূলক দোকান ভাড়া দিয়ে ঘুষ নেওয়া, ইভটিজিং বন্ধে পদক্ষেপ না নেওয়ায় দিদারুল আলম এর হত্যাকান্ড, ক্লাস রুমে সিসি ক্যামরা ব্যবহার না করে অফিস কিংবা অনত্রে ব্যবহার করা, দায়িত্ব অবহেলা, মাদ্রাসার করা গাছ বাগান ছেড়ে দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা মাদ্রাসার ক্ষতি করা সহ রয়েছে নানা অভিযোগ।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বর্তমান এরকম কমিটির সভাপতি কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মাহমুদুল হাসান বলেন,
আমি সভাপতি হতে চাইনি, জাহাঙ্গীর সাহেব আমাকে করেছেন, অভিযোগের বিষয়ে তিনিই ভালো জানবেন।
জানতে চাইলে অভিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত সুপার জাহাঙ্গীর আলম মোবাইল ফোনে কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।
অভিযোগের বিষয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার এনামুল হাসান বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নই। জেনে পরবর্তীতে জানাতে পারব।
সনদ যাচাইয়ের দাবীঃ
বর্তমান সুপার (ভারপ্রাপ্ত) জাহাঙ্গীর গত ২৩-১০-২০২৫ খ্রিঃ তারিখে মাদ্রাসার প্যাডে সকল শিক্ষক/কর্মচারী ও ছাত্র/ছাত্র দের অবহিত করে একটি নোটিশ জারি করে। সেটি ফেসবুকে পোষ্ট করলে মুহূর্তে নোটিশে লেখার বানান নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠে। যেখানে ১০/১৫টি শব্দের বানানে ভুল রয়েছে। একজন প্রতিষ্ঠান প্রধানের দায়িত্বে থেকে এরকম ভুল আসে তাহলে তিনিসহ অন্যান্য শিক্ষকগণ ছাত্র/ছাত্রীদেরকে কিভাবে পড়া-লেখা করাচ্ছে, সে বিষয়ে অভিভাবকগণ খুবই উদ্বিগ্ন ও লজ্জিত দাবী করে তাঁর সকল একাডেমিক সার্টিফিকেট চেক করা সহ তাঁকে জবাবদিহির আওতায় আনার জন্য জোর দাবি জানান অভিভাবকরা।
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা সদর চাকঢালা মহিউচ্ছুন্নাহ দাখিল মাদ্রাসা ভারপ্রাপ্ত সুপারের বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়। সভাপতি, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, উপজেলা শিক্ষা অফিসারসহ বিভিন্ন মহলে অভিযোগ দিয়েও প্রতিকার না পাওয়ায় ০৫/০৪/২০২৬ জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগ করে তদন্ত পূর্বব সুরাহার অপেক্ষা করছেন বলে জানান স্থানীয় মানুষ।
মাদ্রাসায় নিয়মিত ম্যানেজিং কমিটি না করাঃ
প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অভিযোগ, মাদ্রাসায় নিয়মিত ম্যানেজিং কমিটি না থাকায় একাডেমিক কার্যক্রম ও শিক্ষা কার্যাক্রম হ-য-ব-র-ল অবস্থায় রয়েছে। যার ফলে আমাদের কোমলমতি শিক্ষার্থী দিন দিন পড়া-লেখায় পিছিয়ে যাচ্ছে।বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা এর স্মারক নং-বামাশিবো/প্রশা/231251031331/111809/नधि নং-02, তারিখ: ০৯-০৭-২০২৫ খ্রিঃ এর প্রজ্ঞাপন মূলে অত্র মাদ্রাসার এডহক কমিটি অনুমোদন করা হয়। উক্ত প্রজ্ঞাপনের বিশেষ দ্রষ্টব্যের খ. নং এ উল্লেখ আছে- বর্তমান এডহক কমিটির সময়সীমার মধ্যে বিধি মোতাবেক অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিয়মিত কমিটি গঠন করতে হবে। কিন্তু এর কোন অগ্রগতি পরিলক্ষিত হচ্ছে না বলে জানা যায়। বারবার একই ব্যক্তিবর্গকে কমিটির সদস্য করে অ্যাডহক কমিটিই পুনরাবৃত্তি করা হয় এবং পরপর দুইবার কমিটি গঠনের পরেও এখনও পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের ব্যবস্থা না নেওয়ায় পরবর্তীতে জটিলতা সৃষ্টির শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
সময়মতো উপস্থিত না হওয়া ও ক্লাস ফাঁকিঃ
অধিকাংশ শিক্ষক নির্দিষ্ট সময়ের অনেক পরে মাদ্রাসায় আসে এবং মাদ্রাসা ছুটি হওয়ার অনেক আগেই চলে যায়। শিক্ষক-কর্মচারীগণের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত উপস্থিতি শতভাগ নিশ্চিত করার নিমিত্তে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড এর স্মারক নম্বর: ৫৭.১৬,০০০০,০০৯.১৬,০০০২,২২.২৮০, তারিখ: ০৭ এপ্রিল ২০২৫ খ্রিঃ মূলে বায়োমেট্রিক হাজিরা মেশিন ক্রয় ও কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীগণের নিয়মিত হাজিরা নিশ্চিতকরণ প্রসঙ্গে বলা হলেও অদ্যাবধি অত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। অভিযোগে উল্লেখ করা হয় এমনও শিক্ষক/শিক্ষিকাও রয়েছে যে, সপ্তাহে ০২ (দুই) দিন উপস্থিত হয়ে হাজিরা খাতায় ০৫ (পাঁচ) দিনের স্বাক্ষর করে যাহা দায়িত্ব অবহেলার শামিল বলে মনে করছেন তারা।
অর্থ আত্মসাৎঃ
ভারপ্রাপ্ত সুপার সরকার কর্তৃক প্রদত্ত শিক্ষকদের স্টাইপেনের টাকা অগ্রণী ব্যাংক, কক্সবাজার শাখা, হিসাব নং- (০২০০০০৯৪১২৮৭২) হতে উত্তোলণ করেছেন গত ১৯/০৬/২০২৩ খ্রিঃ তারিখে ৩,০০০০০ টাকা ও ০৫/০৮/২০২৩ খ্রিঃ তারিখে ১,২৫০০০ টাকা, যা বিতরন করা হয় গত ১১/১১/২০২৫ খ্রিঃ তারিখে, ফুল বাগান করার নামে ভাউচার করে আনুমানিক ২,০০,০০০ টাকা, পুরাতন ভবন মেরামতের জন্য সরকার কর্তৃক বরাদ্দকৃত ৫,০০,০০০ টাকা সহ সর্বমোট ১১,২৫,০০০ টাকা বিভিন্নভাবে আত্মসাৎ করার অভিযোগ তুলেছেন অভিভাবক ও সচেতন মহল।
অতিরিক্ত ফি আদায়ঃ
গত ১৯-১১-২০২৫ খ্রিঃ তারিখে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এর বেসকারি মাধ্যমিক-১ শাখা থেকে ২০২৬ সালের শিক্ষার্থীর ভর্তি নীতিমালা জারি করে। নীতিমালা অনুযায়ী মফস্বল এলাকায় সেশন চার্জসহ ভর্তি ফি সর্বসাকুল্যে ৫০০/- টাকা করা হলেও উক্ত প্রতিষ্টানের ভারপ্রাপ্ত সুপার জনাব মোঃ জাহাঙ্গীর আলম (কৃষি) নীতিমালা উপেক্ষা করে নৈশ প্রহরী জনাব মোঃ জাহাঙ্গীর আলম এর যোগসাজে ৯০০/- টাকা করে আদায় করছে।
রাষ্ট্রীয় দিবস পালনে চরম অবহেলাঃ
