নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এমপির সাথে জাতিসংঘের নারী সংস্থা ইউএন উইমেনের রিপ্রেজেন্টেটিভ, অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল ও ডেপুটি এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর মিস নিয়ারাদজাই গুম্বনজভান্দা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। সাক্ষাতে দু’পক্ষ বাংলাদেশ ও জাতিসংঘের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারকরণ, নারী ও শিশু অধিকার সুরক্ষা, সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং বর্তমান সরকারের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে চলমান বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন সাক্ষাতে বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের কাছে দেওয়া নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিকে আরো বিস্তৃত ও কার্যকর করতে বদ্ধপরিকর। ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর নারী পরিবারের প্রধানদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে কুইক রেসপন্স টিম (কিউআরটি) গঠন ও কার্যক্রম জোরদারকরণ, আইনি সহায়তা প্রদান এবং কেয়ার ইকোনমির, কেয়ার গিভারসহ জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন উন্নয়ন বিষয়ে অগ্রাধিকারভুক্ত কর্মসূচি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
তিনি আরো জানান, ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় সুবিধাভোগীদের সংখ্যা বৃদ্ধি করা হয়েছে যাতে স্বল্প আয়ের পরিবারগুলো সহজে খাদ্য, পুষ্টি ও অন্যান্য মৌলিক সুবিধা পায়। নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনায় দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানাতে কুইক রেসপন্স টিম গঠন করা হয়েছে, যা হটলাইন ১০৯-এর মাধ্যমে ২৪ ঘণ্টা সক্রিয় রয়েছে। টিম ঘটনাস্থলে দ্রুত পৌঁছে উদ্ধার, চিকিৎসা, কাউন্সেলিং ও আইনি সহায়তা প্রদান করে।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, কেয়ার ইকোনমির মাধ্যমে নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন, গৃহস্থালী কাজের স্বীকৃতি প্রদান এবং নারী-পুরুষের সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। এছাড়া আইনি সহায়তা কেন্দ্রগুলোকে আরো শক্তিশালী করা হয়েছে যাতে নির্যাতিত নারী ও শিশুরা সহজে বিচার পায়।
রোববার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর অফিস কক্ষে উইমেনের ডেপুটি ডাইরেক্টর এবং এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল মিস নিয়ারাদজাই গুম্বনজভান্দার এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাতে মন্ত্রী একথা বলেন।
মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন সাক্ষাতে বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের কাছে দেওয়া নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিকে আরো বিস্তৃত ও কার্যকর করতে বদ্ধপরিকর। ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর নারী পরিবারের প্রধানদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে কুইক রেসপন্স টিম (কিউআরটি) গঠন ও কার্যক্রম জোরদারকরণ, আইনি সহায়তা প্রদান এবং কেয়ার ইকোনমির, কেয়ার গিভারসহ জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন উন্নয়ন বিষয়ে অগ্রাধিকারভুক্ত কর্মসূচি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
তিনি আরো জানান, ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় সুবিধাভোগীদের সংখ্যা বৃদ্ধি করা হয়েছে যাতে স্বল্প আয়ের পরিবারগুলো সহজে খাদ্য, পুষ্টি ও অন্যান্য মৌলিক সুবিধা পায়। নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনায় দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানাতে কুইক রেসপন্স টিম গঠন করা হয়েছে, যা হটলাইন ১০৯-এর মাধ্যমে ২৪ ঘণ্টা সক্রিয় রয়েছে। টিম ঘটনাস্থলে দ্রুত পৌঁছে উদ্ধার, চিকিৎসা, কাউন্সেলিং ও আইনি সহায়তা প্রদান করে।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, কেয়ার ইকোনমির মাধ্যমে নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন, গৃহস্থালী কাজের স্বীকৃতি প্রদান এবং নারী-পুরুষের সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। এছাড়া আইনি সহায়তা কেন্দ্রগুলোকে আরো শক্তিশালী করা হয়েছে যাতে নির্যাতিত নারী ও শিশুরা সহজে বিচার পায়।
রোববার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর অফিস কক্ষে উইমেনের ডেপুটি ডাইরেক্টর এবং এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল মিস নিয়ারাদজাই গুম্বনজভান্দার এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাতে মন্ত্রী একথা বলেন।