নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজধানীর মুগদা-মানিকনগর এলাকার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে যুবদলের পরিচয় ব্যবহার করে মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের অভিযোগ উঠেছে সেলিম ওরফে “সিএনজি সেলিম” এবং মোহাম্মদ ফারুক ওরফে “মাছ ফারুক”-এর বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের দাবি, রাজনৈতিক পরিচয় ও প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, ৫ আগস্টের পর থেকে মুগদা-মানিকনগর এলাকায় মাদক ব্যবসা আরও বেপরোয়া আকার ধারণ করেছে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, যুবদলের পরিচয়দানকারী সেলিম ওরফে সিএনজি সেলিম প্রকাশ্যে এলাকায় ঘোরাফেরা করে মাদক কারবার নিয়ন্ত্রণ করছেন। প্রতিদিন সন্ধ্যার পর মানিকনগরের অলিগলিতে তাকে কয়েকজন সহযোগী নিয়ে মহড়া দিতে দেখা যায় বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এলাকাবাসীর দাবি, এসব মহড়ার আড়ালে চলে মাদক বিক্রির টাকা সংগ্রহ ও নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার কার্যক্রম। বিশেষ করে মান্ডা প্রথম গলি, মোজাম্মেল মিয়ার বাড়ি এলাকা থেকে পাকা রাস্তার মোড় পর্যন্ত মাদক লেনদেন বেশি সক্রিয় বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, “বুদ্দা” নামে পরিচিত এক ব্যক্তির মাধ্যমে মাদক বিক্রি পরিচালিত হয় এবং তার পেছনে সেলিমের প্রভাব রয়েছে।
এদিকে মোহাম্মদ ফারুক ওরফে “মাছ ফারুক”-এর বিরুদ্ধেও বিস্তর অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা। অভিযোগ রয়েছে, রাস্তার দুই পাশে অবৈধ দোকান বসিয়ে প্রতিদিন চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, প্রায় ১০০টির বেশি অস্থায়ী দোকান থেকে প্রতিদিন ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা করে চাঁদা তোলা হয়, যার পরিমাণ দৈনিক প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বিশ্বরোড, চান্দা গলি, কুমিল্লা পট্টি, আনন্দধারা ওয়াসা রোড, বসুন্ধরা গলি ও বালুর মাঠ এলাকায় গড়ে উঠেছে একাধিক মাদকের স্পট। সেখানে প্রকাশ্যে ইয়াবা, গাঁজা ও অন্যান্য মাদক বিক্রি হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব কর্মকাণ্ডের পেছনে একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট কাজ করছে বলে দাবি করেন স্থানীয়রা।
এলাকাবাসীর আরও অভিযোগ, কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি ও নামধারী সাংবাদিক অভিযুক্তদের পক্ষে তদবির করেন। পুলিশ কোনো আসামিকে আটক করলে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, আগে মাছ ব্যবসার আড়ালে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করলেও বর্তমানে মাছ ফারুক রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে নতুনভাবে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতার সঙ্গে ছবি তুলে এলাকায় আধিপত্য বজায় রাখার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
অন্যদিকে রাস্তার দুই পাশে অবৈধ দোকান বসানোর কারণে মুগদা-মান্ডা-মানিকনগর এলাকায় তীব্র যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়ছেন বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য জানতে চেষ্টা করা হলেও তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তবে স্থানীয় থানা পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং সত্যতা পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, প্রশাসন দ্রুত কার্যকর অভিযান পরিচালনা করে মাদক ও চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ নেবে এবং এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে
রাজধানীর মুগদা-মানিকনগর এলাকার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে যুবদলের পরিচয় ব্যবহার করে মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের অভিযোগ উঠেছে সেলিম ওরফে “সিএনজি সেলিম” এবং মোহাম্মদ ফারুক ওরফে “মাছ ফারুক”-এর বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের দাবি, রাজনৈতিক পরিচয় ও প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, ৫ আগস্টের পর থেকে মুগদা-মানিকনগর এলাকায় মাদক ব্যবসা আরও বেপরোয়া আকার ধারণ করেছে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, যুবদলের পরিচয়দানকারী সেলিম ওরফে সিএনজি সেলিম প্রকাশ্যে এলাকায় ঘোরাফেরা করে মাদক কারবার নিয়ন্ত্রণ করছেন। প্রতিদিন সন্ধ্যার পর মানিকনগরের অলিগলিতে তাকে কয়েকজন সহযোগী নিয়ে মহড়া দিতে দেখা যায় বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এলাকাবাসীর দাবি, এসব মহড়ার আড়ালে চলে মাদক বিক্রির টাকা সংগ্রহ ও নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার কার্যক্রম। বিশেষ করে মান্ডা প্রথম গলি, মোজাম্মেল মিয়ার বাড়ি এলাকা থেকে পাকা রাস্তার মোড় পর্যন্ত মাদক লেনদেন বেশি সক্রিয় বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, “বুদ্দা” নামে পরিচিত এক ব্যক্তির মাধ্যমে মাদক বিক্রি পরিচালিত হয় এবং তার পেছনে সেলিমের প্রভাব রয়েছে।
এদিকে মোহাম্মদ ফারুক ওরফে “মাছ ফারুক”-এর বিরুদ্ধেও বিস্তর অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা। অভিযোগ রয়েছে, রাস্তার দুই পাশে অবৈধ দোকান বসিয়ে প্রতিদিন চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, প্রায় ১০০টির বেশি অস্থায়ী দোকান থেকে প্রতিদিন ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা করে চাঁদা তোলা হয়, যার পরিমাণ দৈনিক প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বিশ্বরোড, চান্দা গলি, কুমিল্লা পট্টি, আনন্দধারা ওয়াসা রোড, বসুন্ধরা গলি ও বালুর মাঠ এলাকায় গড়ে উঠেছে একাধিক মাদকের স্পট। সেখানে প্রকাশ্যে ইয়াবা, গাঁজা ও অন্যান্য মাদক বিক্রি হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব কর্মকাণ্ডের পেছনে একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট কাজ করছে বলে দাবি করেন স্থানীয়রা।
এলাকাবাসীর আরও অভিযোগ, কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি ও নামধারী সাংবাদিক অভিযুক্তদের পক্ষে তদবির করেন। পুলিশ কোনো আসামিকে আটক করলে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, আগে মাছ ব্যবসার আড়ালে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করলেও বর্তমানে মাছ ফারুক রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে নতুনভাবে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতার সঙ্গে ছবি তুলে এলাকায় আধিপত্য বজায় রাখার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
অন্যদিকে রাস্তার দুই পাশে অবৈধ দোকান বসানোর কারণে মুগদা-মান্ডা-মানিকনগর এলাকায় তীব্র যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়ছেন বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য জানতে চেষ্টা করা হলেও তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তবে স্থানীয় থানা পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং সত্যতা পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, প্রশাসন দ্রুত কার্যকর অভিযান পরিচালনা করে মাদক ও চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ নেবে এবং এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে