নিজস্ব প্রতিবেদক:
সরকারি চাকরি যেন অনেকের কাছেই সোনার হরিণ। আর সেই কাঙ্ক্ষিত চাকরিই এবার মিললো মাত্র ১২০ টাকায়। কোনো ঘুষ, তদবির কিংবা সুপারিশ নয়—সম্পূর্ণ মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে মানিকগঞ্জে পুলিশ কনস্টেবল পদে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়েছেন ২৬ জন চাকরি প্রত্যাশী। যা নিয়ে খুশি প্রার্থী ও তাদের পরিবার।
মানিকগঞ্জ জেলা পুলিশ লাইন্সে অনুষ্ঠিত হয় ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষা। জেলায় কনস্টেবল পদে শূন্য ছিল ২৬টি। এর বিপরীতে অনলাইনে আবেদন করেন ১ হাজার ৩২৯ জন চাকরি প্রত্যাশী।
আবেদনকারীদের মধ্য থেকে ৯৬০ জন প্রার্থী শারীরিক পরীক্ষায় অংশ নেন। পরে বিভিন্ন ধাপের বাছাই শেষে ২৬৫ জন লিখিত পরীক্ষার জন্য উত্তীর্ণ হন। লিখিত পরীক্ষায় সফল হন ৪৫ জন। এরপর মৌখিক পরীক্ষা ও যাচাই-বাছাই শেষে চূড়ান্তভাবে ২৬ জনকে নিয়োগের জন্য মনোনীত করা হয়।
চাকরি পাওয়া এসব তরুণ-তরুণীরা জানান, স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্ত নিয়োগ প্রক্রিয়ার কারণে সাধারণ পরিবারের সন্তানরাও এখন স্বপ্ন দেখতে সাহস পাচ্ছেন।
জেলা পুলিশের কর্মকর্তারা জানান, বাংলাদেশ পুলিশে নিয়োগ প্রক্রিয়া এখন পুরোপুরি স্বচ্ছ ও প্রযুক্তিনির্ভর। এখানে ঘুষ, দুর্নীতি বা তদবিরের কোনো সুযোগ নেই।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সারওয়ার আলম বলেন, যোগ্য ও মেধাবীদেরই আমরা বাছাই করেছি। স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পুলিশ বাহিনীতে সৎ ও দক্ষ সদস্য যুক্ত হচ্ছে।
মাত্র ১২০ টাকায় পুলিশের চাকরি পাওয়ার এই ঘটনা মানিকগঞ্জে সৃষ্টি করেছে ব্যাপক আলোড়ন। অনেকের কাছেই এটি এখন সততা ও স্বচ্ছ নিয়োগের এক উজ্জ্বল উদাহরণ।
মানিকগঞ্জ জেলা পুলিশ লাইন্সে অনুষ্ঠিত হয় ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষা। জেলায় কনস্টেবল পদে শূন্য ছিল ২৬টি। এর বিপরীতে অনলাইনে আবেদন করেন ১ হাজার ৩২৯ জন চাকরি প্রত্যাশী।
আবেদনকারীদের মধ্য থেকে ৯৬০ জন প্রার্থী শারীরিক পরীক্ষায় অংশ নেন। পরে বিভিন্ন ধাপের বাছাই শেষে ২৬৫ জন লিখিত পরীক্ষার জন্য উত্তীর্ণ হন। লিখিত পরীক্ষায় সফল হন ৪৫ জন। এরপর মৌখিক পরীক্ষা ও যাচাই-বাছাই শেষে চূড়ান্তভাবে ২৬ জনকে নিয়োগের জন্য মনোনীত করা হয়।
চাকরি পাওয়া এসব তরুণ-তরুণীরা জানান, স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্ত নিয়োগ প্রক্রিয়ার কারণে সাধারণ পরিবারের সন্তানরাও এখন স্বপ্ন দেখতে সাহস পাচ্ছেন।
জেলা পুলিশের কর্মকর্তারা জানান, বাংলাদেশ পুলিশে নিয়োগ প্রক্রিয়া এখন পুরোপুরি স্বচ্ছ ও প্রযুক্তিনির্ভর। এখানে ঘুষ, দুর্নীতি বা তদবিরের কোনো সুযোগ নেই।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সারওয়ার আলম বলেন, যোগ্য ও মেধাবীদেরই আমরা বাছাই করেছি। স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পুলিশ বাহিনীতে সৎ ও দক্ষ সদস্য যুক্ত হচ্ছে।
মাত্র ১২০ টাকায় পুলিশের চাকরি পাওয়ার এই ঘটনা মানিকগঞ্জে সৃষ্টি করেছে ব্যাপক আলোড়ন। অনেকের কাছেই এটি এখন সততা ও স্বচ্ছ নিয়োগের এক উজ্জ্বল উদাহরণ।