নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান বলেছেন, এবার নির্বাচনে আবদুল হামিদের ইউনিয়নের চার থেকে পাঁচটি কেন্দ্র আছে। এর মধ্যে তার ইউনিয়নের একটি কেন্দ্রে শুধু আমি পাশ করেছি- এ ধরনের কথা যারা বলে, তাদের আমি বলব, তারা গিয়ে মিঠামইনে দেখে আসুক। আবদুল হামিদ সাহেবের বাড়ির কেন্দ্রেও আমি ৩০০ ভোট পেয়েছি, দাঁড়িপাল্লা পেয়েছে ১২০০ ভোট- এটা আমি কল্পনাও করি না।
নির্বাচনে জয়ের বিষয়ে ছড়ানো গুজবের ব্যাপারে শনিবার (১৬ মে) গণমাধ্যমে দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রাম—এই তিন থানার মধ্যে ইটনার ৫৫টি কেন্দ্রের সবগুলোতেই তিনি বিজয়ী হয়েছেন। তার ভাষায়, প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থীর কেন্দ্রগুলোতেও তিনি তিনগুণ ভোট পেয়েছেন। অষ্টগ্রামের ৫৩টি কেন্দ্রের সবগুলোতেই তিনি জয়ী হয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি।
তবে মিঠামইনে ফলাফল ভিন্ন হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মিঠামইনে আমার প্রতিযোগিতাটা তীব্র হয়ে গেছে। আমি মাত্র পাঁচ হাজার ভোটে পাশ করেছি। সেখানে এমন কিছু কেন্দ্র ছিল, যেখানে আমার জয় পাওয়ার কথা না—বিশেষ করে আবদুল হামিদের বাড়ির পাশের কেন্দ্র এবং যেসব কেন্দ্রে তার নির্দেশনা মানা হয়েছে, সেগুলোতে আমি পিছিয়ে পড়েছি।
রাজনৈতিক মতাদর্শ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তার সঙ্গে যদি আমার সমঝোতা থাকত, তাহলে যিনি সারাজীবন আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ করেছেন, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের একজন মানুষ, তিনি কিভাবে তার শ্যালককে জামায়াতের পক্ষ থেকে মনোনয়ন দিলেন
নির্বাচনে জয়ের বিষয়ে ছড়ানো গুজবের ব্যাপারে শনিবার (১৬ মে) গণমাধ্যমে দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রাম—এই তিন থানার মধ্যে ইটনার ৫৫টি কেন্দ্রের সবগুলোতেই তিনি বিজয়ী হয়েছেন। তার ভাষায়, প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থীর কেন্দ্রগুলোতেও তিনি তিনগুণ ভোট পেয়েছেন। অষ্টগ্রামের ৫৩টি কেন্দ্রের সবগুলোতেই তিনি জয়ী হয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি।
তবে মিঠামইনে ফলাফল ভিন্ন হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মিঠামইনে আমার প্রতিযোগিতাটা তীব্র হয়ে গেছে। আমি মাত্র পাঁচ হাজার ভোটে পাশ করেছি। সেখানে এমন কিছু কেন্দ্র ছিল, যেখানে আমার জয় পাওয়ার কথা না—বিশেষ করে আবদুল হামিদের বাড়ির পাশের কেন্দ্র এবং যেসব কেন্দ্রে তার নির্দেশনা মানা হয়েছে, সেগুলোতে আমি পিছিয়ে পড়েছি।
রাজনৈতিক মতাদর্শ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তার সঙ্গে যদি আমার সমঝোতা থাকত, তাহলে যিনি সারাজীবন আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ করেছেন, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের একজন মানুষ, তিনি কিভাবে তার শ্যালককে জামায়াতের পক্ষ থেকে মনোনয়ন দিলেন