নিজস্ব প্রতিবেদক:
মাদারীপুরের কালকিনিতে নুর জেনারেল হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় প্রসূতি মায়ের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।
নিহতের স্বজনদের দাবি, ভুল চিকিৎসা ও চিকিৎসকদের অবহেলার কারণেই এই মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।
জানা গেছে, নিহত তন্বী আক্তার (২২) দক্ষিণ মাইজপাড়া গ্রামের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের জিয়া খানের মেয়ে। স্বামী আল আমিন হাওলাদার দক্ষিণ মাইজপাড়া এলাকার বাসিন্দা। সোমবার তন্বী আক্তারকে মজিদবাড়ি ভুরঘাটা নূর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ডা. মুসলিমা জাহান অসির তত্ত্বাবধানে সিজারিয়ান সম্পন্ন হয়। সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার পরে প্রসূতি মায়ের অবস্থার অবনতি হলেও ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ যথাযথ চিকিৎসাসেবা দিতে ব্যর্থ হয়। পরে অবস্থার আরো অবনতি হলে তন্বির মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।
ঘটনার পর স্বজনদের মধ্যে ক্ষোভ ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। তাৎক্ষণিক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ করে এক ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে কালকিনি থানার অফিসার ইনচার্জ জহিরুল আলম পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় নিহতের স্বজনেরা সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন।
এ ব্যাপারে নুর জেনারেল হাসপাতালের মালিক মীর গোলাম ফারুক আমার দেশের প্রতিনিধিকে মুঠোফোনের জানান, সন্তান জন্মের পর রোগীর স্টকজনিত কারণে মৃত্যু হতে পারে।
স্থানীয় প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটিত হবে বলে জানা গেছে।
নিহতের স্বজনদের দাবি, ভুল চিকিৎসা ও চিকিৎসকদের অবহেলার কারণেই এই মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।
জানা গেছে, নিহত তন্বী আক্তার (২২) দক্ষিণ মাইজপাড়া গ্রামের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের জিয়া খানের মেয়ে। স্বামী আল আমিন হাওলাদার দক্ষিণ মাইজপাড়া এলাকার বাসিন্দা। সোমবার তন্বী আক্তারকে মজিদবাড়ি ভুরঘাটা নূর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ডা. মুসলিমা জাহান অসির তত্ত্বাবধানে সিজারিয়ান সম্পন্ন হয়। সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার পরে প্রসূতি মায়ের অবস্থার অবনতি হলেও ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ যথাযথ চিকিৎসাসেবা দিতে ব্যর্থ হয়। পরে অবস্থার আরো অবনতি হলে তন্বির মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।
ঘটনার পর স্বজনদের মধ্যে ক্ষোভ ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। তাৎক্ষণিক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ করে এক ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে কালকিনি থানার অফিসার ইনচার্জ জহিরুল আলম পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় নিহতের স্বজনেরা সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন।
এ ব্যাপারে নুর জেনারেল হাসপাতালের মালিক মীর গোলাম ফারুক আমার দেশের প্রতিনিধিকে মুঠোফোনের জানান, সন্তান জন্মের পর রোগীর স্টকজনিত কারণে মৃত্যু হতে পারে।
স্থানীয় প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটিত হবে বলে জানা গেছে।
সূত্র: আনন্দবাজার