নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
সীমান্ত হত্যা নিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বাংলাদেশ ভারত সীমান্ত পৃথিবীর সবচেয়ে রক্তাক্ত সীমান্ত। আমাদের হাজারের বেশি নাগরিক ভারতীয় বাহিনী হত্যা করেছে। মওলানা ভাসানী ফারাক্কা লংমার্চ করেছিল। যদি প্রয়োজন হয়, আমরা সীমান্ত লংমার্চের ঘোষণা দিবো। বাংলাদেশের সীমান্ত আমরা নিরাপদ করবো। আমাদের পানির হিস্যা আমরা আদায় করবো। আমাদের সার্বভৌমত্ব আমরা নিরাপদ রাখবো।
শনিবার বিকালে রাজধানীর তোপখানা রোডের বিএমএ মিলনায়তনে জাতীয় যুবশক্তির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ‘তারুণ্যের ঐক্য: নতুন বাংলাদেশের শক্তি’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
ফারাক্কা দিবসে মওলানা ভাসানীর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, অভিন্ন প্রায় সবগুলো নদীতে বাঁধ নির্মাণ করে পানি প্রত্যাহার করছে ভারত। স্বাধীনতার পর থেকেই আমাদের পানির ন্যায্য হিস্যা থেকে বঞ্চিত করছে। এবছর গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তি শেষ হচ্ছে। আমরা নতুন চুক্তিতে আমাদের পানির ন্যায্য হিস্যা দেখতে চাই। আমরা দেখতে চাই, নতুন সরকার ভারতীয় আধিপত্যের বাইরে গিয়ে আমাদের পানির অধিকার নিশ্চিত করতে পারে কিনা। নাকি আওয়ামী লীগের মতো নতজানু চুক্তি করে।
পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির উত্থান নিয়ে তিনি বলেন, সীমান্তে হিন্দুত্ববাদের উত্থান ঘটেছে। বাংলাদেশে পুশ ইন করছে। বাংলাদেশ নিয়ে ষড়যন্ত্র করছে। এই সরকারের পক্ষে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব টিকিয়ে রাখতে পারবে না।
এনসিপি আহ্বায়ক বলেন, সারাদেশে হামের প্রকোপ চলছে। চারশোর বেশি শিশু মারা গেছে। সরকারকে ব্যর্থতার দায় নিতে হবে। সরকার হাম মোকাবেলায় ব্যর্থ হয়েছে। অতিসত্বর মেডিকেল ইমার্জেন্সি ঘোষণা করতে হবে। কয়েকটি হাসপাতালকে হামের জন্য বিশেষায়িত হাসপাতাল করতে হবে। সরকার এর ওর ওপর দায় চাপিয়ে বাঁচতে চাচ্ছে। কারো দায় থাকলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।
সংস্কার কার্যক্রমের সঙ্গে, জনগণের সঙ্গে বর্তমান সরকার বিশ্বাসঘাতকতা করেছে উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, সরকার গণভোটের রায় প্রত্যাখ্যান করেছে। সকল গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ বাতিল করেছে। যুবকদের জন্য দেয়া প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে পারেনি। এক কোটি কর্মসংস্থান এর কিছুই আমরা দেখতে পাচ্ছি না।
শনিবার বিকালে রাজধানীর তোপখানা রোডের বিএমএ মিলনায়তনে জাতীয় যুবশক্তির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ‘তারুণ্যের ঐক্য: নতুন বাংলাদেশের শক্তি’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
ফারাক্কা দিবসে মওলানা ভাসানীর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, অভিন্ন প্রায় সবগুলো নদীতে বাঁধ নির্মাণ করে পানি প্রত্যাহার করছে ভারত। স্বাধীনতার পর থেকেই আমাদের পানির ন্যায্য হিস্যা থেকে বঞ্চিত করছে। এবছর গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তি শেষ হচ্ছে। আমরা নতুন চুক্তিতে আমাদের পানির ন্যায্য হিস্যা দেখতে চাই। আমরা দেখতে চাই, নতুন সরকার ভারতীয় আধিপত্যের বাইরে গিয়ে আমাদের পানির অধিকার নিশ্চিত করতে পারে কিনা। নাকি আওয়ামী লীগের মতো নতজানু চুক্তি করে।
পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির উত্থান নিয়ে তিনি বলেন, সীমান্তে হিন্দুত্ববাদের উত্থান ঘটেছে। বাংলাদেশে পুশ ইন করছে। বাংলাদেশ নিয়ে ষড়যন্ত্র করছে। এই সরকারের পক্ষে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব টিকিয়ে রাখতে পারবে না।
এনসিপি আহ্বায়ক বলেন, সারাদেশে হামের প্রকোপ চলছে। চারশোর বেশি শিশু মারা গেছে। সরকারকে ব্যর্থতার দায় নিতে হবে। সরকার হাম মোকাবেলায় ব্যর্থ হয়েছে। অতিসত্বর মেডিকেল ইমার্জেন্সি ঘোষণা করতে হবে। কয়েকটি হাসপাতালকে হামের জন্য বিশেষায়িত হাসপাতাল করতে হবে। সরকার এর ওর ওপর দায় চাপিয়ে বাঁচতে চাচ্ছে। কারো দায় থাকলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।
সংস্কার কার্যক্রমের সঙ্গে, জনগণের সঙ্গে বর্তমান সরকার বিশ্বাসঘাতকতা করেছে উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, সরকার গণভোটের রায় প্রত্যাখ্যান করেছে। সকল গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ বাতিল করেছে। যুবকদের জন্য দেয়া প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে পারেনি। এক কোটি কর্মসংস্থান এর কিছুই আমরা দেখতে পাচ্ছি না।