কোরবানির পশু ক্রেতাদের পছন্দ গারো পাহাড়ের গরু

আপলোড সময় : ১৮-০৫-২০২৬ ০১:০০:২৫ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ১৮-০৫-২০২৬ ০১:০০:২৫ অপরাহ্ন
নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
কোরবানির ঈদ সামনে রেখে এবারও শেরপুর সীমান্তের গারো পাহাড়ে প্রাকৃতিক পরিবেশে পালন হচ্ছে দেশি গরু। সবুজ ঘাস, লতাপাতা, নির্মল বাতাস আর খোলা চারণভূমিতে বড় হচ্ছে গরুগুলো। ঈদে এসব গরুর চাহিদা কয়েক গুণ বেড়ে যায়। তবে ঈদের আগে ভারত থেকে চোরা পথে গরু প্রবেশের খবরে দাম নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষক ও খামারিরা। জেলার তিন উপজেলার সীমান্তজুড়ে গারো পাহাড়ি গ্রামগুলোয় এবার প্রায় ১৫ হাজার গরু প্রস্তুত করা হয়েছে । আর এসব গরু পালনের সঙ্গে জড়িত প্রায় দুই হাজার পরিবার। গরু বিক্রির টাকাতেই সংসারের খরচ চলে এসব পরিবারের। প্রতিদিন ভোরে কৃষক ও খামারিরা গরু পাহাড়ে ছেড়ে দেয়। সারাদিন রোদ-বৃষ্টিতে ভিজে কচি ঘাস ও লতাপাতা খায়। বিকালে তারা গরুগুলো একত্র করে বাড়ি ফেরে।

 
শেরপুরের শ্রীবরদী, ঝিনাইগাতী ও নালিতাবাড়ী উপজেলার সীমান্তজুড়ে গারো পাহাড়। সীমান্তের পাহাড়ি ঢালে প্রকৃতির নিখাদ ছোঁয়ায় বেড়ে উঠছে কোরবানির হাজারো দেশি গরু। সবুজ ঘাস, নির্মল বাতাস আর খোলা চারণভূমিতে লালিত এসব গরু এখন কোরবানির ক্রেতাদের প্রথম পছন্দ।



নালিতাবাড়ি উপজেলার পানিহাতা এলাকার কৃষক মিজান মিয়া বলেন, আমরা হাতির যন্ত্রণায় ঠিকমতো আবাদ করতে পারি না। প্রতি বছর ঈদের জন্য দেশি গরু পালন করি। এবারো সাতটি গরু বিক্রি করব। সকালে গরুগুলো পাহাড়ে ছেড়ে দেই, সারাদিন লতাপাতা-ঘাস খেয়ে পেট ভরে। বিকালে বাড়ি নিয়ে লবণপানি খাওয়াই। এছাড়া বাজারের কোনো ক্ষতিকর খাবার খাওয়াই না। তাই আমাদের গরুর মাংসের স্বাদ অনেক বেশি। আমাদের গরুর চাহিদা অনেক।

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স দশম তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]