ফরিদপুরে মা-মেয়ের হত্যাকারী পরকীয়া প্রেমিক

আপলোড সময় : ১৭-০৫-২০২৬ ০৫:৫৯:২৩ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ১৭-০৫-২০২৬ ০৫:৫৯:২৩ অপরাহ্ন
নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
ফরিদপুরে চাঞ্চল্যকর মা-মেয়ে হত্যার রহস্য উন্মোচন। লাশ মাটির নিচে পুঁতে রেখেছিল পরকীয়া প্রেমিক উজ্জল (৩৮)। রোববার বেলা ২টায় ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার এক প্রেস ব্রিফিংএ সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানানো হয়।

প্রেস ব্রিফিং এ বলা হয়, নিহত জাহানারা বেগমের সঙ্গে ৩ বছরের পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক ছিল উজ্জলের। ঘটনার দিন উজ্জল জাহানারা কে মোবাইল ফোনে জামতলা বাজারে আসতে বলে। জামতলা বাজার থেকে তাকে রিসিভ করে জনৈক শামসুল মোল্লার পুকুর পাড়ের ছাপড়া ঘরের মধ্যে নিয়ে যায়। সেখানে উভয়ের মধ্যে প্রেম ঘটিত বিষয়ে দীর্ঘ সময় কথোপকথন হয়। এসময় জাহানারার ৪ বছরের কন্যা সামিয়া ঘুমিয়ে পড়ে। একপর্যায়ে দুজনের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হলে উজ্জল জাহানরার বুকে ঘুসি মারে। জাহানারা মাটিতে লুটিয়ে পড়লে উজ্জ্বল সঙ্গে সঙ্গে জাহানারার গলা চেপে ধরে তার মৃত্যু নিশ্চিত করে। এ সময়ে শিশুকন্যা সামিয়া ঘুম ভেঙে চিৎকার করতে থাকলে উজ্জ্বল তাকেও গলা টিপে হত্যা করে। তারপর কোদাল দিয়ে মাটি খুঁড়ে দুজনকেই ছাপড়া ঘরের পশ্চিম পাশে পুঁতে রাখে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে উজ্জ্বল স্বীকার করেছে, সে একাই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে পুলিশ জানায়।

বৃহস্পতিবার কুকুরের মাটি খোঁড়াখুড়িতে মাটির নিচ থেকে মানুষের পা বেরিয়ে আসে। স্থানীয়রা এটি দেখে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মাটি খুঁড়ে লাশ দুটি উদ্ধার করে।

পরে লাশ দুটি কর্নসোনা গ্রামের ইটভাটা শ্রমিক আমজাদ শেখের স্ত্রী জাহানারা বেগম (৩০) ও মেয়ে সামিয়া আক্তারের (৪) বলে সনাক্ত করা হয়।

তারা এক আত্মীয়ের বাড়িতে দাওয়াত খাওয়ার উদ্দেশ্যে একসাথে বের হয়েছিল বলে জানায় পরিবারের সদস্যরা। এর পর তারা আর বাড়ি ফিরেনি । এঘটনায় গোয়ালন্দ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন তার স্বামী আমজাদ শেখ।

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স দশম তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]