রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বর্জ্য ও ময়লা পানিতে দূষিত হচ্ছে পরিবেশ, খাল-বিল

আপলোড সময় : ১৮-০৫-২০২৬ ০১:০৯:২২ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ১৮-০৫-২০২৬ ০১:০৯:২২ অপরাহ্ন
নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পের দুর্গন্ধযুক্ত বিষাক্ত বর্জ্য ও ময়লাযুক্ত পানিতে দূষিত হচ্ছে খাল-বিল। প্রবহমান খাল দিয়ে ক্যাম্পের দূষিত ও মারাত্মক দুর্গন্ধযুক্ত ময়লা পানি নাফ নদীতে চলে যাচ্ছে সরাসরি। এতে করে খাল ও বিলের পানি যেমন নষ্ট হচ্ছে, তেমনি নাফ নদীর পানিও সমান তালে দূষিত হচ্ছে।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ময়লাযুক্ত বিষাক্ত পানির কারণে আশেপাশের খাল-বিলে ফসল উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। এছাড়া বিলে এবং নদীতে মৎস্য উৎপাদন দিন দিন কমে আসছে বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের আলীখালী খাল, মুচনী ছুরি খাল, জাদীমুরা জাদীর খাল, উনছিপ্রাং রইক্ষ্যং খাল ও ওমর খালের পানি একেবারে ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। রোহিঙ্গা ক্যাম্পের দুর্গন্ধযুক্ত বিষাক্ত বর্জ্য ও ময়লাযুক্ত পানি খালের পানির সঙ্গে একাকার হয়ে পরিবেশ মারাত্মক ক্ষতি করছে। পানির রঙ পরিবর্তন হয়ে কালো রঙ ধারণ করেছে।

এখানকার স্থানীয় লোকজন যুগ যুগ ধরে ওইসব খালের পানি নিয়ে শুষ্ক মৌসুমে ক্ষেত খামার করত। পানির রঙ অস্বাভাবিক পরিবর্তন হওয়ায় ক্ষেত খামার করতে পারছেন না এখানকার কৃষকরা।

উল্লেখিত পাঁচটি খাল প্রবাহমান থাকায়, লবণ চাষিদের যেমন কষ্ট হচ্ছে, তেমনি লবণ উৎপাদনও ব্যাহত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন লেদা এলাকার কৃষক জুবায়ের ও ফরিদ। তিনি আরো জানান, পচা ও দুর্গন্ধযুক্ত পানি লবণ মাঠেও ব্যবহার করা যায় না। ওই পানিতে তেমন লবণ উৎপাদন হয় না। ক্যাম্পের বর্জ্য এবং ময়লাযুক্ত পানির কারণে নদীর পানি খালে ঢুকতে পারে না বলেও লবণ চাষিদের অভিযোগ। ফলে লবণ চাষিদের প্রতি বছর ক্ষতির মাশুল গুনতে হচ্ছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নে ছয়টি রোহিঙ্গা ক্যাম্প রয়েছে। ইউনিয়নের মাত্র চার বর্গকিলোমিটার এলাকায় ক্যাম্পগুলোর অবস্থান। এসব ক্যাম্পে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা বসবাস করছেন।

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স দশম তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]