গত ৩০-১২-২০২৫খ্রিঃ তারিখে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সকারের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুম বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ৩১-১২-২০২৫খ্রিঃ তারিখ হতে ০২-০১-২০২৬ খ্রিঃ তারিখ পর্যন্ত রাষ্ট্রীয়ভাবে তিনদিনের শোক পালনের ঘোষণা করে। কিন্তু অত্র শিক্ষা প্রতিষ্টানে জাতীয় পতাকা অর্ধনির্মিত সহ কোন কর্মসূচি পালন করে নাই।
এছাড়াও গত ১৮-১২-২০২৫ খ্রিঃ তারিখে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ২০-১২-২০২৫খ্রিঃ তারিখে রাষ্ট্রীয়ভাবে একদিনের শোক পালনের ঘোষণা করে। কিছু অত্র শিক্ষা প্রতিষ্টানে জাতীয় পতাকা অর্ধনির্মিত সহ কোন কর্মসূচি পালন না করা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন প্রাক্তন শিক্ষার্থী পরিষদ।
বিবিধ অভিযোগঃ
জানা যায়, দীর্ঘদিন যাবৎ কোন প্রকার অভিবাভক সমাবেশ না কর, স্থাবর-অস্থাবর আয়-ব্যয় এর কোন প্রকার হিসাব না রাখা, পাঠ-দানের ক্ষেত্রে গাফিলাতি, দলাদলীর কারণে শিক্ষার্থীদের ফলাফল উল্লেখযোগ্য হারে বিপর্যয়, নৈশ প্রহরীকে কেরাণির কাজ করানো, শিক্ষার্থী দিয়ে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করানো, মাদ্রাসার ক্যাম্পাসে স্বজনপ্রিতিমূলক দোকান ভাড়া দিয়ে ঘুষ নেওয়া, ইভটিজিং বন্ধে পদক্ষেপ না নেওয়ায় দিদারুল আলম এর হত্যাকান্ড, ক্লাস রুমে সিসি ক্যামরা ব্যবহার না করে অফিস কিংবা অনত্রে ব্যবহার করা, দায়িত্ব অবহেলা, মাদ্রাসার করা গাছ বাগান ছেড়ে দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা মাদ্রাসার ক্ষতি করা সহ রয়েছে নানা অভিযোগ।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বর্তমান এরকম কমিটির সভাপতি কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মাহমুদুল হাসান বলেন,
আমি সভাপতি হতে চাইনি, জাহাঙ্গীর সাহেব আমাকে করেছেন, অভিযোগের বিষয়ে তিনিই ভালো জানবেন।
জানতে চাইলে অভিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত সুপার জাহাঙ্গীর আলম মোবাইল ফোনে কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।
অভিযোগের বিষয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার এনামুল হাসান বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নই। জেনে পরবর্তীতে জানাতে পারব।
সনদ যাচাইয়ের দাবীঃ
বর্তমান সুপার (ভারপ্রাপ্ত) জাহাঙ্গীর গত ২৩-১০-২০২৫ খ্রিঃ তারিখে মাদ্রাসার প্যাডে সকল শিক্ষক/কর্মচারী ও ছাত্র/ছাত্র দের অবহিত করে একটি নোটিশ জারি করে। সেটি ফেসবুকে পোষ্ট করলে মুহূর্তে নোটিশে লেখার বানান নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠে। যেখানে ১০/১৫টি শব্দের বানানে ভুল রয়েছে। একজন প্রতিষ্ঠান প্রধানের দায়িত্বে থেকে এরকম ভুল আসে তাহলে তিনিসহ অন্যান্য শিক্ষকগণ ছাত্র/ছাত্রীদেরকে কিভাবে পড়া-লেখা করাচ্ছে, সে বিষয়ে অভিভাবকগণ খুবই উদ্বিগ্ন ও লজ্জিত দাবী করে তাঁর সকল একাডেমিক সার্টিফিকেট চেক করা সহ তাঁকে জবাবদিহির আওতায় আনার জন্য জোর দাবি জানান অভিভাবকরা।