নিজস্ব প্রতিবেদক:
সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদসহ ৩৬ আসামির বিরুদ্ধে প্রায় ২৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের মামলায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আরও তিন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন।
বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মিজানুর রহমানের আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষ্য দেন দুদকের তিনজন সাক্ষী। পরে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাদের জেরা করেন।
দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর মোকাররম হোসাইন জানান, এর আগে গত ৫ মে দুদকের পক্ষে সাতজন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দেন। বুধবারের তিনজনসহ এ মামলায় এখন পর্যন্ত বাদীসহ মোট ২১ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। আদালত পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ২৩ জুন দিন ধার্য করেছেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক–এর প্রায় ২৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও বিদেশে পাচারের অভিযোগে গত ৭ জানুয়ারি দুদক সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ ও তার স্ত্রী রুকমীলা জামানসহ ৩৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। পরে আদালত অভিযোগপত্র গ্রহণ করে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলার প্রধান আসামি সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ বর্তমানে সপরিবারে লন্ডনে অবস্থান করছেন এবং পলাতক রয়েছেন। পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মিজানুর রহমানের আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষ্য দেন দুদকের তিনজন সাক্ষী। পরে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাদের জেরা করেন।
দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর মোকাররম হোসাইন জানান, এর আগে গত ৫ মে দুদকের পক্ষে সাতজন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দেন। বুধবারের তিনজনসহ এ মামলায় এখন পর্যন্ত বাদীসহ মোট ২১ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। আদালত পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ২৩ জুন দিন ধার্য করেছেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক–এর প্রায় ২৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও বিদেশে পাচারের অভিযোগে গত ৭ জানুয়ারি দুদক সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ ও তার স্ত্রী রুকমীলা জামানসহ ৩৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। পরে আদালত অভিযোগপত্র গ্রহণ করে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলার প্রধান আসামি সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ বর্তমানে সপরিবারে লন্ডনে অবস্থান করছেন এবং পলাতক রয়েছেন। পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।