নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
ইরানের সঙ্গে দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা নিরসনে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার করলেও চীন সফর থেকে বড় কোনো সাফল্য ছাড়াই দেশে ফিরেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ওয়াশিংটনে ফেরার পথে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার পক্ষে এবং ইরান যেন পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করে সে বিষয়েও একমত। তবে এ অবস্থান আগেও বেইজিং প্রকাশ করেছিল।
ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, শি জিনপিং যুদ্ধের অবসান চান এবং সহায়তা করতে আগ্রহী। তিনি সাহায্য করতে চাইলে ভালো, তবে আমাদের সেই সাহায্যের প্রয়োজন নেই।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, ট্রাম্প ও শি জিনপিংয়ের বৈঠকের ফলাফলের ওপর ভিত্তি করেই ইরান বিষয়ে পরবর্তী কৌশল নির্ধারণ করতে চেয়েছিল হোয়াইট হাউস। কিন্তু প্রত্যাশিত অগ্রগতি না হওয়ায় এখন ট্রাম্পকে সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে সংঘাত থামাতে ইরানের ওপর নতুন করে সামরিক হামলা চালানো হবে কি না।
শুক্রবার ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান চলবে।
প্রশাসনের ভেতরেও এ বিষয়ে মতভেদ রয়েছে। পেন্টাগনের কিছু কর্মকর্তা আরো কঠোর অবস্থানের পক্ষে মত দিয়েছেন। তাদের মতে, লক্ষ্যভিত্তিক হামলা ইরানকে সমঝোতায় আসতে চাপ সৃষ্টি করবে। অন্যদিকে আরেকটি অংশ এখনো কূটনৈতিক পথেই সমাধান খোঁজার পক্ষে।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ট্রাম্প নিজেও আলোচনা ও অর্থনৈতিক চাপের সমন্বিত কৌশলে জোর দিয়েছিলেন। তবে এপ্রিল মাসে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেওয়ার পরও তেহরান তার অবস্থানে বড় কোনো পরিবর্তন আনেনি।
ইরানের সর্বশেষ প্রস্তাব সম্পর্কে ট্রাম্প বলেন, আমি দেখেছি। প্রথম বাক্যটাই যদি পছন্দ না হয়, তাহলে পুরোটা ফেলে দিই।
এদিকে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স সম্প্রতি দাবি করেছেন, আলোচনায় কিছু অগ্রগতি হচ্ছে। তিনি জানান, ট্রাম্পের বিশেষ দূত জ্যারেড কুশনার, স্টিভ উইটকফ এবং আরব বিশ্বের কয়েকজন মিত্রের সঙ্গে তিনি নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন।
ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, শি জিনপিং যুদ্ধের অবসান চান এবং সহায়তা করতে আগ্রহী। তিনি সাহায্য করতে চাইলে ভালো, তবে আমাদের সেই সাহায্যের প্রয়োজন নেই।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, ট্রাম্প ও শি জিনপিংয়ের বৈঠকের ফলাফলের ওপর ভিত্তি করেই ইরান বিষয়ে পরবর্তী কৌশল নির্ধারণ করতে চেয়েছিল হোয়াইট হাউস। কিন্তু প্রত্যাশিত অগ্রগতি না হওয়ায় এখন ট্রাম্পকে সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে সংঘাত থামাতে ইরানের ওপর নতুন করে সামরিক হামলা চালানো হবে কি না।
শুক্রবার ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান চলবে।
প্রশাসনের ভেতরেও এ বিষয়ে মতভেদ রয়েছে। পেন্টাগনের কিছু কর্মকর্তা আরো কঠোর অবস্থানের পক্ষে মত দিয়েছেন। তাদের মতে, লক্ষ্যভিত্তিক হামলা ইরানকে সমঝোতায় আসতে চাপ সৃষ্টি করবে। অন্যদিকে আরেকটি অংশ এখনো কূটনৈতিক পথেই সমাধান খোঁজার পক্ষে।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ট্রাম্প নিজেও আলোচনা ও অর্থনৈতিক চাপের সমন্বিত কৌশলে জোর দিয়েছিলেন। তবে এপ্রিল মাসে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেওয়ার পরও তেহরান তার অবস্থানে বড় কোনো পরিবর্তন আনেনি।
ইরানের সর্বশেষ প্রস্তাব সম্পর্কে ট্রাম্প বলেন, আমি দেখেছি। প্রথম বাক্যটাই যদি পছন্দ না হয়, তাহলে পুরোটা ফেলে দিই।
এদিকে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স সম্প্রতি দাবি করেছেন, আলোচনায় কিছু অগ্রগতি হচ্ছে। তিনি জানান, ট্রাম্পের বিশেষ দূত জ্যারেড কুশনার, স্টিভ উইটকফ এবং আরব বিশ্বের কয়েকজন মিত্রের সঙ্গে তিনি নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন।