নিজস্ব প্রতিবেদক:
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরুর পর দেশটির ইসলামি প্রজাতন্ত্রের নেতৃত্ব ভেঙে পড়লে সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদকে ক্ষমতায় আনার পরিকল্পনা করেছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। মঙ্গলবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এমন দাবি করেছে দ্য নিউইয়র্ক টাইমস।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুদ্ধের শুরুর দিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রকাশ্যে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে ইরানের ভেতর থেকেই কেউ নতুন নেতৃত্বে আসতে পারে, যদি ইসরাইলি হামলায় দেশটির সর্বোচ্চ নেতা ও শীর্ষ কর্মকর্তারা নিহত হন।
তবে নিউইয়র্ক টাইমসের দাবি, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের কর্মকর্তাদের মাথায় নির্দিষ্টভাবে আহমাদিনেজাদের নামই ছিল। একসময় কট্টরপন্থি অবস্থান ও যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী বক্তব্যের জন্য পরিচিত এই সাবেক প্রেসিডেন্টকে যুদ্ধ-পরবর্তী ইরানের সম্ভাব্য নেতৃত্ব হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছিল।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এই পরিকল্পনা মূলত ইসরাইল তৈরি করেছিল এবং এ বিষয়ে আহমাদিনেজাদের সঙ্গে যোগাযোগও করা হয়েছিল। কিন্তু যুদ্ধের প্রথম দিন তেহরানে তার বাড়িতে ইসরাইলি হামলার পর তিনি এ পরিকল্পনা নিয়ে হতাশ হয়ে পড়েন।
যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানে সরকার পরিবর্তনের বৃহত্তর পরিকল্পনাটি খুব দ্রুতই ভেঙে পড়ে এবং বাস্তবায়নের আগেই অকার্যকর হয়ে যায়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুদ্ধের শুরুর দিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রকাশ্যে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে ইরানের ভেতর থেকেই কেউ নতুন নেতৃত্বে আসতে পারে, যদি ইসরাইলি হামলায় দেশটির সর্বোচ্চ নেতা ও শীর্ষ কর্মকর্তারা নিহত হন।
তবে নিউইয়র্ক টাইমসের দাবি, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের কর্মকর্তাদের মাথায় নির্দিষ্টভাবে আহমাদিনেজাদের নামই ছিল। একসময় কট্টরপন্থি অবস্থান ও যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী বক্তব্যের জন্য পরিচিত এই সাবেক প্রেসিডেন্টকে যুদ্ধ-পরবর্তী ইরানের সম্ভাব্য নেতৃত্ব হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছিল।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এই পরিকল্পনা মূলত ইসরাইল তৈরি করেছিল এবং এ বিষয়ে আহমাদিনেজাদের সঙ্গে যোগাযোগও করা হয়েছিল। কিন্তু যুদ্ধের প্রথম দিন তেহরানে তার বাড়িতে ইসরাইলি হামলার পর তিনি এ পরিকল্পনা নিয়ে হতাশ হয়ে পড়েন।
যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানে সরকার পরিবর্তনের বৃহত্তর পরিকল্পনাটি খুব দ্রুতই ভেঙে পড়ে এবং বাস্তবায়নের আগেই অকার্যকর হয়ে যায়।